বাংলাদেশকে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানের লজ্জা দিল অস্ট্রেলিয়া
একেকটি ম্যাচ, একেকটি হতাশার গল্প। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার লিগে নিজেদের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও দুর্বল বাংলাদেশের দেখা মিলল। বরং এই ম্যাচেই সবচেয়ে হতাশার ব্যাটিং করল বাংলাদেশ। শুরুতেই উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশ পুরো ইনিংসজুড়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ব্যাটিং করে। তাতে স্কোরকার্ডে সামান্য রানই যোগ করা গেল।
বৃহস্পতিবার দুবাইয়ে টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ১৫ ওভারে মাত্র ৭৩ রানেই অলআউট হয়ে গেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে এটা বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্কোর, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। চলতি বিশ্বকাপে এটা চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ।
টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটাই বাংলাদেশের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। এর আগের সর্বনিম্ন ছিল ৯ উইকেটে ১০৪ রান। গত আগস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৬২ রানে অলআউট করে সর্বনিম্ন রানের লজ্জা দিয়েছিল বাংলাদেশ। সেটাই যেন কড়ায়-গন্ডায় ফিরিয়ে দিল অজিরা।
বাংলাদেশের ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভাঙনের সুর বেজে গেছে। অ্যাডাম জ্যাম্পা, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউডদের আগুনে বোলিংয়ের সামনে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানই দলকে পথ দেখিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি।
৩৩ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস যে এলোমেলো হয়ে পড়ে, সেটা আর গুছিয়ে তুলতে পারেননি কোনো ব্যাটসম্যান। সর্বোচ্চ ১৯ রানের ইনিংস ইনিংস খেলেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী। এ ছাড়া অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১৬ ও নাঈম শেখ ১৭ রান করেন।
বাংলাদেশের আর কোনো ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের রান করতে পারেননি। চারজন ব্যাটসম্যান রানের খাতাই খুলতে পারেননি। তারা হলেন লিটন দাস, আফিফ হোসেন ধ্রুব, শেখ মেহেদি হাসান ও শরিফুল ইসলাম। এ ছাড়া সৌম্য সরকার ৫, মুশফিকুর রহিম ১, তাসকিন আহমেদ ৬* ও মুস্তাফিজুর রহমান ৪ রান করেন।
বাংলাদেশের ইনিংসে আঘাত হেনে শুরুটা করে দেন মিচেল স্টার্ক। এরপর যোগ দেন জশ হ্যাজেলউড। আর বাকিটা বলতে গেলে একাই শেষ করে দেন অ্যাডাম জ্যাম্পা। অজি এই লেগ স্পিনার ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান খরচায় ৫টি উইকেট নেন। যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ফরম্যাটে তার সেরা বোলিং। স্টার্ক ও হ্যাজেলউড ২টি উইকেট নেন। একটি উইকেট পান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।
