Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
May 31, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, MAY 31, 2026
ক্রাইসিস গ্রুপের প্রতিবেদন: আরাকান আর্মির সঙ্গে যুদ্ধে কক্সবাজার আশ্রয়শিবিরের রোহিঙ্গারা

বাংলাদেশ

টিবিএস রিপোর্ট
18 June, 2025, 10:15 am
Last modified: 18 June, 2025, 10:20 am

Related News

  • অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে আটকদের জন্য পশ্চিমবঙ্গের সব জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপনের নির্দেশ
  • আরাকান আর্মির হাতে জিম্মি ১৪ জেলেকে ফেরত আনল বিজিবি
  • দেশে বর্তমানে ১১.৮৯ লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী    
  • ইরান যুদ্ধে অসহযোগিতা: স্পেনকে ন্যাটো থেকে বের করে দেওয়ার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
  • ইরানের ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ও ৬০ শতাংশ লঞ্চার এখনও অক্ষত

ক্রাইসিস গ্রুপের প্রতিবেদন: আরাকান আর্মির সঙ্গে যুদ্ধে কক্সবাজার আশ্রয়শিবিরের রোহিঙ্গারা

এই তথ্য উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার: রোহিঙ্গা বিদ্রোহের ঝুঁকি’ শীর্ষক এশিয়া প্রতিবেদনে। এটি আজ বুধবার (১৮ জুন) সকালে প্রকাশিত হওয়ার কথা।
টিবিএস রিপোর্ট
18 June, 2025, 10:15 am
Last modified: 18 June, 2025, 10:20 am
কক্সবাজারের উখিয়ায় অবস্থিত রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির। ফাইল ছবি: এমএসএফ

রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো কক্সবাজারের আশ্রয়শিবির থেকে সদস্য সংগ্রহ করছে আরাকান আর্মির সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য। কিন্তু এই বিদ্রোহ সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। এতে মিয়ানমারে সাম্প্রদায়িক সম্পর্ক আরও খারাপ হবে এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে পড়বে। তাই বাংলাদেশের উচিত সীমান্তে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্য ও ত্রাণ সহায়তা বাড়ানো এবং শিবিরে এসব গোষ্ঠীর প্রভাব কমানো।

এই তথ্য উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের 'বাংলাদেশ-মিয়ানমার: রোহিঙ্গা বিদ্রোহের ঝুঁকি' শীর্ষক এশিয়া প্রতিবেদনে। এটি আজ বুধবার (১৮ জুন) সকালে প্রকাশিত হওয়ার কথা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাখাইনে সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে আরাকান আর্মির অগ্রগতির পর রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সক্রিয় হয়েছে। কক্সবাজারের শিবিরে বহু বছর ধরে সহিংস দ্বন্দ্বে জড়িত থাকা এসব গোষ্ঠী গত নভেম্বরে আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে একযোগে লড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর শিবিরে সহিংসতা কমে এলেও সদস্য সংগ্রহ বেড়েছে। কারণ, আরাকান আর্মি রাখাইনের বৌদ্ধ জনগণের সমর্থন পায়, তাই রোহিঙ্গাদের ধর্মীয় আহ্বানের মাধ্যমে সংঘাতে নামানো হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের পুরো সীমান্ত বর্তমানে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ তাদের সঙ্গে পরীক্ষামূলক আলোচনা শুরু করেছে। তবে রোহিঙ্গা গোষ্ঠীগুলোর হামলা এই আলোচনা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। একই সঙ্গে তা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাবিরোধী মনোভাব উসকে দেবে এবং প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

২০২৪ সালের শুরুর দিকে যখন আরাকান আর্মি উত্তর রাখাইনে অগ্রসর হয়, তখন সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের নিজেদের পক্ষে লড়াইয়ে নামাতে চায়। তারা রোহিঙ্গা পুরুষদের জোর করে মিলিশিয়ায় নেয়, সম্প্রদায় নেতাদের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবক সংগ্রহ করে এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সমঝোতায় যায়।

