Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
June 05, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, JUNE 05, 2026
শি জিনপিং ধূমপান ছেড়েছেন, চীন এখনও পারেনি; বিশ্বের প্রায় অর্ধেক সিগারেট পোড়ে এ দেশেই

আন্তর্জাতিক

নিউইয়র্ক টাইমস
01 June, 2026, 11:15 am
Last modified: 01 June, 2026, 01:01 pm

Related News

  • সিলেটে ১,০০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ করবে চীন
  • রিজার্ভে বৈচিত্র্য আনতে স্বর্ণের মজুদ বাড়াচ্ছে চীন: ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল
  • চীনে এখন ১৫ বছরের কম বয়সি শিশুদের চেয়ে ৬৫-ঊর্ধ্ব প্রবীণদের সংখ্যা বেশি
  • নব্য-সামরিকবাদে’র অভিযোগ প্রত্যাখ্যান জাপানের, চীনের অস্ত্রসজ্জা নিয়ে পাল্টা অভিযোগ
  • যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় চীনকে ‘অস্ত্র তৈরির উপযোগী’ ইউরেনিয়াম পাঠাতে পারে ইরান

শি জিনপিং ধূমপান ছেড়েছেন, চীন এখনও পারেনি; বিশ্বের প্রায় অর্ধেক সিগারেট পোড়ে এ দেশেই

২০০৩ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে চীনে সিগারেটের ব্যবহার ৩৯ শতাংশ বেড়েছে। অথচ একই সময়ে বিশ্বের অন্যান্য অংশে তা কমেছে ২৬ শতাংশ।
নিউইয়র্ক টাইমস
01 June, 2026, 11:15 am
Last modified: 01 June, 2026, 01:01 pm

চীনে প্রকাশ্যে ধূমপান। ছবি: নিউইয়র্ক টাইমস

২০১২ সালের বসন্ত। বেইজিংয়ে বিল গেটসের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন চীনের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বৈঠক শেষে বের হওয়ার সময় কথা ওঠে ধূমপান নিয়ে। যে দেশে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক সিগারেট পোড়ে, সেখানকার ধূমপান পরিস্থিতিই ছিল আলোচনার বিষয়।

শি এক সময় নিজেই ধূমপায়ী ছিলেন। সে সময় চীনে গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান ড. রে ইপ স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, শি সেদিন বলেছিলেন, ধূমপান ছাড়ার পর তিনি অনেক বেশি সুস্থ বোধ করছেন। তামাক সেবনকে চীনের অন্যতম বড় সমস্যা বলেও উল্লেখ করেন পরের বছরই চীনের প্রেসিডেন্ট হওয়া শি। ড. ইপ বলেন, সেদিন তামাক নিয়ন্ত্রণে 'কিছু একটা করার' প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন তিনি।

এর কয়েকদিন পরেই একটি ধূমপান-বিরোধী অনুষ্ঠানে বিল গেটসের সঙ্গে দেখা যায় চীনা নেতার স্ত্রী ও বিখ্যাত গায়িকা পেং লিয়ুয়ানকে। দুজনের পরনেই ছিল লাল শার্ট। তাতে লেখা ছিল ধূমপানবিরোধী স্লোগান।

তারপর কেটে গেছে ১৪ বছর। শি জিনপিং এখন গত কয়েক দশকের মধ্যে চীনের সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা। কিন্তু তামাকের ব্যবহার কমানো বা দেশজুড়ে চার দেওয়ালের ভেতর ধূমপান নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে বেইজিংয়ের অগ্রগতি অত্যন্ত ধীর। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে সিগারেটের বিক্রি কমলেও চীন হেঁটেছে উল্টো পথে।

চীনা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের সাবেক কর্মকর্তাদের প্রতিষ্ঠিত এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার রিপোর্ট বলছে, ২০০৩ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে চীনে সিগারেটের ব্যবহার ৩৯ শতাংশ বেড়েছে। অথচ একই সময়ে বিশ্বের অন্যান্য অংশে তা কমেছে ২৬ শতাংশ। চীনে প্রতি বছর প্রায় ২.৪০ লাখ কোটি সিগারেট বিক্রি হয়, যা গোটা বিশ্বের মোট বিক্রির প্রায় অর্ধেক।

