Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Wednesday
June 03, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
WEDNESDAY, JUNE 03, 2026
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোন কোন সামরিক কোম্পানি ইরান যুদ্ধ থেকে লাভবান হচ্ছে?

আন্তর্জাতিক

আল জাজিরা
10 March, 2026, 12:00 pm
Last modified: 10 March, 2026, 12:23 pm

Related News

  • ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে নিরপেক্ষ ওমানকে চাপ দিচ্ছে ক্ষুব্ধ আমেরিকা
  • ‘তুমি বদ্ধ উন্মাদ, সবাই এখন তোমাকে ঘৃণা করে’: লেবানন নিয়ে ফোনালাপে বিবি-র ওপর চটলেন ট্রাম্প
  • ইরানের গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, মার্কিন বিমানঘাঁটিতে পাল্টা আক্রমণের দাবি আইআরজিসির
  • 'তারা এতে রাজি হয়েছে': ইরান পারমাণবিক শর্ত মেনে নিয়েছে বলে দাবি ট্রাম্পের
  • ইরানে আমাদের হামলা করা উচিত হয়নি: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোন কোন সামরিক কোম্পানি ইরান যুদ্ধ থেকে লাভবান হচ্ছে?

আল জাজিরা
10 March, 2026, 12:00 pm
Last modified: 10 March, 2026, 12:23 pm

হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলো অস্ত্রের 'উৎপাদন চারগুণ' করতে সম্মত হয়েছে, যাকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প 'অসাধারণ শ্রেণির' সমরাস্ত্র বলে অভিহিত করেছেন।

শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে আরটিএক্স (সাবেক রেথিয়ন), লকহিড মার্টিন, বোয়িং, নর্থরপ গ্রুম্যান, বিএই সিস্টেমস, এল৩হ্যারিস মিসাইল সলিউশনস এবং হানিওয়েল অ্যারোস্পেসের প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন। এই কোম্পানিগুলোর কাছে বর্তমানে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ক্রয়াদেশ (অর্ডার ব্যাকলগ) জমে আছে, যার পরিমাণ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) চেয়েও বেশি।

২০২৫ সালে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করে যুক্তরাষ্ট্র এমনিতেই বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক ব্যয়কারী দেশে পরিণত হয়েছে। এই অঙ্ক পরবর্তী শীর্ষ নয়টি দেশের সম্মিলিত সামরিক ব্যয়ের চেয়েও বেশি। ট্রাম্পের লক্ষ্য ২০২৭ সালের মধ্যে এই ব্যয় বাড়িয়ে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা।

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে অস্ত্রের পেছনে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে, যা এই যুদ্ধকে প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের জন্য একটি অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসায় পরিণত করেছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ অস্ত্র উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে নর্থরপ গ্রুম্যানের শেয়ার ৫ শতাংশ, আরটিএক্স-এর ৪.৫ শতাংশ এবং লকহিড মার্টিনের ৩ শতাংশ বেড়েছে।

তাহলে প্রশ্ন হলো—ইরান যুদ্ধে কোন কোন অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে এবং দ্রুত তীব্র হওয়া এই সংঘাত থেকে কোন প্রতিরক্ষা ঠিকাদাররা লাভবান হচ্ছেন?

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) তথ্য অনুযায়ী, 'অপারেশন এপিক ফিউরি'-তে আকাশ, সাগর, স্থল এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা বাহিনীর ২০টিরও বেশি স্বতন্ত্র অস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে।

ক্ষেপণাস্ত্র, সমরাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

গত তিন দশক ধরে পেন্টাগনের দূরপাল্লার হামলার জন্য প্রথম পছন্দ হলো টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো রাডারের চোখ ফাঁকি দিতে কম উচ্চতায় শব্দের চেয়ে কম গতিতে (সাবসনিক স্পিড) চলাচল করে। এগুলো আরব সাগরে থাকা 'আরলেহ বার্ক-শ্রেণির' ডেস্ট্রয়ার থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছে। প্রতিটি ডেস্ট্রয়ার ৯০টির বেশি টমাহক বহন করতে সক্ষম।

