Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
May 31, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, MAY 31, 2026
হরমুজ সংকটে পরিবেশগত প্রভাব: কেন সুইজারল্যান্ডের মতো দেশও তা এড়াতে পারে না

আন্তর্জাতিক

দ্য কনভারসেশন
20 April, 2026, 06:55 pm
Last modified: 20 April, 2026, 07:04 pm

Related News

  • হরমুজ প্রণালি থেকে টোল আদায়ে ইরানের সঙ্গে জোট বাঁধলে ওমানকে ‘উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি ট্রাম্পের
  • ইরান কি সারা বিশ্বের ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দিতে পারবে?
  • শান্তি চুক্তির ৩০ দিন পর হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে ইরান: নিক্কেইয়ের প্রতিবেদন
  • হরমুজ দিয়ে গোপনে প্রধান ক্রেতা দেশগুলোর কাছে এলএনজি পাঠাচ্ছে কাতার
  • হরমুজ, ইউরেনিয়াম, ইরানের জব্দ সম্পদ: ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে প্রস্তাবিত চুক্তিতে যা আছে

হরমুজ সংকটে পরিবেশগত প্রভাব: কেন সুইজারল্যান্ডের মতো দেশও তা এড়াতে পারে না

এমন এক বিশ্বে যেখানে জ্বালানি, খাদ্য, অর্থনীতি এমনকি বায়ুমণ্ডলও ঘনিষ্ঠভাবে আন্তঃসংযুক্ত, সেখানে দূরত্ব (এবং নিরপেক্ষতা) সুইজারল্যান্ড বা অন্য কোনো দেশকে সম্পূর্ণ সুরক্ষা দিতে পারে না।
দ্য কনভারসেশন
20 April, 2026, 06:55 pm
Last modified: 20 April, 2026, 07:04 pm

বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ায় দ্রুত গলে যাচ্ছে সুইস আল্পস পর্বতমালার হিমবাহগুলি। ছবি: দ্য কনভারসেশন

ভৌগোলিক দূরত্ব ঝুঁকি কমায়—এমন একটি ধারণা প্রায়ই দেখা যায়, যা দীর্ঘদিন ধরে স্থিতিশীল ও শক্তিশালী অর্থনীতির নিরপেক্ষ দেশগুলোর কাছে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় বলে মনে হয়।

সুইজারল্যান্ড এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ। ১৮১৫ সালে ভিয়েনা কংগ্রেসে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত দীর্ঘদিনের নিরপেক্ষতা এবং শক্তিশালী অর্থনীতির কারণে দেশটি ঐতিহাসিকভাবে বড় সংঘাতের বাইরে থাকতে পেরেছে। এতে এমন একটি ধারণা আরও জোরালো হয়েছে যে, দূরত্ব—স্থিতিশীলতা ও সম্পদ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

কিন্তু এমন এক বিশ্বে যেখানে জ্বালানি, খাদ্য, অর্থনীতি এমনকি বায়ুমণ্ডলও ঘনিষ্ঠভাবে আন্তঃসংযুক্ত, সেখানে দূরত্ব (এবং নিরপেক্ষতা) সুইজারল্যান্ড বা অন্য কোনো দেশকে সম্পূর্ণ সুরক্ষা দিতে পারে না।

এর উদাহরণ হিসেবে বলা যায় হরমুজ প্রণালির কথা। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। এটি ব্যাহত হলে তার প্রভাব স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং দীর্ঘতর নৌপথ, চাপে পড়া সরবরাহ শৃঙ্খল এবং পরিবর্তিত অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে এটা সরাসরি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বাইরেও পৌঁছে যায় এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত ক্ষতির কারণ হতে পারে।
যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব প্রভাব আকস্মিক ধাক্কার বদলে—সূক্ষ্ম পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন হিসেবে দৃশ্যমান হয়।

সুইজারল্যান্ড এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। দেশটি জ্বালানি রপ্তানিকারক নয়, কিংবা মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কোনো কৌশলগত পক্ষও নয়। তবুও এটি বৈশ্বিক বিভিন্ন ব্যবস্থার সংযোগস্থলে অবস্থান করছে—যেমন শিপিং ও পরিবহন রুট, ইউরোপীয় কৃষি, উচ্চমূল্যের উৎপাদন শিল্প এবং আন্তর্জাতিক আর্থিকখাতের।

