Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
June 05, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, JUNE 05, 2026
২০২৪-২৫ অর্থবছরে ফিরতে পারে কালো টাকার সাদা করার সুযোগ, এবার করহার মাত্র ১৫ শতাংশ

অর্থনীতি

রিয়াদ হোসেন
23 May, 2024, 09:25 am
Last modified: 23 May, 2024, 09:23 am

Related News

  • রড উৎপাদনে ভ্যাট বাড়তে পারে ১০ শতাংশ
  • প্রেডিক্টেবল কর ব্যবস্থা: করহার নির্ধারণ হতে পারে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য
  • জ্বালানি আমদানির চাপ কমাতে বৈদ্যুতিক যানে শুল্ক কমানোর চিন্তা সরকারের
  • প্রশাসন ক্যাডারের বিরোধিতায় কি ঝুলে যাচ্ছে এনবিআর ভাগ করা?
  • এনবিআর পুনর্গঠন: রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের দায়িত্ব, জনকাঠামো চূড়ান্ত অনুমোদন পাচ্ছে আজ

২০২৪-২৫ অর্থবছরে ফিরতে পারে কালো টাকার সাদা করার সুযোগ, এবার করহার মাত্র ১৫ শতাংশ

এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকার মাত্র ১০ শতাংশ কর পরিশোধ করে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়।
রিয়াদ হোসেন
23 May, 2024, 09:25 am
Last modified: 23 May, 2024, 09:23 am

ইনফোগ্রাফিক্স: টিবিএস

চার বছর বিরতির পর সাধারণ ক্ষমার আওতায় আগামী অর্থবছরে ফেরত আসতে পারে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার করার সুযোগ।

এ বিষয়ে অবহিত অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ১৫ শতাংশ কর পরিশোধ করে যে কেউ কালো টাকা টাকা সাদা করার সুযোগ পাবে—আগামী বাজেটে এমন বিধান যুক্ত করার কথা ভাবছে সরকার। একটি অ্যামনেস্টি বা সাধারণ ক্ষমাসহ এ সুযোগ দেওয়ার ফলে অর্থের উৎস সম্পর্কে সরকারের কোনো সংস্থা প্রশ্নও করবে না। 

এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকার মাত্র ১০ শতাংশ কর পরিশোধ করে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের  (এনবিআর) সূত্রগুলো জানায়, ওই অর্থবছরে প্রায় ১১ হাজার ৮৩৯ জন ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বৈধ করে—যা ছিল দেশের ইতিহাসে এক বছরে সর্বোচ্চ কালো টাকা সাদা করার ঘটনা। এসব বিনিয়োগ থেকে ২ হাজার ৬৪ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়েছিল এনবিআর।  

এর মধ্যে ৭ হাজার ৫৫ জন এনবিআরের অস্থায়ী বিধানের আওতায় ব্যাংকে জমা বা নগদ ১৬ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা বৈধ করেছেন। বাকি টাকা জমি, ফ্ল্যাট বা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হয়েছে।

বর্তমানে ব্যক্তি করদাতাদের সর্বোচ্চ করহার ২৫ শতাংশ, যা আগামী অর্থবছরে ৩০ শতাংশ করার পরিকল্পনা করছে এনবিআর। আর যদি সরকার সুযোগ দেয়, তাহলে মাত্র অর্ধেক কর দিয়ে অঘোষিত টাকা সাদা করার সুযোগ পেতে পারেন এ অর্থের মালিকরা। 

বর্তমান আয়কর আইন অনুযায়ী, যেকোন করদাতা সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ কর দিয়ে এরসঙ্গে ওই করের ১০ শতাংশ জরিমানা দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ পান। তবে এর বাইরে প্লট বা ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে এলাকাভেদে নির্দিষ্ট আয়তনের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত কর পরিশোধ করেও টাকা সাদা করার সুযোগ আছে। 

তবে এক্ষেত্রে সরকারের সংশ্লিষ্ট যেকোন সংস্থা চাইলে পরবর্তীতে ওই টাকার উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পারবে। অবশ্য তাতে খুব একটা অর্থ সাদা হচ্ছে না বা মূলধারার অর্থনীতিতে যুক্ত হচ্ছে না।

এ ছাড়া, অর্থনৈতিক অঞ্চল বা হাইটেক পার্কে মাত্র ১০ শতাংশ কর দিয়ে অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। এই বিনিয়োগে অ্যামনেস্টি পান বিনিয়োগকারীরা। 

২০২১-২২ অর্থবছরে মাত্র সাড়ে ৭ শতাংশ কর দিয়ে বিদেশ থেকে অঘোষিত অর্থ দেশে আনার সুযোগও দেওয়া হয়। 

সমালোচনা করেছেন অর্থনীতিবিদরা

সরকারের এ ধরনের উদ্যোগের সমালোচনা করেছেন অর্থনীতিবিদরা।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর টিবিএসকে বলেন, "এমন সুযোগ দেওয়া উচিত হবে না।"

তিনি বলেন, "আমাদের মত করদাতাদের ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ হারে কর দিতে হচ্ছে। আর যারা কর ফাঁকি দিল, কিংবা চুরি করা  অর্থ নিয়ে আসবে, তাদের যদি মাত্র ১৫ শতাংশ কর দিতে হয়, তাহলে সেটা আমাদের মত করদাতাদের ওপর অন্যায্য সিদ্ধান্ত হবে।"