মরুভূমি অঞ্চলে থাকা এম-১৪২ হিমার্স সিস্টেম থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রথমবারের মতো ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল নিক্ষেপ করেছে। এই স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ৪০০২ কিলোমিটার (২৫০ মাইল) দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে, ইরানের পাল্টা হামলা ঠেকাতে প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যাটারি এবং টার্মিনাল হাই অলটিটিউড এরিয়া ডিফেন্স (থাড) ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। প্যাট্রিয়ট স্বল্পপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও কম উচ্চতার হুমকি মোকাবিলা করে, আর থাড উচ্চতর উচ্চতায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে অবতরণের চূড়ান্ত পর্যায়ে ধ্বংস করে।

ড্রোন

ইরানে হামলায় প্রথমবারের মতো লো-কস্ট আনক্রুড কমব্যাট অ্যাটাক সিস্টেম (লুকাস) ব্যবহার করা হয়েছে। স্পেকট্রেওয়ার্কস-এর তৈরি এটি একটি একমুখী অ্যাটাক ড্রোন, যা মূলত ইরানের নিজস্ব 'শাহেদ' ড্রোনের আদলে তৈরি। প্রতিটি ড্রোনের দাম ৩৫ হাজার ডলার। লুকাস ড্রোনের ব্যবহার মূলত সস্তা ও ব্যবহারযোগ্য সমরাস্ত্রের দিকে ঝুঁকে পড়ার একটি কৌশল। এটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের চেয়ে অনেক সস্তা। এই যুদ্ধে রিপার ড্রোনও ব্যবহার করা হচ্ছে, যার প্রতিটি তৈরিতে খরচ হয় প্রায় ৪ কোটি ডলার। উল্লেখ্য, গত ১ মার্চ ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) একটি রিপার ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছিল।

হামলার সক্ষমতা

তেহরানের মজুত ধ্বংস করার জন্য ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা ও ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্র বি-১ বোমারু বিমান, বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান, এফ-১৫ ফাইটার জেট, এফ-২২ র‍্যাপ্টর এবং এফ-৩৫ লাইটনিং টু স্টিলথ ফাইটার ব্যবহার করছে। এসব হামলায় ৯০০ কেজি (২,০০০ পাউন্ড) ওজনের বোমা ব্যবহার করা হচ্ছে।

গোয়েন্দা নজরদারি

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্র অনুযায়ী, আরব সাগরে অবস্থানরত ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরীতে ইএ-১৮জি গ্রাউলার ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার জেট দেখা গেছে। এই বিমানগুলো শত্রুর রাডার, যোগাযোগ এবং ক্ষেপণাস্ত্র নির্দেশক ব্যবস্থা অকেজো (জ্যাম) করতে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া পি-৮এ পসাইডন বিমানও সাগর ও স্থলে নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে। ফ্লাইট পথের তথ্য অনুযায়ী, এটি হরমুজ প্রণালির চারপাশে চক্কর দিতে দেখা গেছে।

গত মাসে মার্কিন বিমান বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে ই-৩ সেন্ট্রি অ্যাওয়াকস রাডার বিমান মোতায়েন করেছে, যা যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা দেয়। মার্কিন বিমান বাহিনীর আরসি-১৩৫ গুপ্তচর বিমান—যেমন কোবরা বল এবং রিভেট জয়েন্ট ভ্যারিয়েন্টগুলো—কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঘাঁটি থেকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের মিশন পরিচালনা করছে। এগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, রাডার ব্যবস্থা এবং যোগাযোগের ওপর নজর রাখছে।

নৌ সক্ষমতা

আরব সাগর ও ভূমধ্যসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতির মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে যথাক্রমে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড বিমানবাহী রণতরী। একই সঙ্গে 'আরলেহ বার্ক-শ্রেণির' গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারের একটি বহর তাদের ইজিস সিস্টেমের মাধ্যমে আক্রমণাত্মক ফায়ারপাওয়ার এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা—উভয় সুবিধাই প্রদান করছে।

ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো কারা তৈরি করে?

