প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ঘিরে উসকানির ইঙ্গিত পাচ্ছি: রিজভী
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বক্তব্য ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে উসকানির ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম বিদেশ সফরে দুটি দেশে যাচ্ছেন। কিন্তু এই সফরকে কেন্দ্র করে দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের উসকানি এবং এক ধরনের নেতিবাচক পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরির প্রচেষ্টা চলছে। এটা কিন্তু খুবই ইঙ্গিতপূর্ণ।'
শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-এ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
'বাংলাদেশ আইসিটি শিল্প ২০৩০: চ্যালেঞ্জ, সুযোগ ও কৌশলগত সংস্কার' শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম (এনআইসিটিএফ)।
রিজভী বলেন, 'বিশ্বে আমাদের কোনো শত্রু নেই, আবার কেউ প্রভুও নেই, সবাই আমাদের বন্ধু—মরহুমা দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার একটি ঘোষিত নীতি। সেই নীতির ওপর ভিত্তি করেই বর্তমান সরকারপ্রধান তার কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ—সবকিছু ক্রমবর্ধমানভাবে বাড়িয়ে তোলার জন্য বিভিন্ন দেশে আমাদের কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে হবে। তারই অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী দুটি দেশ সফরে যাচ্ছেন।'
তিনি বলেন, 'বহুদিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকার এসেছে, মানুষের প্রত্যাশাও অনেক। জাতীয়তাবাদী শব্দের সঙ্গে মিশে আছে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র। অর্থাৎ দেশের স্বাধীনতা বিপন্ন হয় এমন কিছুই করবে না এই সরকার। আমাদের সার্বভৌমত্ব প্রতিদিন একটু একটু করে দুর্বল হয়, সে কাজ তো করবেই না। সুতরাং এই সরকারকে অনেক চক্রান্ত, অনেক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই এগোতে হবে।'
বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে রিজভী বলেন, 'বাজেটে সফটওয়্যার এবং আইটি খাতকে কেন্দ্র করে 'ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি' এবং 'ওয়ান ডিজিটাল, ওয়ান ওয়ালেট' নীতি নিয়েছে সরকার। এতে বলা হয়েছে, পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের মডেল থেকে নয়, বরং আমরা পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থাটাকেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির একটি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসব।'
সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি প্রকৌশলী রাফেল কবির, উপদেষ্টা ডা. মারুফ মল্লিক, অধ্যাপক শাহ জে মিয়া প্রমুখ।