নৌপরিবহন ও হিমবাহের গলন

বর্তমান পরিস্থিতির মতো যখন সামুদ্রিক রুট ব্যাহত হয়, তখন জাহাজ চলাচল থেমে যায় না; বরং তা অভিযোজিত হয়। তেলবাহী জাহাজগুলো দীর্ঘ পথ বেছে নেয় এবং ফলে তাদের জ্বালানিও বেশি খরচ করতে হয়। ফলে ব্ল্যাক কার্বনসহ সূক্ষ্ম কণার নির্গমন বাড়ে। এসব কণা দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। উচ্চভূমিতে এর প্রভাব আরও বেশি হয়। বরফ ও তুষারের ওপর জমা হলে ব্ল্যাক কার্বন সূর্যের আলো প্রতিফলিত করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, তাপ শোষণ বাড়ায় এবং গলন ত্বরান্বিত করে। সুইস আল্পসে, যেখানে হিমবাহ আগে থেকেই চাপের মুখে রয়েছে, সেখানে এর সামান্য বৃদ্ধিও গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে বৈশ্বিক শিপিং ব্যবস্থার একটি লজিস্টিক পরিবর্তন শেষ পর্যন্ত দূরবর্তী পার্বত্য অঞ্চলের ভৌত অবস্থায় পরিবর্তন আনতে পারে।

সুইজারল্যান্ডের শিল্প খাতও আরেকটি উদাহরণ। যখন কোম্পানিগুলো কাঁচামালের সীমিত সরবরাহ বা বেশি দামে তা কিনতে বাধ্য হয়, তখন তারা বিকল্প উৎপাদন পদ্ধতিতে যায়। যেমন ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে রাসায়নিক সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হলে কোম্পানিগুলো সরবরাহকারী পরিবর্তন বা উৎপাদনে ব্যবহৃত উপাদান বদলাতে বাধ্য হয়। অর্থনৈতিকভাবে এটি যৌক্তিক হলেও পরিবেশগতভাবে সবসময় নিরপেক্ষ নয়। বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ভিন্ন উপপণ্য তৈরি হয়, যা বর্জ্যে নতুন রাসায়নিক যুক্ত করে। এর ফল তৎক্ষণাৎ পরিবেশগত সংকট না হলেও—ধীরে ধীরে দূষণের প্রকৃতিতে পরিবর্তন আনতে পারে।

আরেকটি উদাহরণ বৈশ্বিক সার বাণিজ্য। ২০২৪ সালে ইরান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন মিলে বৈশ্বিক অ্যামোনিয়া বাণিজ্যের ২৩ শতাংশ, ইউরিয়ার ৩৪ শতাংশ এবং অ্যামোনিয়েটেড ফসফেটের ১৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করেছে—যা সার উৎপাদনের প্রধান উপাদান। এসব সরবরাহ ব্যাহত হলে শুধু দামই বাড়ে না; প্রাপ্যতাও কমে যায়, ফলে এটি বিশ্বজুড়ে কৃষি ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে বাধ্য করে।

সুইজারল্যান্ডসহ ইউরোপের কিছু অংশে এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ধরনের প্রভাব দেখা যেতে পারে। সার ব্যবহারে কমতি হলে জলাশয়ে পুষ্টি উপাদানের প্রবাহ কমে, রাইন নদীর মতো নদীব্যবস্থার ওপর দুশনের চাপ কমে। এমনকী এতে কিছু হ্রদের পরিবেশও উন্নত হতে পারে। অতিরিক্ত নাইট্রোজেনে ক্ষতিগ্রস্ত জলজ বাস্তুতন্ত্র কিছুটা স্বস্তিও পেতে পারে। তবে এর সঙ্গে আপসও রয়েছে। সুইস কৃষি উচ্চমাত্রার এসব সারের ওপর নির্ভরশীল, ফলে ব্যবহার কমলে ফলন কমতে পারে এবং ফসলের ধরন বদলাতে পারে। বিশেষ করে আল্পাইন তৃণভূমি তার সূক্ষ্ম পুষ্টি ভারসাম্যের জন্য নাইট্রোজেনের ওপর নির্ভরশীল। এতে পরিবর্তন এলে সেই ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। এই ঘটনায় দেখায়, স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রও কতটা বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের ওপর নির্ভরশীল।

বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের মাধ্যমেও পরিবেশগত পরিবর্তন প্রভাবিত হতে পারে। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার সময়ে পুঁজি সাধারণত আরও সতর্ক হয়ে ওঠে। তখন তারল্য, স্থিতিস্থাপকতা এবং স্বল্পমেয়াদি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের চেয়ে অগ্রাধিকার পায়।

অর্থনীতি ও অভিবাসন

সুইজারল্যান্ডের মতো আর্থিক কেন্দ্রগুলোর জন্য—যেখানে সুইস রি-এর মতো বৃহৎ পুনর্বীমা বা রি-ইন্সুরেন্স কোম্পানির অবস্থান—এই পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক মোট সম্পদের (নিজ দেশের বাইরে করা বিনিয়োগ) প্রায় ২৫ শতাংশই সুইজারল্যান্ডে ব্যবস্থাপিত হয়। অনিশ্চয়তা বাড়লে ঝুঁকি মডেল পুনর্মূল্যায়ন করা হয় এবং পুঁজি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়।

এর অনাকাঙ্ক্ষিত ফল হলো দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত বিনিয়োগ—যেমন বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রকল্প—স্থগিত বা কমিয়ে দেওয়া হতে পারে। পরিবেশগত স্থিতিশীলতা দীর্ঘমেয়াদি ধারাবাহিক বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভরশীল। তাই এমনকি সাময়িক বিঘ্নও এর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

বড় আকারের সংঘাত অভিবাসনের ধরণও বদলে দেয়, কখনও সেটা পরোক্ষভাবে। প্রধান গন্তব্য না হলেও ইউরোপের সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে অন্যান্য দেশগুলোতেও অভিবাসন বাড়তে পারে বা তাদের অভিবাসন নীতিমালা পরিবর্তিত হতে পারে। অথচ, সুইজারল্যান্ডের মতো ছোট দেশে জনসংখ্যা সামান্য বাড়লেও ভূমি ব্যবহারে চাপ পড়ে।

বসবাসের চাহিদা বাড়লে শহর বিস্তৃত হয়, অবকাঠামো গড়ে ওঠে এবং আগে অব্যবহৃত অঞ্চলগুলো ব্যবহার শুরু হয়। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সুইজারল্যান্ডে কৃষিজমি কমছে। দেশটি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় এক বর্গমিটার জমি হারাচ্ছে, যার প্রায় ৮০ শতাংশ বসতিতে রূপান্তরিত হচ্ছে এবং বাকি ২০ শতাংশ বনাঞ্চলে পরিণত হচ্ছে। এর পরিবেশগত প্রভাব ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হয়—সম্পদের ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চাপ বাড়ার মাধ্যমে। পৃথকভাবে এগুলো বড় পরিবর্তন মনে না হলেও সম্মিলিতভাবে একটি ধীরগতির বিস্তার তৈরি করে।

দূরবর্তী বা নিরপেক্ষ দেশগুলোর ওপর সংঘাতের প্রভাব সাধারণত সরাসরি নয়; বরং এমন সব ব্যবস্থার মাধ্যমে আসে, যা নীরবে কাজ করে এবং প্রায়ই জনসাধারণের দৃষ্টির বাইরে থাকে।

এ ক্ষেত্রে সুইজারল্যান্ড অনন্য নয়, বরং একটি স্পষ্ট উদাহরণ—যেখানে পরিবেশগত অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়, যেখানে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গভীরভাবে সংযুক্ত এবং ছোট পরিবর্তনও নির্ভুলভাবে ধরা পড়ে। নিরপেক্ষতা পররাষ্ট্রনীতিকে প্রভাবিত করতে পারে, কিন্তু তা পরিবেশগত বা অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে না। তাই বলাই যায়, একটি আন্তঃসংযুক্ত বিশ্বে ঝুঁকি সবার জন্যই সর্বজনীন।
 