তরুণদের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা কমার কারণে গত ১৩ বছরে দেশটিতে ধূমপায়ীর হার আনুপাতিকভাবে কমেছে ঠিকই, কিন্তু সিগারেটের বিক্রি বেড়েছে পাল্লা দিয়ে। চীনে সিগারেটের দামও বেশ কম। এক প্যাকেট সিগারেটের গড় দাম ৩ ডলারের মতো, যা আমেরিকার তুলনায় প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।

শি জিনপিং। ছবি: রয়টার্স

সিগারেটের বিক্রি কমানোর ক্ষেত্রে এই ব্যর্থতার নেপথ্যে রয়েছে চীনের তামাক শিল্পের নিয়ন্ত্রক স্টেট টোব্যাকো মনোপলি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রভাব। পাশাপাশি দেশটির সবচেয়ে বড় সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল টোব্যাকো কর্পোরেশনও তাদেরই আওতাধীন।

২০২৫ সালে এই কোম্পানির মুনাফা ও কর রাজস্বের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৪৪ বিলিয়ন ডলার। এই বিপুল অর্থ চীনের জাতীয় সরকারি রাজস্বের প্রায় ৭ শতাংশ এবং দেশটির ঘোষিত প্রতিরক্ষা বাজেটের প্রায় সমান।

চীনের আর্থিক প্রবৃদ্ধির গতি এখন স্লথ। রিয়েল এস্টেট খাতে দীর্ঘ মন্দার জেরে স্থানীয় সরকারগুলোর জমি বিক্রি বাবদ আয়ও তলানিতে। এ পরিস্থিতিতে তামাক শিল্প থেকে আসা রাজস্ব আরও বেশি জরুরি হয়ে উঠেছে। এমনকি শি জিনপিংয়ের একাধিক কৌশলগত অগ্রাধিকার বাস্তবায়িত করতেও এই সংস্থার বিপুল মুনাফাকে কাজে লাগানো হয়েছে।

গত বছর চীনের আর্থিক ব্যবস্থাকে চাঙা করতে দেশের অন্যতম বৃহৎ একটি ব্যাংকে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ দিয়েছে তারা। পাশাপাশি ১০০ বিলিয়ন ডলারের জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর বিনিয়োগ তহবিলেরও অন্যতম বড় সহায়তাকারী এই সংস্থা।

এই বিপুল আর্থিক প্রতিপত্তি পরিণত হয়েছে রাজনৈতিক প্রভাবে। সংস্থাটির প্রধান প্রশাসক সরকারি উপমন্ত্রীর সমমর্যাদার। গত সাত বছরে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন সাতজন সাবেক শীর্ষ প্রশাসক।

২০২২ সালে এই সংস্থা ভেপ-এর উপরও নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করে। ভেপ বিক্রির স্থান নির্দিষ্ট করে দেওয়া থেকে শুরু করে ফ্লেভারড ভেপ নিষিদ্ধ করার মতো কড়া নিয়ম জারি করে তারা। অন্যান্য দেশের তুলনায় চীনে কিন্তু ভেপের ব্যবহার সিগারেটের চাহিদাকে কমাতে পারেনি। ২০০৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তামাক নিয়ন্ত্রণ চুক্তিতে বেইজিং সই করলেও, তার সবচেয়ে কঠোর বিধানগুলো কখনোই বাস্তবায়িত করেনি।

ছবি: নিউইয়র্ক টাইমস

২০১৭ সালের দিকে প্রশাসন সবচেয়ে বড় জয় পায়। ইনডোর ধূমপান নিষিদ্ধ করার দেশব্যাপী দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টাকে সে সময় তারা রুখে দেয়। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার দায়িত্ব ঠেলে দেওয়া হয় স্থানীয় সরকারগুলোর দিকে। সেই পর্যায়ে আইন প্রয়োগের ব্যবস্থা প্রায়ই দুর্বল।

