মধ্যপ্রাচ্যে নজরদারি বিমান, আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
চলমান সংঘাতের মধ্যে প্রতিরক্ষার জন্য মধ্যপ্রাচ্যে একটি সামরিক নজরদারি বিমান মোতায়েনের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ। তবে অস্ট্রেলিয়া ইরানে কোনো স্থলসেনা পাঠাবে না বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার আলবানিজ বলেন, অস্ট্রেলিয়ার এই সামরিক সহায়তা উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের উসকানিবিহীন হামলার বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করতে সহায়তা করবে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, অস্ট্রেলিয়া এই সংঘাতে কোনো পক্ষের হয়ে জড়াচ্ছে না।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, "আমাদের সম্পৃক্ততা সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক। এটি একদিকে যেমন ওই অঞ্চলে থাকা অস্ট্রেলীয়দের সুরক্ষার জন্য, তেমনি আমাদের বন্ধু সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষার জন্যও জরুরি।"
আলবানিজ জানান, উপসাগরীয় দেশগুলোর আকাশসীমা সুরক্ষায় প্রাথমিকভাবে চার সপ্তাহের জন্য বোয়িং নির্মিত ই–৭এ ওয়েজটেইল আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম–সজ্জিত একটি বিমান মোতায়েন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে ফোনালাপের পর সংযুক্ত আরব আমিরাতকে উন্নত মধ্যম-পাল্লার এয়ার-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে সংঘাত তীব্র হওয়ায় হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এই প্রণালি দিয়েই বিশ্বের প্রায় এক–পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবাহিত হয়।
১১ দিন আগে সংঘাত শুরুর সময় মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার অস্ট্রেলীয় নাগরিক অবস্থান করছিলেন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৬০০ জন বাণিজ্যিক ফ্লাইটে নিজ দেশে ফিরেছেন।