"এমন সিদ্ধান্ত মানুষকে কর প্রদানে নিরুৎসাহিত করে" উল্লেখ করে তিনি বলেন, "হয়তো এমন কথা ছড়ানো হচ্ছে যে, এ সিদ্ধান্ত নিলে বিদেশ থেকে টাকা আসবে।"

বাংলাদেশের সুশীল সমাজের পক্ষ থেকেও কালো টাকা সাদা করার বিপক্ষে বরাবরই বলা হয়ে আসছে।

সেনা-সমর্থিত সরকারও এই সুযোগ দিয়েছিল

সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে, ২০০৭-০৮ ও ২০০৮-০৯ অর্থবছরে—সাদা করা হয় প্রায় ৯ হাজার ৬৮২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। তখনো পর্যন্ত এটাই ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ কালো টাকা সাদা করার ঘটনা। 

২০২০-২১ অর্থবছরে পুঁজিবাজার, আবাসন, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র ও নগদে টাকা জমার প্রায় সবগুলো খাতে বিনিয়োগে মাত্র ১০ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হয়।

এ ছাড়া, প্লট বা ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে এলাকাভেদে নির্দিষ্ট আয়তনের উপর ভিত্তি করে করের হার নির্ধারণ করে জমি ও ফ্ল্যাট ক্রয়ে অপ্রকাশিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়। তবে এই সুযোগ সবচেয়ে বেশি কাজে লাগানো হয়েছে জমাকৃত অর্থের ক্ষেত্রে।

চিকিৎসক, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ ওই সময়ে তাঁদের কালো টাকা সাদা করেছেন।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের প্রায় সবকটি সরকারই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু, তেমন উল্লেখযোগ্যভাবে সাড়া না পাওয়ায় এসব উদ্যোগের বেশিরভাগই ব্যর্থ হয়েছে। কারণ সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকে এসব অর্থের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন তোলার সুযোগ রাখা হয়েছিল। 

কালো টাকা সাদা করার সময় বা  এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরে কেউ যেন অর্থের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন না তুলতে পারে, এজন্য ২০২০ সালে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন করে এনবিআর। 

রাজস্ব বোর্ডের সূত্রগুলো জানায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪৫০ কোটি টাকার অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করা হয়, কিন্তু এরপরের আর কোনো তথ্য নেই।  

তবে এনবিআর জানায়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ৯ হাজার ৬৮২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা বৈধ করা হয়। আর ১৯৭২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ১৩ হাজার ৩৭২ কোটি কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। এ থেকে সরকারের মোট রাজস্ব আয় হয়েছে ১ হাজার ৪৫৪ কোটি টাকা।  

অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বড় পরিসরে এবং কম করহারের সুযোগ দেওয়ায় কালো টাকার মালিকদের উৎসাহিত করা হয়েছে। 

Related Topics

টপ নিউজ

কালো টাকা বৈধকরণ / বাজেট ২০২৪-২৫ / জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
    দেশে আনঅফিশিয়াল সাবস্ক্রিপশন বাজারের রমরমা ব্যবসা—কিন্তু কেন?
  • ছবি: টিবিএস
    ‘ওড়না বেঁধে ধর্ষণ, আলামত গোপনের জন্য মাথা কাটি’: আদালতে রামিসার ঘাতক সোহেলের জবানবন্দি
  • ছবি: সংগৃহীত
    বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান
  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
    ‘বাংলাদেশে কাকে খুন করিয়েছিলেন’ মন্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা
  • ১ ঘণ্টা কলম বিরতি পালনের নির্দেশনা নেই, সেবা না দিলে ব্যবস্থা: ইসলামী ব্যাংকের এমডি
    ১ ঘণ্টা কলম বিরতি পালনের নির্দেশনা নেই, সেবা না দিলে ব্যবস্থা: ইসলামী ব্যাংকের এমডি
  • ছবি: রয়টার্স
    ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় ইথিলিন সংকট, জাপানে খাবার টেবিল থেকে ‘হারিয়ে যেতে পারে’ কলা

Related News

  • রড উৎপাদনে ভ্যাট বাড়তে পারে ১০ শতাংশ
  • প্রেডিক্টেবল কর ব্যবস্থা: করহার নির্ধারণ হতে পারে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য
  • জ্বালানি আমদানির চাপ কমাতে বৈদ্যুতিক যানে শুল্ক কমানোর চিন্তা সরকারের
  • প্রশাসন ক্যাডারের বিরোধিতায় কি ঝুলে যাচ্ছে এনবিআর ভাগ করা?
  • এনবিআর পুনর্গঠন: রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের দায়িত্ব, জনকাঠামো চূড়ান্ত অনুমোদন পাচ্ছে আজ

Most Read

1
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
বাংলাদেশ

দেশে আনঅফিশিয়াল সাবস্ক্রিপশন বাজারের রমরমা ব্যবসা—কিন্তু কেন?

2
ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

‘ওড়না বেঁধে ধর্ষণ, আলামত গোপনের জন্য মাথা কাটি’: আদালতে রামিসার ঘাতক সোহেলের জবানবন্দি

3
ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

4
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

‘বাংলাদেশে কাকে খুন করিয়েছিলেন’ মন্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা

5
১ ঘণ্টা কলম বিরতি পালনের নির্দেশনা নেই, সেবা না দিলে ব্যবস্থা: ইসলামী ব্যাংকের এমডি
বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা কলম বিরতি পালনের নির্দেশনা নেই, সেবা না দিলে ব্যবস্থা: ইসলামী ব্যাংকের এমডি

6
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় ইথিলিন সংকট, জাপানে খাবার টেবিল থেকে ‘হারিয়ে যেতে পারে’ কলা

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net