বর্তমানে স্থানীয় ধূমপান-সংক্রান্ত অনেক নিয়মই কার্যত নখদন্তহীন। বিশেষত দেশটির অপেক্ষাকৃত অনুন্নত অঞ্চলগুলোতে পরোক্ষ ধূমপান থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। আমেরিকা বা অন্যান্য পশ্চিমা দেশের সিগারেটের প্যাকেটে যেখানে এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই এমন কড়া স্বাস্থ্য-সতর্কবার্তা দেওয়া থাকে, চীনে সেখানে পান্ডা বা 'গেট অব হেভেনলি পিস'-এর মতো জাতীয় প্রতীকের ছবির পাশে এক লাইনের নামমাত্র সতর্কবার্তা থাকে।

চীনা সিডিসি-র ২০২২ সালের এক গবেষণাপত্রে উপসংহারে বলা হয়, ধূমপান নিয়ন্ত্রণে দেশের এই ব্যর্থতার মূল কারণ হলো রাষ্ট্রায়ত্ত একচেটিয়া কারবারিদের হস্তক্ষেপ এবং তামাকের প্রতি সরকারের 'দ্ব্যর্থক মনোভাব'।

করোনা মহামারির পর স্টেট টোব্যাকো মনোপলি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের স্থানীয় শাখাগুলোর প্রভাব আরও বাড়ে। সে সময় গণহারে কোভিড পরীক্ষার বিপুল ব্যয়ের জেরে অনেক স্থানীয় সরকারই আর্থিক সংকটে পড়েছিল। সিগারেট উৎপাদন ও সেবনের ওপর বসানো কর স্থানীয় বাজেটের একটি বড় অংশ হওয়ায় তামাক সংস্থাগুলোর লবিং সেখানে খুব সহজেই কাজ করে।

বেইজিংয়ের ইউনিভার্সিটি অভ ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের অধ্যাপক ঝেং রং-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, চীনা উৎপাদনকারীদের প্রতিটি সিগারেট বিক্রি থেকে আসা আয়ের প্রায় অর্ধেকই যায় সরকারি কোষাগারে।

চীনা সিগারেটের প্যাকেট। ছবি: নিউইয়র্ক টাইমস

চীনের বৃহত্তম তামাক উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলোতে এই নির্ভরতা তীব্র। দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে ২০২৪ সালের শহরের বাজেটের অর্ধেকের বেশিই এসেছে তামাক কর থেকে। মধ্য চীনের হুনান প্রদেশের শহর চাংদে-তে ২০২২ সালে কর থেকে প্রাপ্ত আয়ের ২০ শতাংশই এসেছিল এই খাত থেকে।

এমনকি সামান্য ধূমপান-বিরোধী উদ্যোগকেও ব্যর্থ করে দিতে রীতিমতো লড়াই চালায় স্থানীয় তামাক ব্যুরোগুলো।

অনলাইনে প্রকাশিত সরকারি নথি অনুসারে, জিয়াংসি প্রদেশের জিনইয়ু শহরে নির্দিষ্ট কিছু জনবহুল এলাকাকে 'ধূমপানমুক্ত' করার প্রস্তাব দিয়েছিল স্থানীয় স্বাস্থ্য কমিশন।

সমস্ত ইনডোর পাবলিক স্পেসই ধূমপানমুক্ত করার সুপারিশ ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার। কিন্তু সেই প্রস্তাব থেকে রেস্তোরাঁ ও বারগুলোকে আগেই বাদ দেওয়া হয়েছিল। এরপর স্থানীয় তামাক ব্যুরো ধূমপানমুক্ত বিদ্যালয়ের আওতা আরও কমিয়ে নিয়ম কেবল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রেই কার্যকর করার কমানোর প্রস্তাব। অবশ্য প্রবল জনরোষের জেরে ব্যুরোর সেই চেষ্টা সফল হয়নি।

