Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Saturday
May 30, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SATURDAY, MAY 30, 2026
খবর এখন সংবাদপত্র ছাড়াই পাওয়া যায়, টিকে থাকতে কী বিক্রি করছেন হকাররা?

ফিচার

সালেহ শফিক
25 January, 2026, 02:30 pm
Last modified: 25 January, 2026, 02:34 pm

Related News

  • ঢাকায় কোনো হকার বা রিকশা নিবন্ধনের বাইরে থাকবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক  
  • হকারদের রাস্তা ও ফুটপাত বরাদ্দ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না: হাইকোর্টের রুল
  • ঈদে সংবাদপত্রে ছুটি ৫ দিন
  • পথচারী ও যান চলাচল নির্বিঘ্ন রেখেই হকার পুনর্বাসন করা হচ্ছে: ঢাকা দক্ষিণ সিটি প্রশাসক
  • উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

খবর এখন সংবাদপত্র ছাড়াই পাওয়া যায়, টিকে থাকতে কী বিক্রি করছেন হকাররা?

আজকে পত্রিকার সংখ্যা বেড়েছে, বিতরণ কেন্দ্রের সংখ্যাও বেড়েছে কিন্তু পাঠকের সংখ্যা পৌঁছেছে তলানিতে। নব্বইয়ের দশকের তুলনায় এখন পত্রিকা পাঠকের হার ২০ শতাংশের বেশি না।
সালেহ শফিক
25 January, 2026, 02:30 pm
Last modified: 25 January, 2026, 02:34 pm

পত্রিকার দোকান বলে পত্রিকা রাখতে হয়, নইলে কোনো কোনোদিন বউনিও হয় না। ছবি: সালেহ শফিক

শহরের ঘুম ভাঙার আগে সংবাদপত্র বিতরণ কেন্দ্রগুলোর ব্যস্ততা শুরু হয়। আশির দশকের ঢাকায় মাত্র ছয়টি কেন্দ্র ছিল। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হকাররা এসে কেন্দ্রগুলোতে জড়ো হতেন। তাদের হাতে সময় থাকত কম। দ্রুত পত্রিকা গুছিয়ে নিতে চাইতেন সবাই। গোছানো শেষ হলে নিজের নির্ধারিত এলাকার দিকে রওনা হতেন। 

স্থায়ী স্টল এখন মোটে ৩০টি

ঘুম থেকে উঠে পত্রিকা হাতে নেওয়া ছিল মধ্যবিত্তের অভ্যাস। বাদ যেত না উচ্চবিত্ত আর নিম্নবিত্তের লোকজনও। সেকালে এমনকি তরুণরাও ছিল পত্রিকাপ্রেমী। সার কথা পত্রিকা ছাড়া দিন শুরু হতো না অনেকের। আজকে পত্রিকার সংখ্যা বেড়েছে, বিতরণ কেন্দ্রের সংখ্যাও বেড়েছে কিন্তু পাঠকের সংখ্যা পৌঁছেছে তলানিতে। নব্বইয়ের দশকের তুলনায় এখন পত্রিকা পাঠকের হার ২০ ভাগের বেশি নয়। তাহলে কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করছেন পত্রিকার হকাররা? কেবল ঢাকাতেই যখন হকারের সংখ্যা চার থেকে পাঁচ হাজার। সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র বা স্থায়ী স্টলগুলো ঘুরে দেখলে চিত্রটি পরিষ্কার হয়।  

ঢাকা সংবাদপত্র হকার্স বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (হকার্স সমিতি নামে বেশি পরিচিত) এবং সংবাদপত্র হকার্স কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (কল্যাণ সমিতি নামে বেশি পরিচিত) নামের দুটি সংগঠন হকারদের নেতৃত্ব দিয়ে থাকে। এর মধ্যে হকার্স সমিতির বয়স বেশি এবং কল্যাণ সমিতি তুলনামূলক নতুন।

হকার্স সমিতির স্টোর ইনচার্জ জাকির হোসেন খান। দৈনিক বাংলা মোড়ের কার্যালয়ে দুপুরের পরেও ফেরতের হিসাব মিলাচ্ছিলেন। ঢাকা ও ঢাকার আশপাশের কিছু এলাকা মিলিয়ে তাদের ৫৫টি বিতরণকেন্দ্র। 