Related Topics

টপ নিউজ

হরমুজ প্রণালি / সংকট / পরিবেশগত প্রভাব / সুইজারল্যান্ড

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কওমী ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতা হাফেজ নাসুরুল্লাহ মুয়াজ ফেসবুকে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনীর ফটোকার্ডে লাল ক্রসচিহ্ন দিয়ে পোস্ট দেন। ছবি: সংগৃহীত
    কওমি শিক্ষার্থীদের বাধায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্থগিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনী, সংস্কৃতিপ্রেমীদের ক্ষোভ
  • ইলাস্ট্রেশন: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল
    ‘অমরত্বের’ সন্ধানে পুতিন: চলছে ২৬ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প, করতে চান অঙ্গ ‘মেরামত’!
  • ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি। ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
    গ্রিন কার্ড পেতে অধিকাংশ অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে না: ডিএইচএস
  • ভিয়েতনামে ট্রাম্পের হোটেল ও গলফ মাঠ তৈরির প্রকল্প এলাকা। ছবি: এফটি
    ট্রাম্পের গলফ মাঠ তৈরির জন্য সমাধিক্ষেত্র সরাচ্ছে ভিয়েতনাম; কবর খুঁড়ে তোলা হচ্ছে দেহাবশেষ
  • নিহত রাম সিং ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী সুরজ্ঞান। ছবি: সংগৃহীত
    ৫ মাসের পরিকল্পনা, ছুরিকাঘাত, জ্বলন্ত গাড়ি: ভারতে যেভাবে পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা করল কিশোর
  • ১৬ মে ২০১৭ তারিখে দক্ষিণ ইসরায়েলের ওভদা সামরিক বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুনিপার ফ্যালকন’ সামরিক মহড়ার সময় উড্ডয়ন করছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান। ছবি: রয়টার্স।
    চীনা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে থাকতে পারে ইরান, বলছে সূত্র

Related News

  • হরমুজ প্রণালি থেকে টোল আদায়ে ইরানের সঙ্গে জোট বাঁধলে ওমানকে ‘উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি ট্রাম্পের
  • ইরান কি সারা বিশ্বের ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দিতে পারবে?
  • শান্তি চুক্তির ৩০ দিন পর হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে ইরান: নিক্কেইয়ের প্রতিবেদন
  • হরমুজ দিয়ে গোপনে প্রধান ক্রেতা দেশগুলোর কাছে এলএনজি পাঠাচ্ছে কাতার
  • হরমুজ, ইউরেনিয়াম, ইরানের জব্দ সম্পদ: ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে প্রস্তাবিত চুক্তিতে যা আছে

Most Read

1
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কওমী ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতা হাফেজ নাসুরুল্লাহ মুয়াজ ফেসবুকে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনীর ফটোকার্ডে লাল ক্রসচিহ্ন দিয়ে পোস্ট দেন। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

কওমি শিক্ষার্থীদের বাধায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্থগিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনী, সংস্কৃতিপ্রেমীদের ক্ষোভ

2
ইলাস্ট্রেশন: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল
আন্তর্জাতিক

‘অমরত্বের’ সন্ধানে পুতিন: চলছে ২৬ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প, করতে চান অঙ্গ ‘মেরামত’!

3
ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি। ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
আন্তর্জাতিক

গ্রিন কার্ড পেতে অধিকাংশ অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে না: ডিএইচএস

4
ভিয়েতনামে ট্রাম্পের হোটেল ও গলফ মাঠ তৈরির প্রকল্প এলাকা। ছবি: এফটি
আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের গলফ মাঠ তৈরির জন্য সমাধিক্ষেত্র সরাচ্ছে ভিয়েতনাম; কবর খুঁড়ে তোলা হচ্ছে দেহাবশেষ

5
নিহত রাম সিং ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী সুরজ্ঞান। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

৫ মাসের পরিকল্পনা, ছুরিকাঘাত, জ্বলন্ত গাড়ি: ভারতে যেভাবে পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা করল কিশোর

6
১৬ মে ২০১৭ তারিখে দক্ষিণ ইসরায়েলের ওভদা সামরিক বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুনিপার ফ্যালকন’ সামরিক মহড়ার সময় উড্ডয়ন করছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান। ছবি: রয়টার্স।
আন্তর্জাতিক

চীনা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে থাকতে পারে ইরান, বলছে সূত্র

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net