সরকারি উদ্যোগ থমকে যাওয়ায় তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে নারীরা নিজেদের উদ্যোগে প্রচার শুরু করেছেন। ২৩ বছর বয়সি ইনফ্লুয়েন্সার আলভা ঝাং একটি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউদিয়াও উইচ্যাট গ্রুপ তৈরি করেছেন। প্রকাশ্য স্থানে ধূমপায়ীদের মোকাবিলা করতে এবং কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাতে তিনি তার অনুসারীদের উৎসাহিত করছেন। 

আল্ভা বলেন, 'কিছু নিয়ম থাকলেও শাস্তির ব্যবস্থা প্রায় নেই বললেই চলে। তাই আমি এবং আরও অনেকেই প্রচণ্ড ক্ষোভ এবং অসহায়ত্ব অনুভব করেছি।'

এ ধরনের উদ্যোগে জনসমর্থন ক্রমেই বাড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদের প্রতি উদাসীন ধূমপায়ীদের ব্যঙ্গ করে একটি অনুষ্ঠান করার পর এক নারী কমেডিয়ান দেশজুড়ে নজর কাড়েন। স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোর প্রশংসাও কুড়ান। চীন সরকারের সমীক্ষায় শত শত মানুষ ধূমপান-সংক্রান্ত আরও কড়া নিয়মের পক্ষে মত দিয়েছেন।

ছবি: নিউইয়র্ক টাইমস

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমদিকে শি জিনপিং তামাক শিল্পকে চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত বলেই মনে হয়েছিল। ২০১৩ সালে তিনি ক্ষমতায় আসার পর কেন্দ্রীয় সরকার একটি নির্দেশিকা জারি করে। তাতে সরকারি কর্মসূচিতে বা প্রকাশ্য স্থানে কর্মকর্তাদের ধূমপানে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। নিয়ম মেনে চলার ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের 'দৃষ্টান্তমূলক আচরণ' দেখানোর আহ্বানও জানানো হয় তাতে।

গেটস ফাউন্ডেশনের সাবেক কর্মকর্তা ড. ইপ জানান, ওই নির্দেশিকা খুব সম্ভব সরাসরি শি-র কাছ থেকেই এসেছিল। এর ফলে বেইজিংয়ে ইনডোর ধূমপানে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কাজে গতি আসে। আর এই নিয়ম কার্যকরের ক্ষেত্রে চীনের অন্যতম প্রথম বড় শহর হয় রাজধানী বেইজিং।

দুই বছর পর, ২০১৫ সালে চীন তামাকের উপর কর বাড়ায়। ফলে সিগারেটের দাম ১০ শতাংশেরও বেশি বাড়ে।

কিন্তু প্রায় একই সময়ে দেশজুড়ে ইনডোরে ধূমপান নিষিদ্ধ করার প্রচেষ্টা জোর হারায়। সেবারই চীনের ফার্স্ট লেডি পেং-কে শেষবারের মতো প্রকাশ্যে ধূমপানবিরোধী উদ্যোগের সমর্থনে কথা বলতে দেখা গিয়েছিল। ধূমপান ছাড়তে মানুষকে সাহায্য করার গবেষণার মূল্যায়ন করতে সিয়াটলে বিল গেটসের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল তাকে।

চীনের ধূমপানবিরোধী আন্দোলনের এই পটপরিবর্তনের পেছনে একটি বিশেষ কারণকে দায়ী করেছেন ড. ইপ ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা। ২০১৫ সাল থেকে বিদেশি এনজিওগুলোর উপর কড়াকড়ি বাড়ায় চীন। অথচ ধূমপানবিরোধী প্রচারে অর্থায়নের অন্যতম বড় উৎস ছিল এই সংস্থাগুলোই।

