Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
June 19, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, JUNE 19, 2026
মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ১৪ দফা চুক্তিতে যা যা আছে

আন্তর্জাতিক

বিবিসি
18 June, 2026, 10:40 am
Last modified: 18 June, 2026, 10:49 am

Related News

  • ইরান এখন চাইলেই যেকোনো সময় হরমুজ বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে: মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন
  • ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে সবাই হেরেছে
  • যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তহবিল, অর্ধেকের বেশি অর্থায়ন ইতোমধ্যেই নিশ্চিত
  • ইরান চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালি হবে ‘টোলমুক্ত’, বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্পের দাবি
  • সমঝোতা স্মারকের ‘প্রথম দৃশ্যমান ফল’: হরমুজ পার হলো ইরানি জাহাজ

মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ১৪ দফা চুক্তিতে যা যা আছে

১৪ দফার এই চুক্তিটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’।
বিবিসি
18 June, 2026, 10:40 am
Last modified: 18 June, 2026, 10:49 am

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি সই হয়েছে এবং তা কার্যকর হয়েছে। হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফ্রান্সের এভিয়াঁ-লে-ব্যাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিতে সই করেন। এই চুক্তির ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আবারও উন্মুক্ত হওয়ার পথ তৈরি হয়েছে।

১৪ দফার এই চুক্তিটি 'মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং' নামে পরিচিত। এতে বলা হয়েছে, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করবে না। একই সঙ্গে দেশটির 'পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের' জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল গঠনের প্রতিশ্রুতিও রয়েছে। তবে ওই তহবিলে অর্থ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা যুক্তরাষ্ট্রের নেই।

ট্রাম্প প্রশাসন এই চুক্তিটিকে 'পারফরম্যান্স-ভিত্তিক' বা কার্যক্রমের ওপর নির্ভরশীল হিসেবে বর্ণনা করেছে। এর অর্থ হলো, ইরান যদি চুক্তিতে দেওয়া তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো যথাযথভাবে পালন করে, তবেই তারা এর সুবিধাগুলো ভোগ করতে পারবে।

তবে, পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে এখনো অনেক প্রশ্নের উত্তর মেলেনি এবং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

প্রথম দফা: 'সব ফ্রন্টে' সংঘাতের অবসান

চুক্তির প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং তাদের মিত্ররা 'সব ফ্রন্টে' সামরিক অভিযান অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করবে। এর মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত।

হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ইরানের সঙ্গে হওয়া এই সমঝোতাকে নস্যাৎ করে দিতে পারে— যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিকোণ থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প এটি নিয়ে ক্রমেই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছিলেন।

অন্যদিকে তেহরানও বারবার বলে এসেছে, যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে তারা আশা করে।

লেবাননের টায়ার শহরের আব্বাসিয়ে এলাকায় ইসরায়েলি হামলার পর ধোঁয়া উঠছে। ৮ এপ্রিল ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

বুধবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকলে তা 'সমঝোতার লঙ্ঘন' হিসেবে বিবেচিত হবে এবং সে ক্ষেত্রে 'প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা' নেওয়া হবে।

চুক্তিতে আরও বলা হয়েছে, 'এখন থেকে' কোনো পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করবে না বা হুমকি দেবে না। পাশাপাশি লেবাননের 'ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব' নিশ্চিত করা হবে।

নথি অনুযায়ী, এই চূড়ান্ত চুক্তির মাধ্যমে চলমান সংঘাতের স্থায়ী 'অবসান' ঘটবে। তবে চুক্তির এই অংশে ইসরায়েল কী প্রতিক্রিয়া জানাবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

দ্বিতীয় দফা: একে অপরের 'অভ্যন্তরীণ বিষয়ে' হস্তক্ষেপ না করা

চুক্তির মূল দফাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের কাছে হুবহু পড়ে শোনান। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরস্পরের 'সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার' প্রতি সম্মান দেখাবে এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকবে।