  • বোয়িং: বি-১ বোমারু বিমান, এফ-১৫, ইএ-১৮জি গ্রাউলার, পি-৮এ পসাইডন এবং এল৩হ্যারিস টেকনোলজিস-এর মডিফিকেশনসহ আরসি-১৩৫ বিমান তৈরি করে।
  • নর্থরপ গ্রুম্যান: বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান তৈরি করে এবং ই-৩ সেন্ট্রি অ্যাওয়াকস-এ রাডার প্রযুক্তি সরবরাহ করে।
  • লকহিড মার্টিন এফ-৩৫ লাইটনিং টু স্টিলথ ফাইটার, এফ-২২ র‍্যাপ্টর জেট, থাড সিস্টেম, এম১৪২ হিমার্স, এমজিএম-১৪০ অ্যাটাকমস ক্ষেপণাস্ত্র এবং পিআরএসএম তৈরি করে।
  • আরটিএক্স: এই করপোরেশনের রেথিয়ন বিভাগ টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র এবং এমআইএম-১০৪ প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেম তৈরি করে।
  • স্পেকট্রেওয়ার্কস: লুকাস ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন উৎপাদন করে।
  • জেনারেল অ্যাটমিকস অ্যারোনটিক্যাল: এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন তৈরি করে।
  • হান্টিংটন ইঙ্গালস ইন্ডাস্ট্রিজ: ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড রণতরী নির্মাণ করেছে।

বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক কোম্পানি কোনগুলো?

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই বা সিপরি)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি প্রতিরক্ষা কোম্পানি ৬৭৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি রাজস্ব আয় করেছে। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক আয় (৩৩৪ বিলিয়ন ডলার) করে মার্কিন কোম্পানিগুলো আধিপত্য বিস্তার করেছে। এরপর রয়েছে চীন (৮৮ বিলিয়ন ডলার), যুক্তরাজ্য (৫২ বিলিয়ন ডলার), রাশিয়া (৩১ বিলিয়ন ডলার) এবং ফ্রান্স (২৬ বিলিয়ন ডলার)।

যুক্তরাজ্যের বিএই সিস্টেমস, ইতালির লিওনার্দো, ট্রান্স-ইউরোপীয় এয়ারবাস, ফ্রান্সের থ্যালেস এবং জার্মানির রাইনমেটাল-এর মতো ইউরোপীয় জায়ান্টগুলো শীর্ষ ২০ কোম্পানির তালিকায় অবস্থান করছে। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের কারণে এদের অনেকেরই ব্যবসা ফুলেফেঁপে উঠেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রতিরক্ষা ঠিকাদার কারা?

সিপরি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি প্রতিরক্ষা কোম্পানির তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এই সংখ্যা দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীনের (৮টি গ্রুপ) চেয়ে বহুগুণ বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ৫টি প্রতিরক্ষা কোম্পানি হলো:

  • লকহিড মার্টিন: বিশ্বের বৃহত্তম এই প্রতিরক্ষা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৫ সালে লকহিড ও মার্টিন ম্যারিয়েটার একীভূত হওয়ার মাধ্যমে গঠিত হয়। ২০২৪ সালে এর রাজস্ব আয় ছিল ৬৮.৪ বিলিয়ন ডলার। মার্কিন সরকারের সঙ্গে এফ-৩৫ এর মতো বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র এবং স্পেস সিস্টেম তৈরির চুক্তি রয়েছে তাদের। পেন্টাগনের সঙ্গে তাদের চুক্তির মূল্যমান কয়েক হাজার কোটি ডলার। এ বছর আকাশ প্রতিরক্ষার জন্য প্যাক-৩ মিসাইল সেগমেন্ট এনহান্সমেন্ট-এর উৎপাদন বাড়াতে মার্কিন সরকারের সঙ্গে চুক্তি করেছে কোম্পানিটি।
  • আরটিএক্স: রেথিয়ন এবং ইউনাইটেড টেকনোলজিসের একীভূত হওয়ার পর ২০২০ সালে এটি গঠিত হয়। এই ব্যবসার প্রধান তিনটি অংশ মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং বাণিজ্যিক এয়ারলাইন্সগুলোর জন্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, জেট ইঞ্জিন এবং এভিওনিক্স তৈরিতে কাজ করে। ২০২৪ সালে কোম্পানির ৪৩.৬ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব এসেছে প্রতিরক্ষা খাত থেকে।
  • নর্থরপ গ্রুম্যান: ১৯৯৪ সালে নর্থরপ কর্তৃক গ্রুম্যানকে অধিগ্রহণের পর এই প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়। মার্কিন বিমান বাহিনী এবং সরকারের জন্য বি-২১ রেইডারের মতো স্টিলথ বিমান, স্পেস সিস্টেম এবং পারমাণবিক আধুনিকায়ন কর্মসূচি থেকে এই কোম্পানি রাজস্ব আয় করে। ২০২৪ সালে তাদের রাজস্বের ৩৭.৯ বিলিয়ন ডলার এসেছে প্রতিরক্ষা খাত থেকে।
  • জেনারেল ডায়নামিকস: এটি পারমাণবিক সাবমেরিন, যুদ্ধ ট্যাংক, সাঁজোয়া যান এবং গালফস্ট্রিম বিজনেস জেট তৈরি করে। ২০২৪ সালে তাদের ৩৩.৬ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব এসেছে প্রতিরক্ষা খাত থেকে।
  • বোয়িং কোম্পানি: ১৯১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিমান নির্মাতার আয়ের বড় অংশই আসে বাণিজ্যিক বিমান, প্রতিরক্ষা কর্মসূচি এবং স্পেস সিস্টেম থেকে। এর মধ্যে রয়েছে এফ/এ-১৮ই/এফ সুপার হর্নেট, এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি ও চিনুক হেলিকপ্টার এবং পি-৮ পসাইডন। ২০২৪ সালে বোয়িংয়ের ৩০.৬ বিলিয়ন ডলার আয় এসেছে প্রতিরক্ষা খাত থেকে।

ইসরায়েলের শীর্ষ প্রতিরক্ষা ঠিকাদার কারা?

সিপরি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, শীর্ষ ১০০টি প্রতিরক্ষা কোম্পানির তালিকায় ইসরায়েলের তিনটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তির হাত ধরে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা রপ্তানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

  • এলবিট সিস্টেমস: ইসরায়েলের বৃহত্তম এই প্রতিরক্ষা কোম্পানি ড্রোন, নজরদারি ব্যবস্থা, যুদ্ধক্ষেত্রের ইলেকট্রনিক্স এবং মিলিটারি অপটিক্সে বিশেষজ্ঞ। ২০২৪ সালে প্রতিরক্ষা খাত থেকে তাদের আয় ছিল ৬.৩ বিলিয়ন ডলার।
  • ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ: রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ কোম্পানিটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, স্যাটেলাইট, কমব্যাট ড্রোন এবং রাডার প্রযুক্তিতে বিশেষজ্ঞ। ২০২৪ সালে প্রতিরক্ষা খাত থেকে তাদের আয় ছিল ৫.২ বিলিয়ন ডলার।
  • রাফায়েল: এই কোম্পানিটিও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এবং এটি ইসরায়েলের বহু-প্রশংসিত 'আয়রন ডোম' ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পেছনের কারিগর। তারা নির্ভুল-নির্দেশিত সমরাস্ত্রও সরবরাহ করে। ২০২৪ সালে প্রতিরক্ষা খাত থেকে তাদের আয় ছিল ৪.৭ বিলিয়ন ডলার।

মার্কিন প্রতিরক্ষা কোম্পানির শেয়ারের ঊর্ধ্বগতি

সিপরি-র মতে, ২০২৪ সালে বিশ্বব্যাপী প্রতিরক্ষা ব্যয় ৯.৪ শতাংশ বেড়ে ২.৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়া ন্যাটো সদস্যরা ২০৩৫ সালের মধ্যে তাদের বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেট জিডিপির ২ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা বার্ষিক ব্যয়ে কয়েকশ বিলিয়ন ডলার যোগ করবে।

