Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Thursday
June 04, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
THURSDAY, JUNE 04, 2026
ট্রাম্পের সৌদি সফর: আরব-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণে বড় অন্তরায় গাজা যুদ্ধ

আন্তর্জাতিক

রয়টার্স
11 May, 2025, 08:05 pm
Last modified: 11 May, 2025, 08:09 pm

Related News

  • হ্যাঁ, একটু বিরক্ত ছিলাম, বিবি-কে ‘উন্মাদ’ বলেছি; নেতানিয়াহুর সঙ্গে উত্তপ্ত ফোনালাপের কথা স্বীকার ট্রাম্পের
  • অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সংস্কারের এজেন্ডা পর্যালোচনায় বাংলাদেশ সফরে আসছে আইএমএফ প্রতিনিধিদল
  • ইরানে এখনই স্থল অভিযানের প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প
  • ‘মেলানিয়া ছিলেন এপস্টেইনের এসকর্ট’: ট্রাম্পের ‘আসল প্রেমকাহিনী’ নিয়ে সাবেক সহযোগীর বিস্ফোরক দাবি
  • মরুভূমির দেশ হয়েও যে কারণে বালু আমদানি করে সৌদি আরব

ট্রাম্পের সৌদি সফর: আরব-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণে বড় অন্তরায় গাজা যুদ্ধ

মার্কিন কর্মকর্তারা চুপিসারে ইসরায়েলের ওপর গাজায় তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন। গাজা যুদ্ধ বন্ধ হওয়া সৌদি আরবের একটি প্রধান শর্ত, যার ওপর নির্ভর করছে তেল আবিবের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের আলোচনা ফের শুরু হওয়ার বিষয়টি।
রয়টার্স
11 May, 2025, 08:05 pm
Last modified: 11 May, 2025, 08:09 pm
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী মঙ্গলবার সৌদি আরব সফর করবেন। রিয়াদে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানানো হবে বিলাসবহুল আয়োজনে, সৌদি রাজপরিবারের বিলাসবহুল প্রাসাদে। এ সফরে তাঁর বড় প্রত্যাশা হচ্ছে সৌদি আরব থেকে ১ লাখ কোটি ডলারের বিনিয়োগ নিশ্চিত করা। তবে দীর্ঘদিন ধরেই ট্রাম্পের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ, যা অধরাই থাকতে পারে গাজা যুদ্ধের কারণে।

সূত্রমতে, মার্কিন কর্মকর্তারা চুপিসারে ইসরায়েলের ওপর গাজায় তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন। গাজা যুদ্ধ বন্ধ হওয়া সৌদি আরবের একটি প্রধান শর্ত, যার ওপর নির্ভর করছে তেল আবিবের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের আলোচনা ফের শুরু হওয়ার বিষয়টি।

তবু আশাবাদের কথাই বলেছেন, ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ। সম্প্রতি ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি দূতাবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, আব্রাহাম অ্যাকর্ডস সম্প্রসারণে শিগগিরই অগ্রগতি প্রত্যাশা করছেন তারা। তাঁর ভাষায়, "আমরা শিগগিরই বেশ কিছু ঘোষণা আশা করছি, যেগুলো আগামী বছরে বাস্তব অগ্রগতি আনতে পারে।" তিনি ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য সফরে সঙ্গী হবেন বলেও জানা গেছে।

কিন্তু, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজা যুদ্ধ স্থায়ীভাবে থামানো বা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে নন। এর ফলে রিয়াদের সঙ্গে স্বাভাবিকীকরণ আলোচনায় অগ্রগতি অসম্ভব বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সৌদি আরব এখনো ইসরায়েলকে বৈধ রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দুই অর্থনৈতিক ও সামরিক পরাশক্তির মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। সম্পর্ক স্বাভাবিকের পক্ষে থাকা ব্যক্তিরা মনে করেন, এটি অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি আনবে এবং ইরানের প্রভাব প্রতিরোধে সহায়ক হবে।

তবে ইসরায়েলের গাজা আগ্রাসনের পর— সৌদি আরবে বিষয়টি হয়ে উঠেছে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যেটি ছিল দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, এবার তা অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা আলোচনার পরিধি থেকে কার্যত বাদ পড়েছে বলে বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে ছয়টি নির্ভরযোগ্য সূত্র।

এদের মধ্যে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের (এমবিএস) ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, গাজা যুদ্ধ শেষ হওয়া এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের একটি বিশ্বাসযোগ্য রূপরেখা পাওয়ার আগ পর্যন্ত স্বাভাবিকীকরণ নিয়ে তিনি (এমবিএস) আর কোনো উদ্যোগে যাবেন না।