চুক্তির এই ধারাটি ইরানের সরকারবিরোধী ও প্রবাসী গোষ্ঠীগুলোর কাছে নেতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। কারণ চলতি বছরের শুরুর দিকে যখন ইরানের বিভিন্ন শহরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল, তখন ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, তাদের জন্য 'সাহায্য আসছে'। 

তৃতীয় দফা: মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগসহ ৬০ দিনের সময়সীমা

চুক্তির তৃতীয় দফা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে আলোচনা সম্পন্ন করে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর অঙ্গীকার করেছে। তবে উভয় পক্ষের সম্মতিতে এই সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে।

দুই দেশের নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে 'মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং'-এ সই করার পর থেকেই ৬০ দিনের এই গণনা শুরু হয়েছে।

হোয়াইট হাউস বিবিসিকে জানিয়েছে, বুধবার রাতে ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে জি-৭ সম্মেলনের পর এক নৈশভোজে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান-সংক্রান্ত নথিতে সই করেন।

ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি, কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ১৬ জুন ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানও চুক্তিতে সই করেছেন।

এর আগে ট্রাম্প এবং ইরানের কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এ সপ্তাহের শেষ দিকে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় একটি আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হবে। তবে নতুন পরিস্থিতিতে সেই অনুষ্ঠান এখনো হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

চতুর্থ দফা: মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার

'মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং' সই হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে তার নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া শুরু করবে এবং ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত সব ধরনের 'প্রতিবন্ধকতা' অপসারণ করবে বলে চুক্তির চতুর্থ দফায় উল্লেখ করা হয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে এই অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হবে বলে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেবে। ইরান হরমুজ প্রণালিতে যতটা বাণিজ্যিক চলাচল স্বাভাবিক করবে, যুক্তরাষ্ট্রও ঠিক সেই অনুপাতে জাহাজ প্রবেশের সুযোগ দেবে।

চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের 'নিকটবর্তী এলাকা' থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহারে সম্মত হয়েছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের যে সামরিক অবস্থান ও সম্পদ ছিল, সেই অবস্থায় তারা ফিরে যাবে।

পঞ্চম দফা: হরমুজ প্রণালি

চুক্তিতে বলা হয়েছে, 'মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং' সই হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইরান তাদের 'সর্বোত্তম প্রচেষ্টা' ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেবে এবং এজন্য কোনো ধরনের ফি নেওয়া হবে না।

যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল।

নথিতে বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় কারিগরি ও সামরিক 'বাধা অপসারণ' এবং মাইন পরিষ্কারের কাজের কারণে কিছু প্রস্তুতির মধ্য দিয়েই জাহাজ চলাচল 'তাৎক্ষণিকভাবে' শুরু হবে।

ওমানের মুসান্দাম থেকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। ১৫ জুন ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

ব্রিফিংয়ে কর্মকর্তারা বারবার জোর দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজ থেকে কোনো ধরনের ট্রানজিট ফি নেওয়া হবে না।

দীর্ঘমেয়াদে, ইরান ও ওমানসহ উপসাগরীয় দেশগুলোকে সঙ্গে নিয়ে হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি 'বৃহত্তর' চুক্তি করার কথা নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা, ইরান নিজেদের অধিকার 'কঠোরভাবে' প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করবে। তবে উপসাগরীয় দেশগুলো এমন কোনো ভবিষ্যৎ মেনে নেবে না যেখানে কোনো ধরনের টোল ব্যবস্থা চালু থাকবে।

ষষ্ঠ দফা: ইরান পুনর্গঠনের জন্য অর্থ

চুক্তির ষষ্ঠ দফা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এবং আঞ্চলিক অংশীদাররা মিলে ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি 'চূড়ান্ত ও পারস্পরিকভাবে সম্মত পরিকল্পনা' তৈরি করবে।

চূড়ান্ত কাঠামোটি ৬০ দিনের মধ্যে নির্ধারণ করা হবে এবং সব ধরনের লাইসেন্স, অনুমোদন ও ছাড় যুক্তরাষ্ট্র দেবে। তবে এতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো আর্থিক অংশগ্রহণ থাকবে না।