এরশাদ সরকারের আমলে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে প্রায় ১০০টি স্টল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। শহরের যাত্রী ছাউনির পাশে এগুলোর স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল। মেট্রোরেল গড়ার সময় কিছু ধ্বংস হয়েছে, কর্পোরেশনও কিছু ভেঙে দিয়েছে। এখন টিকে আছে ২৫ থেকে ৩০ টি। অবশ্য অফিস, ফ্ল্যাটবাড়ি, হোটেল বা হাসপাতালে ভোরবেলায় পত্রিকা বিলির পর হকাররাও কিছু পত্রিকা নিয়ে জনসমাগমস্থলে অস্থায়ী স্টল বসান, যার সংখ্যা হবে ৪০ থেকে ৫০টি। 

হকাররা পান শতকরা ৪০ ভাগ

প্রতিটি বিক্রি হওয়া পত্রিকা থেকে সমিতি পঞ্চাশ পয়সা থেকে ১ টাকা কমিশন লাভ করে, হকার পেয়ে থাকেন শতকরা ৪০ ভাগ। তবে সবক্ষেত্রে এই হার সমান হয় না। ঢাকার উল্লেখযোগ্য বিতরণ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে আছে মতিঝিল, তেজগাঁও, বাংলামটর, নিউ মার্কেট, আসাদগেট, ম হাখালী, বারিধারা, সাভার, সায়েদাবাদ, সদরঘাট, আগারগাঁও, উত্তরা, যাত্রাবাড়ি ইত্যাদি। বিতরণকেন্দ্রের সুপারভাইজার সাধারণত দুপুরের মধ্যে আগের দিনের অবিক্রিত পত্রিকা এবং বিক্রিত পত্রিকার হিসাব সমিতির কাছে বুঝিয়ে দেন।

দিনশেষে সে কাজটিই করছিলেন জাকির হোসেন। নব্বই দশের মাঝামাঝি সময়ে তিনি সংবাদপত্র বিতরণের কাজে যুক্ত হন।  লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে তাদের বাড়ি। তাঁর বড় ভাই বাড়ির কাছে একটি গ্রন্থাগার গড়ে তুলেছিলেন। জাতীয় দৈনিকগুলো তখন সদরের বাস স্ট্যান্ডে এনে জড়ো করা হতো, রামগঞ্জে পত্রিকা পৌছানোর হকার ছিল না। জাকিরের বড় ভাই তাই একজনকে নিয়োগ দিয়েছিলেন যিনি দৈনিক পঞ্চাশ টাকার বিনিময়ে গ্রন্থাগারে পত্রিকা পৌছে দিত। সাত-আটটি পত্রিকা রাখা হতো গ্রন্থাগারে। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত গ্রন্থাগার জমজমাট থাকত শুধু পত্রিকা পড়ার টানে। সেদিন এখন কোথায়?

মিরপুর এগারোর স্টলটিতে শীতের পোশাক বিক্রি হয়। ছবি: সালেহ শফিক

জাকির হোসেন বললেন, 'মোবাইল আসার পর থেকেই কমছিল পত্রিকার চাহিদা। করোনার পরে চাহিদা নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম পত্রিকা পড়ে না বললেই চলে। মুরুব্বি কিছু আছেন অভ্যাসবশত পত্রিকা পড়েন। একজন করে মুরুব্বি ইহলোক ত্যাগ করেন অর্থ হলো পত্রিকার পাঠক একজন করে কমে যায়।' 

 তিনি বিষয়টি বিস্তৃত করলেন এভাবে, 'এখন মোবাইল মারফত সব খবর সঙ্গে সঙ্গেই সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। সাংবাদিকও সবাই। টেলিভিশনেও খবর পাওয়া যায় দিনেরটা দিনেই। তাই পরের দিনের পত্রিকার জন্য অপেক্ষা করতে রাজি নয় কেউ। পরে করোনার সময় যখন গুজব রটল পত্রিকার মাধ্যমেও ভাইরাস ছড়ায় তখন গ্রাহকদের একটি বড় অংশ পত্রিকা পড়া ছেড়ে দিল। এখনো যারা পড়েন তারা মূলত অভ্যাসেই পড়েন। অফিসে রাখা হয় নিয়মের আওতায়, বাসায় রাখা হয় সময় কাটানোর উপকরণ হিসেবে, প্রয়োজনের তাগিদে পত্রিকা রাখার ব্যাপারটি সেভাবে আর নেই বললে চলে।' 

তবে অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছিল জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ রাখার দিনগুলোতে। লোকজন লাইন ধরে তখন পত্রিকা কিনেছে।  