স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ম্যাথিউ কোরম্যান চীনে ধূমপান নিয়ে গবেষণা করেন। তিনি জানান, দেশটির আর্থিক মন্দা সম্ভবত অনেক বেশি মানুষকে নিকোটিনের দিকে ঠেলে দিয়েছে। 'মুড' ঠিক করতে একে 'কার্যকরী দাওয়াই' হিসেবে দেখছেন তারা। এছাড়া ধূমপানের বিধিনিষেধ প্রয়োগে শিথিলতাও প্রকাশ্য স্থানে সিগারেট সেবনকে আরও সহজ করে তুলেছে।

মহামারির পর থেকে তামাকের ব্যবহার কমানোর চেয়ে রোগ নিয়ন্ত্রণের দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়েছে চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশন। কাগজে-কলমে চীনের লক্ষ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে ধূমপায়ীর হার বর্তমান ২৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশে নামিয়ে আনা।

২০২৪ সালে ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের কর্মকর্তা উ জিয়াংতিয়ান স্বীকার করেন, এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ অতনত কঠিন হতে চলেছে। 'সত্যি বলতে কী, চাপটা মারাত্মক,' বলেন তিনি।

Related Topics

টপ নিউজ

তামাক / ধূমপান / চীন / শি জিনপিং / চীনের ধূমপান / চীনে সিগারেট / সিগারেট / সিগারেট বিক্রি

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
    দেশে আনঅফিশিয়াল সাবস্ক্রিপশন বাজারের রমরমা ব্যবসা—কিন্তু কেন?
  • ছবি: টিবিএস
    ‘ওড়না বেঁধে ধর্ষণ, আলামত গোপনের জন্য মাথা কাটি’: আদালতে রামিসার ঘাতক সোহেলের জবানবন্দি
  • ছবি: সংগৃহীত
    বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান
  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
    ‘বাংলাদেশে কাকে খুন করিয়েছিলেন’ মন্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা
  • ১ ঘণ্টা কলম বিরতি পালনের নির্দেশনা নেই, সেবা না দিলে ব্যবস্থা: ইসলামী ব্যাংকের এমডি
    ১ ঘণ্টা কলম বিরতি পালনের নির্দেশনা নেই, সেবা না দিলে ব্যবস্থা: ইসলামী ব্যাংকের এমডি
  • ছবি: রয়টার্স
    ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় ইথিলিন সংকট, জাপানে খাবার টেবিল থেকে ‘হারিয়ে যেতে পারে’ কলা

Related News

  • সিলেটে ১,০০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ করবে চীন
  • রিজার্ভে বৈচিত্র্য আনতে স্বর্ণের মজুদ বাড়াচ্ছে চীন: ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল
  • চীনে এখন ১৫ বছরের কম বয়সি শিশুদের চেয়ে ৬৫-ঊর্ধ্ব প্রবীণদের সংখ্যা বেশি
  • নব্য-সামরিকবাদে’র অভিযোগ প্রত্যাখ্যান জাপানের, চীনের অস্ত্রসজ্জা নিয়ে পাল্টা অভিযোগ
  • যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় চীনকে ‘অস্ত্র তৈরির উপযোগী’ ইউরেনিয়াম পাঠাতে পারে ইরান

Most Read

1
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
বাংলাদেশ

দেশে আনঅফিশিয়াল সাবস্ক্রিপশন বাজারের রমরমা ব্যবসা—কিন্তু কেন?

2
ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

‘ওড়না বেঁধে ধর্ষণ, আলামত গোপনের জন্য মাথা কাটি’: আদালতে রামিসার ঘাতক সোহেলের জবানবন্দি

3
ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

4
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

‘বাংলাদেশে কাকে খুন করিয়েছিলেন’ মন্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা

5
১ ঘণ্টা কলম বিরতি পালনের নির্দেশনা নেই, সেবা না দিলে ব্যবস্থা: ইসলামী ব্যাংকের এমডি
বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা কলম বিরতি পালনের নির্দেশনা নেই, সেবা না দিলে ব্যবস্থা: ইসলামী ব্যাংকের এমডি

6
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় ইথিলিন সংকট, জাপানে খাবার টেবিল থেকে ‘হারিয়ে যেতে পারে’ কলা

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net