একজন কর্মকর্তা উদাহরণ দিয়ে বলেন, ইরান যদি শর্ত মানে তাহলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশ যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতিতে ইরানে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করতে পারে।

ট্রাম্প প্রশাসন জোর দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সরাসরি কোনো অর্থ দেবে না—যা ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির তুলনায় ভিন্ন অবস্থান।

সপ্তম দফা: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আরোপিত সব অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে। এর মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা এবং যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা নিষেধাজ্ঞাও অন্তর্ভুক্ত।

তবে এর সময়সূচি এখনো স্পষ্ট নয়।

ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি বিলবোর্ডের পাশ দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। বিলবোর্ডটিতে হরমুজ প্রণালির গ্রাফিক চিত্রের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখমণ্ডল ও সেলাই করা ঠোঁটের একটি ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শিত হচ্ছে। ২ মে ২০২৬। ছবি: এপি

নথিতে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে সময় নির্ধারণ করা হবে। তবে দুই পক্ষই 'তাৎক্ষণিকভাবে' এই বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী আলোচনায় অগ্রসর হওয়ার অঙ্গীকার করেছে।

দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞার চাপে থাকা ইরানের অর্থনীতি এই সিদ্ধান্তে বড় ধরনের স্বস্তি পেতে পারে।

অষ্টম দফা: পারমাণবিক অস্ত্র নয়

ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা সংগ্রহ করবে না বলে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমানে ইরানের কাছে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে, তা নিয়েও দুই পক্ষ একমত হয়েছে।

তবে এই ব্যবস্থাপনার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি এখনো স্পষ্ট নয়। নথিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী আলোচনায় এটি 'পারস্পরিকভাবে নির্ধারণ' করা হবে। ন্যূনতমভাবে, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর তত্ত্বাবধানে এই উপাদান 'ডাউনব্লেন্ড' করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা একে 'ন্যূনতম মানদণ্ড' এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য 'বড় অর্জন' বলে উল্লেখ করেছেন।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার 'অপারেশন এপিক ফিউরি' শুরুর মূল উদ্দেশ্যের ৯৯ শতাংশই ছিল ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র থেকে বিরত রাখা।

যেহেতু এই চুক্তি 'কর্মদক্ষতাভিত্তিক', তাই নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়টি ইরানের এই অষ্টম দফা মানার ওপর নির্ভর করবে।

নবম ও দশম দফা: 'বর্তমান অবস্থা' বজায় রাখা

এই দুটি দফায় বলা হয়েছে, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আপাতত 'বর্তমান অবস্থা' বজায় থাকবে, যতক্ষণ না সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিষয়টি সমাধান হয়।

ওমানের মুসান্দাম প্রদেশের উপকূলের কাছে হরমুজ প্রণালিতে একটি জাহাজ। ১২ এপ্রিল ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

বাস্তবে এর অর্থ হলো, যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে না। পাশাপাশি তেল, পেট্রোলিয়াম পণ্য, ব্যাংকিং লেনদেন এবং পরিবহন খাতে বিভিন্ন ছাড় বা অনুমতি (ওয়েভার) দেওয়া অব্যাহত থাকবে।

একাদশ দফা: জব্দকৃত অর্থ

এই দফাটি আলোচনার অন্যতম বড় বাধা ছিল।

ইরান দীর্ঘদিন ধরে তার জব্দ করা সম্পদ ফেরত চেয়ে আসছিল, যা দেশটির জন্য একটি অর্থনৈতিক সহায়তা হিসেবে বিবেচিত।

নথিতে বলা হয়েছে, 'মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং' সই হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র সব জব্দ বা সীমিত করা অর্থ সম্পূর্ণভাবে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে এর পদ্ধতি পরবর্তী আলোচনায় নির্ধারণ করা হবে।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, কিছু জব্দকৃত সম্পদ ধাপে ধাপে ইরানকে ফেরত বা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে। এর উদ্দেশ্য হলো—ইরান যেন চুক্তির শর্তগুলো মানে।