এখন আলীরাজ ব্যাগ বিক্রি করেন 

শাহবাগের বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (পিজি হাসপাতাল নামে অধিক পরিচিত) নীচে দুটি অস্থায়ী বিক্রয়কেন্দ্রের কথা অনেকে মনে করতে পারবেন। এখন কেবল পপুলার ফার্মেসির সঙ্গের বিক্রয়কেন্দ্রটি চালু আছে। এর কাছের খোলা জায়গাটায় কবি ও কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আজাদকে অনেকে বয়স্কদের সঙ্গে গল্প করতে দেখে থাকবেন। এতে আগে কেবল পত্রিকা ও সাময়িকী বিক্রি হতো, অন্য কিছুর কথা তখন বুঝি বিক্রেতারও মনে আসেনি। কারণ পত্রিকা বিক্রি থেকে আয় ছিল অন্য অনেক কিছুর চেয়ে বেশি। আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে নব্বই দশকের সবটায় ইত্তেফাক, সংবাদ, অবজারভার, আজকের কাগজ, ভোরের কাগজ, জনকণ্ঠ, ইনকিলাব মতো পত্রিকার ছিল দারুণ চাহিদা। সাময়িকীর সংখ্যা ছিল শতাধিক। এর মধ্যে বিষয়ভিত্তিক সাময়িকী ছিল উল্লেখ করার মতো যেমন    রাজনৈতিক সাময়িকীর মধ্যে বিচিন্তা, আজকের সূর্যোদয়, খবরের কাগজ; বিনোদন সাময়িকী আনন্দ বিচিত্রা, আনন্দ ধারা, আনন্দ ভুবন, তারকালোক, তারকাজগত,  রূপালী, চিত্রালী, বর্ণালী; স্বাস্থ্য সাময়িকী আপনার স্বাস্থ্য, প্রেসক্রিপশন,  স্বাস্থ্যকথা; নারী বিষয়ক বেগম, অনন্যা; শুধু খেলা বিষয়ে ক্রীড়াজগত, ক্রীড়ালোক ইত্যাদি। এছাড়া অপরাধ বিষয়ক সাময়িকীও ছিল অনেক। আদর্শ নারী, আল বায়্যিনাত বা আত তাহরিকের মতো ধর্মবিষয়ক পত্রিকার বাজারও ছিল বড়, কম্পিউটার  বিষয়ক কম্পিউটার জগৎ, সি-নেট ইত্যাদিও অনেক বিক্রি হতো।  রাজনীতি, অর্থনীতি, সাজসজ্জা, জীবনধারা, খেলাধুলার সমন্বিত সাময়িকী 'বিচিত্রা' ইউনিয়ন পর্যায়েও গ্রাহক তৈরি করতে পেরেছিল। এ ধারার আরেক সাময়িকী যায়যায়দিনের কথাও ভুলবার নয়। এছাড়াও রোববার, পূর্ণিমা, পূর্বানী, সাপ্তাহিক ২০০০ ভালো বাজার তৈরি করেছিল। পূর্ণিমার বর্ষ শুরু সংখ্যার রাশিফলের জন্য পাঠক লাইন দিয়ে পত্রিকা কিনতেন।

শাহবাগের মোড় থেকে আজিজ মার্কেটের দিকে যাওয়া-আসার পথে শুধু পত্রিকা দেখেই অনেকের আধা ঘণ্টা সময় কেটে যেত। এখনো যেটি টিকে আছে তার বয়স ষাট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারী এর পরিচালক ছিলেন দীর্ঘকাল। পরে সহকারী আলীরাজের কাছে হস্তান্তর করেন। আলীরাজ পত্রিকা কিছু রাখেন বটে তবে তা পাশে স্তূপ করা থাকে আর কিছু থাকে ওপরে ঝোলানো। আলীরাজের মূল ব্যবসা এখন ব্যাগ, অফিস ফাইল, আদর্শলিপি ইত্যাদির। 

তিনি বললেন, 'কী যে দিন পার করেছি ভাই বললে বিশ্বাস করবেন না, পত্রিকা কেনার জন্য গাড়ির লাইন পড়ে যেত। পাঁচ-ছয় হাজার টাকা নিয়েও বাড়ি গেছি। আর এখন এমন অবস্থা যে ঘরে বাজার থাকে না। দেখার জন্যও কেউ পত্রিকার খোঁজ করে না, আগে দাঁড়িয়ে দেখলে বিরক্ত হয়ে যেতাম, এখন কেউ দাঁড়ালে খুশি হই।'