এই গোষ্ঠীগুলো আগে রোহিঙ্গাদের পক্ষে সেনাবাহিনীর বিরোধিতা করত। আরাকান আর্মির অগ্রযাত্রা রোধে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার সাময়িক ফল দিলেও সেনাবাহিনী পুরোপুরি সফল হয়নি। অনেক রোহিঙ্গা সেনাবাহিনীর সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলেও আরাকান আর্মির বক্তব্য ও নির্যাতনের অভিযোগ তাদের একটি অংশকে প্রভাবিত করে।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে মংডু শহর দখলের আগে রোহিঙ্গা গোষ্ঠীগুলো অবস্থান পাল্টায়। নভেম্বরে তারা 'সহাবস্থান' সমঝোতা করে এবং ডিসেম্বরেই শিবিরে 'ঐক্য সমাবেশ' ডেকে রোহিঙ্গাদের লড়াইয়ে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানায়। এই লড়াইকে তারা ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে 'জিহাদ' হিসেবে উপস্থাপন করে।

অতীতে সহিংস কৌশলের কারণে বেশিরভাগ রোহিঙ্গা এই গোষ্ঠীগুলোর প্রতি নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করত। কিন্তু আরাকান আর্মির বিরোধিতা এবং প্রত্যাবাসন অনিশ্চয়তায় এখন শিবিরগুলো সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য সংগ্রহের জন্য উর্বর মাটিতে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশি নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বহু বছর ধরে রোহিঙ্গা ও আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে। তারা রোহিঙ্গা গোষ্ঠীগুলোর 'ঐক্য' প্রচেষ্টায় সমর্থন দিলেও বলছে, তাদের উদ্দেশ্য শিবিরে সহিংসতা কমানো। তবে মনে হচ্ছে, তারা রোহিঙ্গা গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে আরাকান আর্মিকে প্রত্যাবাসনে চাপ দিতে চায়। এসব গোষ্ঠীকে তারা অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। তবে এই সম্পৃক্ততা আরাকান আর্মির সঙ্গে সরকারের চলমান আলোচনায় ঝুঁকি তৈরি করছে। আরাকান আর্মি বর্তমানে সেইসব এলাকাই নিয়ন্ত্রণ করছে, যেখান থেকে ২০১৭ সালে রোহিঙ্গারা পালিয়ে এসেছিল।

রোহিঙ্গা গোষ্ঠীর হামলায় জনমত আরাকান আর্মির বিপক্ষে গেলে নাগরিকত্ব ও অন্যান্য অধিকার অর্জনের পথ আরও কঠিন হয়ে পড়বে। জান্তা-বিরোধী শক্তি হিসেবে আরাকান আর্মি জনপ্রিয়তা পেয়েছে। রোহিঙ্গারা তাদের বিরোধিতা করলে জনগণের সহানুভূতি হারাতে পারে, নিপীড়নের ঝুঁকি বাড়বে এবং নাগরিকত্ব আইনের সংস্কার বাধাগ্রস্ত হবে।

ক্রাইসিস গ্রুপের মতে, বাংলাদেশের উচিত আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো, রাখাইনে বাণিজ্য ও সহায়তা জোরদার করা এবং শিবিরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রভাব কমানো। এতে সীমান্তে স্থিতিশীলতা আসবে এবং রোহিঙ্গা নাগরিক সমাজ গড়ে উঠবে। আরাকান আর্মির উচিত রোহিঙ্গাদের আস্থায় আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এবং প্রমাণ করা যে তারা সবাইকে নিয়ে শাসন চালাতে সক্ষম। যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র তাদের বৈদেশিক সহায়তা কমাচ্ছে, তাই আন্তর্জাতিক দাতাদের উচিত বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শিবিরে সহায়তা আরও বাড়ানো।

