ফখরুলসহ বিএনপির ৮ নেতাকর্মীর জামিন মঞ্জুর
পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া ও অন্তর্ঘাতমূলক তৎপরতা চালানোর অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় আত্মসমর্পণ করার পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের ৮ শীর্ষ নেতাকে জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা জামানতের বিনিময়ে মহানগর দায়রা জজ আদালত এ আদেশ দেন।
মির্জা ফখরুল ছাড়া বাকি সাত নেতা হলেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে মির্জা ফখরুলসহ অন্যরা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম শরাফুজ্জামান আনসারির আদালত শুনানি শেষে এই রায় দেন।
২০১৮ সালের ১ অক্টোবর পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া ও অন্তর্ঘাতমূলক তৎপরতা চালানোর অভিযোগে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করে পুলিশ।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছিল, এই নেতারা ৩০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মগবাজার রেলগেট এলাকায় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পুলিশের কাজে বাধা দিয়েছেন, পুলিশকে আক্রমণ করেছেন, যানবাহন ভাঙচুর ও ক্ষতিসাধন করেছেন এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন।
তাছাড়া ঘটনাস্থল থেকে বাঁশের লাঠি, পেট্রোল বোমা, বিস্ফোরিত ককটেলের অংশ এবং কাঁচ ও ইটের টুকরা উদ্ধার করা হয়েছে।
এ বছরের ১৮ এপ্রিল এই মামলায় আপিল বিভাগের রায় বিচারিক আদালতে পৌঁছুনোর দুই সপ্তাহের মধ্যে ১৬ নেতাকে আত্নসমর্পণ করতে বলা হয়।
তবে আত্মসমর্পণের পর তারা জামিনের আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট আইন ও তথ্য অনুসারে জামিনের জন্য তাদের প্রার্থনা বিবেচনা করতেও বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।
২১ আগস্ট আপিল বিভাগের রায়টি বিচারিক আদালতে পৌঁছায়। এরই ধারাবাহিকতায় তারা বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
জামিনপ্রাপ্ত আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এখন দেশের বাইরে রয়েছেন।