বিমানেও পত্রিকা রাখা হতো

শাহবাগ পার হয়ে গেলাম পরীবাগ। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের উল্টোদিকে সাকুরা বারের নীচে একটা স্থায়ী স্টল আছে। সেখানে বিস্কুট, পানীয় ইত্যাদি বিক্রয় হয়। স্টল কর্মী জসীম মোল্লা দীর্ঘদিন হাবিবুল্লাহ রোড ও পরীবাগের ফ্ল্যাটবাড়িগুলোতে পত্রিকা বিলি করেছেন। আগে ৩০০টি পত্রিকা বিলি করতেন যা এখন ৩০টিতে এসে দাঁড়িয়েছে। পাঁচ তারকা হোটেল এবং ইস্কাটনের মতো অভিজাত এলাকা কাছে হওয়ায় স্টলটিতে টাইম, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের মতো বিশ্বখ্যাত সাময়িকীও রাখা হতো। 

দেশ বিদেশের এয়ারলাইন্সগুলোও আগে জাতীয় দৈনিক ও সাপ্তাহিকের গ্রাহক ছিল। স্টোর ইনচার্জ জাকির হোসেন এই প্রসঙ্গ তুলে বললেন, হকার সমিতির বিএফসিসি (বিমান ফ্লাইট কেটারিং সেন্টার) থেকে পত্র-পত্রিকা সরবরাহ করা হতো। সূর্য ওঠার আগেই সমিতির চার-পাঁচজন কর্মী সেন্টারে পৌঁছে যেত, তারপর সকাল ১০টা পর্যন্ত টানা কাজ করত। 

সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্ত্র, মিরপুর এগারো। ছবি: সালেহ শফিক

হকাররা অনন্য সব ঘটনার সাক্ষী, একেকজন চলমান সংবাদপত্র। এরশাদের পতন, উপসাগরীয় যুদ্ধ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন, একানব্বইয়ের নির্বাচন, সালমান শাহের মৃত্যু, টুইন টাওয়ার হামলা, এরশাদ শিকদারের ফাঁসি, ফুটবলার মোনেম মুন্নার মৃত্যু, নায়ক মান্নার অকাল প্রয়াণ, মাইনাস টু ফর্মুলা ইত্যাদি অনেক ঘটনা তাদের স্মৃতিতে জীবন্ত। এসব ঘটনায় পত্রিকা বিক্রি হয়েছে অগুনিত। ঘণ্টা, দুই ঘণ্টায় টেলিগ্রাম বের হয়েছে, বাসে বাসে হেডলাইন বলে বলে সেগুলো বিক্রি করেছেন হকাররা। ২০১২-২০১৩ সালেও দুই টাকা বা পাঁচ টাকার পত্রিকা বাসে বসে পড়তে দেখা যেত অনেককে। 

সমাজে সম্মানও ছিল

'আজ সেসব দিন শুধুই স্মৃতি। আমার স্টলের পিছনের এই ভবনে (বিসিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স) ৪১টি পত্রিকা দিতাম, এখন দিই ৭টি। একসময় রহস্য পত্রিকা বিক্রি করতাম দেড়-দুইশ কপি, সানন্দা আসার আগে থেকেই বুকিং পেতাম। এখন তো কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সও আগের মতো চলে না। হাত মোজা, পা মোজা, মাংকি ক্যাপ, মাফলার, পেন্সিল, কলম, খাতা বিক্রি করে পেট চালাতে হচ্ছে। কোনো কোনো দিন একটি পত্রিকাও বেচা হয় না। তবু পত্রিকা রাখতে হয় যেহেতু এটি পত্রিকার দোকান। 'আসলে তো দু চারটি যা রাখি সবই লোকসান', বলছিলেন মিরপুর এগারোর সংবাদপত্র বিক্রয়কেন্দ্রের মালিক সৈয়দ আবু নাসের। তার বাবা এই স্টলটি পরিচালনা করতেন। বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লে ডিগ্রি পরীক্ষা না দিয়েই ঢাকা চলে আসেন। লক্ষ্মীপুরে তাদের বাড়ি, মামা ছিলেন সমিতির নেতা। নব্বইয়ের শেষদিকে ব্যবসার হাল ধরে তিনি পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতেই জীবন-যাপন করছিলেন। করোনা আসার আগে পর্যন্ত চলছিল একরকম। তার পরের দিনগুলো অনিশ্চয়তায় পার করছেন। কখনো স্টেশনারি, কখনো গরম কাপড়, কখনো বা খাবার বিক্রি করে দিন পার করছেন। 