Related Topics

টপ নিউজ

রোহিঙ্গা / আরাকান আর্মি / রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী / মিয়ানমার / আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপ / প্রতিবেদন

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেল স্টেশনে ডেমু ট্রেন। ছবি: বিপুল সরকার সানি/টিবিএস
    অচল পড়ে থাকা ডেমু ট্রেন সচলের নতুন উদ্যোগ সরকারের
  • ছবি: টিবিএস
    সাভারে ট্যানারি শিল্প স্থানান্তর প্রক্রিয়াটি ছিল ‘ক্লাসিক কেইস অব মিসম্যানেজমেন্ট’: শিল্পমন্ত্রী
  • ছবি: সংগৃহীত
    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনী বন্ধে ফেসবুকে প্রচারণা, অনুমতি নেই বলছে স্কুল কর্তৃপক্ষ
  • কনটেন্ট ব্লকিং ও ফিল্টারিং সম্প্রসারণে এনটিএমসির জন্য ৯৫ কোটি টাকার সরঞ্জাম কিনছে সরকার
    কনটেন্ট ব্লকিং ও ফিল্টারিং সম্প্রসারণে এনটিএমসির জন্য ৯৫ কোটি টাকার সরঞ্জাম কিনছে সরকার
  • ছবি: বাসস
    সিটি করপোরেশনের ২ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • ভিয়েতনামে ট্রাম্পের হোটেল ও গলফ মাঠ তৈরির প্রকল্প এলাকা। ছবি: এফটি
    ট্রাম্পের গলফ মাঠ তৈরির জন্য সমাধিক্ষেত্র সরাচ্ছে ভিয়েতনাম; কবর খুঁড়ে তোলা হচ্ছে দেহাবশেষ

Related News

  • অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে আটকদের জন্য পশ্চিমবঙ্গের সব জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপনের নির্দেশ
  • আরাকান আর্মির হাতে জিম্মি ১৪ জেলেকে ফেরত আনল বিজিবি
  • দেশে বর্তমানে ১১.৮৯ লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী    
  • ইরান যুদ্ধে অসহযোগিতা: স্পেনকে ন্যাটো থেকে বের করে দেওয়ার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
  • ইরানের ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ও ৬০ শতাংশ লঞ্চার এখনও অক্ষত

Most Read

1
দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেল স্টেশনে ডেমু ট্রেন। ছবি: বিপুল সরকার সানি/টিবিএস
বাংলাদেশ

অচল পড়ে থাকা ডেমু ট্রেন সচলের নতুন উদ্যোগ সরকারের

2
ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

সাভারে ট্যানারি শিল্প স্থানান্তর প্রক্রিয়াটি ছিল ‘ক্লাসিক কেইস অব মিসম্যানেজমেন্ট’: শিল্পমন্ত্রী

3
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনী বন্ধে ফেসবুকে প্রচারণা, অনুমতি নেই বলছে স্কুল কর্তৃপক্ষ

4
কনটেন্ট ব্লকিং ও ফিল্টারিং সম্প্রসারণে এনটিএমসির জন্য ৯৫ কোটি টাকার সরঞ্জাম কিনছে সরকার
বাংলাদেশ

কনটেন্ট ব্লকিং ও ফিল্টারিং সম্প্রসারণে এনটিএমসির জন্য ৯৫ কোটি টাকার সরঞ্জাম কিনছে সরকার

5
ছবি: বাসস
বাংলাদেশ

সিটি করপোরেশনের ২ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

6
ভিয়েতনামে ট্রাম্পের হোটেল ও গলফ মাঠ তৈরির প্রকল্প এলাকা। ছবি: এফটি
আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের গলফ মাঠ তৈরির জন্য সমাধিক্ষেত্র সরাচ্ছে ভিয়েতনাম; কবর খুঁড়ে তোলা হচ্ছে দেহাবশেষ

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net