তিনি আরও জানান, যদি ইরান চুক্তি অনুযায়ী কাজ শুরু করে, যেমন উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ব্যবস্থাপনা শুরু করে, তাহলে তারা সঙ্গে সঙ্গে কিছু সুবিধা পাবে।

দ্বাদশ থেকে চতুর্দশ দফা: পর্যবেক্ষণ ও চূড়ান্ত আলোচনা

চুক্তির শেষ কয়েকটি দফায় বাস্তবায়নের কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, চুক্তি বাস্তবায়ন ও ভবিষ্যৎ সমঝোতা মানা হচ্ছে কি না—তা পর্যবেক্ষণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি 'মেকানিজম' গঠন করবে। তবে এর বাস্তব রূপ কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার পরই দুই দেশ চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনা শুরু করবে।

সবশেষে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তি একটি বাধ্যতামূলক জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদিত হবে।

Related Topics

টপ নিউজ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি / মার্কিন অবরোধ / হরমুজ প্রণালি / পারমাণবিক অস্ত্র

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • সিটি গ্রুপকে রক্ষা: ২৬,৬০০ কোটি টাকা ঋণ পুনর্গঠনের উদ্যোগ ৩৬ ব্যাংকের
    সিটি গ্রুপকে রক্ষা: ২৬,৬০০ কোটি টাকা ঋণ পুনর্গঠনের উদ্যোগ ৩৬ ব্যাংকের
  • সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: বাসস
    ঢাকায় এক কোম্পানির মাধ্যমে চলবে রুটভিত্তিক বাস, থাকবে নির্দিষ্ট রং: পরিবহণমন্ত্রী
  • ছবি: রয়টার্স
    ইরান এখন চাইলেই যেকোনো সময় হরমুজ বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে: মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন
  • ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। ছবি: রয়টার্স
    মেসিকে ব্রাজিলের হয়ে খেলার জন্য সই করানোর কথা ভাবছি: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের রসিকতা
  • মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ১৪ দফা চুক্তিতে যা যা আছে
    মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ১৪ দফা চুক্তিতে যা যা আছে
  • ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-সেভেন (জি৭) সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
    অন্যদের থাকলে, ইরানেরও কিছু মিসাইল থাকা উচিত, নইলে ‘একটু অন্যায়’ হয়ে যায়: ট্রাম্প

Related News

  • ইরান এখন চাইলেই যেকোনো সময় হরমুজ বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে: মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন
  • ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে সবাই হেরেছে
  • যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তহবিল, অর্ধেকের বেশি অর্থায়ন ইতোমধ্যেই নিশ্চিত
  • ইরান চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালি হবে ‘টোলমুক্ত’, বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্পের দাবি
  • সমঝোতা স্মারকের ‘প্রথম দৃশ্যমান ফল’: হরমুজ পার হলো ইরানি জাহাজ

Most Read

1
সিটি গ্রুপকে রক্ষা: ২৬,৬০০ কোটি টাকা ঋণ পুনর্গঠনের উদ্যোগ ৩৬ ব্যাংকের
অর্থনীতি

সিটি গ্রুপকে রক্ষা: ২৬,৬০০ কোটি টাকা ঋণ পুনর্গঠনের উদ্যোগ ৩৬ ব্যাংকের

2
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: বাসস
বাংলাদেশ

ঢাকায় এক কোম্পানির মাধ্যমে চলবে রুটভিত্তিক বাস, থাকবে নির্দিষ্ট রং: পরিবহণমন্ত্রী

3
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ইরান এখন চাইলেই যেকোনো সময় হরমুজ বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে: মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন

4
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। ছবি: রয়টার্স
খেলা

মেসিকে ব্রাজিলের হয়ে খেলার জন্য সই করানোর কথা ভাবছি: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের রসিকতা

5
মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ১৪ দফা চুক্তিতে যা যা আছে
আন্তর্জাতিক

মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ১৪ দফা চুক্তিতে যা যা আছে

6
ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-সেভেন (জি৭) সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

অন্যদের থাকলে, ইরানেরও কিছু মিসাইল থাকা উচিত, নইলে ‘একটু অন্যায়’ হয়ে যায়: ট্রাম্প

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net