হকার্স সমিতির স্টোর ইনচার্জ জাকির হোসেন বললেন, 'আমাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। যখন সুদিন ছিল তখন আমরা শুধু ব্যবসাই করিনি, খবরের জোগানদাতা হিসেবে সমাজে সম্মানও ছিল। আমাদের কর্মবিরতিতে দেশে হাহাকার তৈরি হতো। আজ সব নীরব, আগামীতে কীভাবে চলব তা নিয়েই আমরা বেশি উদ্বিগ্ন থাকি।'     

Related Topics

টপ নিউজ

সংবাদপত্র / বিতরণ কেন্দ্র / হকার / সংবাদপত্র পাঠক / দোকান / খাবারের দোকান / কাপড়ের দোকান / ঢাকা সংবাদপত্র হকার্স বহুমুখী সমবায় সমিতি লি.

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেল স্টেশনে ডেমু ট্রেন। ছবি: বিপুল সরকার সানি/টিবিএস
    অচল পড়ে থাকা ডেমু ট্রেন সচলের নতুন উদ্যোগ সরকারের
  • ছবি: টিবিএস
    সাভারে ট্যানারি শিল্প স্থানান্তর প্রক্রিয়াটি ছিল ‘ক্লাসিক কেইস অব মিসম্যানেজমেন্ট’: শিল্পমন্ত্রী
  • ছবি: সংগৃহীত
    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনী বন্ধে ফেসবুকে প্রচারণা, অনুমতি নেই বলছে স্কুল কর্তৃপক্ষ
  • কনটেন্ট ব্লকিং ও ফিল্টারিং সম্প্রসারণে এনটিএমসির জন্য ৯৫ কোটি টাকার সরঞ্জাম কিনছে সরকার
    কনটেন্ট ব্লকিং ও ফিল্টারিং সম্প্রসারণে এনটিএমসির জন্য ৯৫ কোটি টাকার সরঞ্জাম কিনছে সরকার
  • ছবি: বাসস
    সিটি করপোরেশনের ২ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • ভিয়েতনামে ট্রাম্পের হোটেল ও গলফ মাঠ তৈরির প্রকল্প এলাকা। ছবি: এফটি
    ট্রাম্পের গলফ মাঠ তৈরির জন্য সমাধিক্ষেত্র সরাচ্ছে ভিয়েতনাম; কবর খুঁড়ে তোলা হচ্ছে দেহাবশেষ

Related News

  • ঢাকায় কোনো হকার বা রিকশা নিবন্ধনের বাইরে থাকবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক  
  • হকারদের রাস্তা ও ফুটপাত বরাদ্দ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না: হাইকোর্টের রুল
  • ঈদে সংবাদপত্রে ছুটি ৫ দিন
  • পথচারী ও যান চলাচল নির্বিঘ্ন রেখেই হকার পুনর্বাসন করা হচ্ছে: ঢাকা দক্ষিণ সিটি প্রশাসক
  • উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

Most Read

1
দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেল স্টেশনে ডেমু ট্রেন। ছবি: বিপুল সরকার সানি/টিবিএস
বাংলাদেশ

অচল পড়ে থাকা ডেমু ট্রেন সচলের নতুন উদ্যোগ সরকারের

2
ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

সাভারে ট্যানারি শিল্প স্থানান্তর প্রক্রিয়াটি ছিল ‘ক্লাসিক কেইস অব মিসম্যানেজমেন্ট’: শিল্পমন্ত্রী

3
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনী বন্ধে ফেসবুকে প্রচারণা, অনুমতি নেই বলছে স্কুল কর্তৃপক্ষ

4
কনটেন্ট ব্লকিং ও ফিল্টারিং সম্প্রসারণে এনটিএমসির জন্য ৯৫ কোটি টাকার সরঞ্জাম কিনছে সরকার
বাংলাদেশ

কনটেন্ট ব্লকিং ও ফিল্টারিং সম্প্রসারণে এনটিএমসির জন্য ৯৫ কোটি টাকার সরঞ্জাম কিনছে সরকার

5
ছবি: বাসস
বাংলাদেশ

সিটি করপোরেশনের ২ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

6
ভিয়েতনামে ট্রাম্পের হোটেল ও গলফ মাঠ তৈরির প্রকল্প এলাকা। ছবি: এফটি
আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের গলফ মাঠ তৈরির জন্য সমাধিক্ষেত্র সরাচ্ছে ভিয়েতনাম; কবর খুঁড়ে তোলা হচ্ছে দেহাবশেষ

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net