এদিকে, ট্রাম্পের সফরের মূল মনোযোগ এখন অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব এবং আঞ্চলিক অন্যান্য ইস্যুতে। সফরের আগে সৌদি ও মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনায় এই কৌশল নির্ধারণ হয়েছে। জানা গেছে, ট্রাম্প এই সফরে ১ লাখ কোটি ডলারের সৌদি বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে চান।

সৌদি আরব, বিশ্বের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক দেশ, জানে কিভাবে উচ্চপর্যায়ের অতিথিদের মন জয় করতে হয়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সৌদি নেতৃত্ব চায় এই সফরে গাজা ইস্যুতে ট্রাম্পের কাছ থেকে কিছু ছাড় আদায় করতে।

ওয়াশিংটনের আরব গালফ স্টেটস ইনস্টিটিউটের গবেষক রবার্ট মগিয়েলনিকি বলেন, "ট্রাম্প প্রশাসন চায় সফরটি যেন বড় কিছু মনে হয়। অনেক চুক্তি, সহযোগিতার ঘোষণা থাকবে— যেগুলো আমেরিকার জন্য ইতিবাচক বলে তুলে ধরা যাবে।"

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, "(সৌদি সরকারের জন্য) ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা লাল গালিচা পেতে অভ্যর্থনা জানানোর চেয়ে অনেক বেশি কঠিন কাজ।"

গাজা যুদ্ধ শুরুর আগে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পথে ছিল। চুক্তির অংশ হিসেবে সৌদি আরব ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে এমন পরিকল্পনাও ছিল। কিন্তু হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার পর ইসরায়েলের ব্যাপক আগ্রাসনে পরিস্থিতি পাল্টে যায়।

সূত্র জানায়, গাজায় প্রায় ৫২ হাজার মানুষের প্রাণহানী এবং ১৯ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার ফলে আলোচনায় বড়সড় বিরতি পড়ে। মোহাম্মদ বিন সালমান ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগও তোলেন।

ট্রাম্প এ সফরে ১৮ মাস ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে একটি মার্কিন শান্তি পরিকল্পনা উন্মোচন করতে পারেন বলে জানায় উপসাগরীয় দেশগুলোর দুই সূত্র। এতে গাজায় একটি অন্তর্বর্তী সরকার ও নতুন নিরাপত্তা কাঠামো গঠনের কথা বলা হতে পারে।

ইতিমধ্যে ইসরায়েলের কৌশলগত বিষয়ক মন্ত্রী রন ডারমারের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক হয়েছে, যেখানে গাজা যুদ্ধ এবং ইরান ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে বলে জানায় মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

অবশ্য এবার ট্রাম্প তাঁর সফরে ইসরায়েল যাওয়ার কোনো ঘোষণা দেননি। দুই কূটনীতিক জানিয়েছেন, ট্রাম্প তাঁর বিতর্কিত "গাজা রিভিয়েরা" পরিকল্পনার ব্যাপারে সম্প্রতি নীরব রয়েছেন। সেই পরিকল্পনায় গাজাবাসীদের পুরোপুরি পুনর্বাসন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রস্তাব ছিল, যা আরব বিশ্বের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল।

সফরের আগেই ওয়াশিংটন সৌদি আরবের জন্য ইতিবাচক কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের ওপর মার্কিন বোমাবর্ষণ বন্ধে যে চুক্তি হয়েছে, তা সৌদি অস্ত্রবিরতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এছাড়া, বেসামরিক পারমাণবিক আলোচনা থেকে স্বাভাবিকীকরণ প্রশ্ন আলাদা করে দেখা হচ্ছে।

বাইডেন প্রশাসনের শেষ দিকে যেভাবে সৌদি-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা চুক্তি পুনরুজ্জীবিত হয়, ট্রাম্প প্রশাসন এখন তা সামনে এগিয়ে নিচ্ছে। তবে পুরো চুক্তির শর্ত নির্ধারণে সময় লাগবে বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

চীনা প্রভাব ও যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল

ট্রাম্পের এ সফর তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় সফর এবং দ্বিতীয় বিদেশ সফর (পোপের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশগ্রহণের পর)। সফরে তিনি কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতও যাবেন।

কূটনীতিকদের মতে, এই সফরের জমকালো আয়োজনের আড়ালে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৌশলগত প্রচেষ্টা— মধ্যপ্রাচ্যে চীনের প্রভাব মোকাবেলা করে অর্থনৈতিক মিত্রতা নতুন করে সাজানো।

ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদেও সৌদি সফর দিয়ে বিদেশযাত্রা শুরু করেছিলেন এবং তখনই ৩৫০ বিলিয়ন ডলারের সৌদি বিনিয়োগ লাভের ঘোষণা দেন। সেই সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় বর্তমানে সৌদি নেতৃত্বের আস্থাও রয়েছে তাঁর ওপর।

এবারের সফরে সৌদি আরব ও তাদের উপসাগরীয় মিত্ররা ট্রাম্পের কাছে আবেদন জানাতে পারেন, যাতে তিনি বিদেশি বিনিয়োগে মার্কিন বিধিনিষেধ শিথিল করেন। বিশেষ করে "গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবকাঠামো" খাতে যেসব বাধা রয়েছে, সেগুলো তুলে নিতে তাঁরা আহ্বান জানাবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে চীনের অর্থনৈতিক প্রভাব রোধ করা ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম লক্ষ্য হলেও সৌদি আরবে তা সহজ হবে না। কারণ 'সৌদি ভিশন-২০৩০' বাস্তবায়নে চীন এখন অবিচ্ছেদ্য অংশ— জ্বালানি, অবকাঠামো থেকে নবায়নযোগ্য শক্তি পর্যন্ত প্রতিটি খাতে তাদের দৃঢ় উপস্থিতি রয়েছে।
 

Related Topics

টপ নিউজ

ডোনাল্ড ট্রাম্প / সৌদি আরব / সফর / গাজা যুদ্ধ / ইসরায়েল

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ছবি: পিটিআই
    দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: নিহত ২১, আহত ৫ বাংলাদেশি
  • বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে পতাকা। ছবি: সংগৃহীত
    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর ১০%–১২.৫% নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
  • তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলটি থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস
    ভাঙনের মুখে মমতার তৃণমূল, বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রতকে সমর্থন দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়কের
  • ছবি: সংগৃহীত
    মরুভূমির দেশ হয়েও যে কারণে বালু আমদানি করে সৌদি আরব
  • জেনিফার গোমেজ তার দাদি জিন ম্যাকনিল সার্জেন্টের একটি প্রতিকৃতি হাতে ধরে আছেন। ছবি: এজে+ ডাইরেক্ট ফ্রম/আল জাজিরা
    ইসরায়েলি সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর কাছে কি ‘মরদেহ বিক্রি’ করছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো?
  • ছবি: সংগৃহীত
    বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তাদের ‘প্রগতি স্কিম’-এ অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ: সর্বজনীন পেনশনে জোর দিচ্ছে সরকার

Related News

  • হ্যাঁ, একটু বিরক্ত ছিলাম, বিবি-কে ‘উন্মাদ’ বলেছি; নেতানিয়াহুর সঙ্গে উত্তপ্ত ফোনালাপের কথা স্বীকার ট্রাম্পের
  • অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সংস্কারের এজেন্ডা পর্যালোচনায় বাংলাদেশ সফরে আসছে আইএমএফ প্রতিনিধিদল
  • ইরানে এখনই স্থল অভিযানের প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প
  • ‘মেলানিয়া ছিলেন এপস্টেইনের এসকর্ট’: ট্রাম্পের ‘আসল প্রেমকাহিনী’ নিয়ে সাবেক সহযোগীর বিস্ফোরক দাবি
  • মরুভূমির দেশ হয়েও যে কারণে বালু আমদানি করে সৌদি আরব

Most Read

1
ছবি: পিটিআই
আন্তর্জাতিক

দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: নিহত ২১, আহত ৫ বাংলাদেশি

2
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে পতাকা। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর ১০%–১২.৫% নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

3
তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলটি থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস
আন্তর্জাতিক

ভাঙনের মুখে মমতার তৃণমূল, বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রতকে সমর্থন দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়কের

4
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

মরুভূমির দেশ হয়েও যে কারণে বালু আমদানি করে সৌদি আরব

5
জেনিফার গোমেজ তার দাদি জিন ম্যাকনিল সার্জেন্টের একটি প্রতিকৃতি হাতে ধরে আছেন। ছবি: এজে+ ডাইরেক্ট ফ্রম/আল জাজিরা
আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলি সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর কাছে কি ‘মরদেহ বিক্রি’ করছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো?

6
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তাদের ‘প্রগতি স্কিম’-এ অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ: সর্বজনীন পেনশনে জোর দিচ্ছে সরকার

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net