ইউক্রেন এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়ে দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া অস্ত্রের মজুত পুনরায় পূরণ করতে বড় বড় অস্ত্র ঠিকাদাররা নতুন অর্ডারে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। এই বর্ধিত চাহিদার ফলে তাদের শেয়ারের দাম আকাশচুম্বী হচ্ছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মার্চ থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের শেয়ারের দাম ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে আরটিএক্স-এর শেয়ারের দাম সবচেয়ে বেশি ১১০ শতাংশ বেড়েছে। এরপর রয়েছে নর্থরপ গ্রুম্যান (৬০ শতাংশ), জেনারেল ডায়নামিকস (৫৭ শতাংশ), লকহিড মার্টিন (৩৭ শতাংশ) এবং বোয়িং (৫ শতাংশ)।

Related Topics

টপ নিউজ

ইরান যুদ্ধ / সামরিক অভিযান

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • পটাশ-চিনি বার্ন: অনলাইনে প্রতারণার ফাঁদে পড়ে যেভাবে হাত হারাচ্ছে কিশোরী-যুবতীরা
    পটাশ-চিনি বার্ন: অনলাইনে প্রতারণার ফাঁদে পড়ে যেভাবে হাত হারাচ্ছে কিশোরী-যুবতীরা
  • প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। ছবি: টিবিএস
    আমি শুধু বাচ্চারে টুকরো করেছি, ধর্ষণ করেছে ডলার, মারছে ডলার: রামিসা হত্যার প্রধান আসামি সোহেল
  • ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত
    ‘তুমি বদ্ধ উন্মাদ, সবাই এখন তোমাকে ঘৃণা করে’: লেবানন নিয়ে ফোনালাপে বিবি-র ওপর চটলেন ট্রাম্প
  • পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। ফাইল ছবি: বাসস
    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ
  • ছবি: টিবিএস
    ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান অপসারণসহ ‘গ্রাহক ফোরামের’ ৫ দাবি, লাগাতার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
  • ফাইল ছবি/রয়টার্স
    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বন্ধ করে দিল ইরান, হরমুজ প্রণালি ‘পুরোপুরি’ বন্ধের ঘোষণা

Related News

  • ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে নিরপেক্ষ ওমানকে চাপ দিচ্ছে ক্ষুব্ধ আমেরিকা
  • ‘তুমি বদ্ধ উন্মাদ, সবাই এখন তোমাকে ঘৃণা করে’: লেবানন নিয়ে ফোনালাপে বিবি-র ওপর চটলেন ট্রাম্প
  • ইরানের গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, মার্কিন বিমানঘাঁটিতে পাল্টা আক্রমণের দাবি আইআরজিসির
  • 'তারা এতে রাজি হয়েছে': ইরান পারমাণবিক শর্ত মেনে নিয়েছে বলে দাবি ট্রাম্পের
  • ইরানে আমাদের হামলা করা উচিত হয়নি: ট্রাম্প

Most Read

1
পটাশ-চিনি বার্ন: অনলাইনে প্রতারণার ফাঁদে পড়ে যেভাবে হাত হারাচ্ছে কিশোরী-যুবতীরা
ফিচার

পটাশ-চিনি বার্ন: অনলাইনে প্রতারণার ফাঁদে পড়ে যেভাবে হাত হারাচ্ছে কিশোরী-যুবতীরা

2
প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

আমি শুধু বাচ্চারে টুকরো করেছি, ধর্ষণ করেছে ডলার, মারছে ডলার: রামিসা হত্যার প্রধান আসামি সোহেল

3
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

‘তুমি বদ্ধ উন্মাদ, সবাই এখন তোমাকে ঘৃণা করে’: লেবানন নিয়ে ফোনালাপে বিবি-র ওপর চটলেন ট্রাম্প

4
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। ফাইল ছবি: বাসস
বাংলাদেশ

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ

5
ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান অপসারণসহ ‘গ্রাহক ফোরামের’ ৫ দাবি, লাগাতার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

6
ফাইল ছবি/রয়টার্স
বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বন্ধ করে দিল ইরান, হরমুজ প্রণালি ‘পুরোপুরি’ বন্ধের ঘোষণা

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net