Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Monday
June 08, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
MONDAY, JUNE 08, 2026
বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর ১০%–১২.৫% নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশ

রয়টার্স
03 June, 2026, 11:45 am
Last modified: 03 June, 2026, 11:53 am

Related News

  • ম্যাচের দিনই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ও সেখান থেকে ফিরবে বিশ্বকাপ দল: ইরান
  • বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ইরাকি স্ট্রাইকার আইমান 
  • আমেরিকার ওপর ‘সীমাহীন’ গুপ্তচরবৃত্তি করছে ইসরায়েল, বাড়ছে পেন্টাগনের উদ্বেগ
  • ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী, দেখা করলেন মোদির সঙ্গে
  • ইরানের অবরুদ্ধ অর্থ দিয়েই উপসাগরীয় মিত্রদের ক্ষতিপূরণ দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর ১০%–১২.৫% নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব অর্থনীতি জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে উৎপাদিত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে এবং সেই নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে।
রয়টার্স
03 June, 2026, 11:45 am
Last modified: 03 June, 2026, 11:53 am
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর (ইউএসটিআর) বাংলাদেশ, ভারতসহ ৬০টি দেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের দাবি, এসব দেশের অর্থনীতি জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে উৎপাদিত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে এবং সেই নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এই প্রস্তাবটি যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১ ধারা অনুযায়ী উত্থাপন করা হয়েছে। এই ধারা মার্কিন সরকারকে এমন বিদেশি নীতি বা কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেয়, যেগুলোকে তারা মার্কিন বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক স্বার্থের জন্য অন্যায্য বা ক্ষতিকর বলে মনে করে।

ইউএসটিআর কী প্রস্তাব করেছে?

ইউএসটিআর বলেছে, তারা নির্ধারণ করেছে যে ৬০টি অর্থনীতির কার্যক্রম, নীতি ও চর্চা 'অযৌক্তিক' এবং এগুলো মার্কিন বাণিজ্যের ওপর বোঝা সৃষ্টি করছে বা বাণিজ্যকে সীমাবদ্ধ করছে। কারণ এসব অর্থনীতি জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে তৈরি পণ্যের আমদানি যথাযথভাবে প্রতিরোধ করতে পারেনি।

সংস্থাটি তদন্তাধীন অর্থনীতিগুলোর সব পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে। তবে তাদের ফেডারেল রেজিস্টার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত কিছু ব্যতিক্রম থাকবে।

যেসব অর্থনীতির ইতোমধ্যে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, অথবা পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, কিংবা নির্দিষ্ট কিছু জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য ঠেকাতে আংশিক ব্যবস্থা চালু করেছে, তাদের জন্য অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্কের প্রস্তাব করা হয়েছে।

অন্য সব অর্থনীতির জন্য প্রস্তাবিত অতিরিক্ত শুল্কের হার ১২.৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ সেই ৫৪টি অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে ইউএসটিআর অভিযোগ করেছে যে তারা জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে উৎপাদিত পণ্যের আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এই তালিকায় আরও রয়েছে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য এবং ভিয়েতনাম।

ইউএসটিআর একটি বস্ত্র-সংক্রান্ত ব্যবস্থাও প্রস্তাব করেছে, যার আওতায় কিছু অর্থনীতি থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ পোশাক ও বস্ত্রপণ্য কম হারে ৩০১ ধারার শুল্ক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে।

ইউএসটিআরের বিবৃতিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, 'জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে তৈরি পণ্যের আমদানি মোকাবিলায় আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদারদের ব্যর্থতা গ্রহণযোগ্য নয়। এর ফলে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়, যেখানে মার্কিন শ্রমিকদের বৈশ্বিক বাজারে অসম প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হয়।'

৩০১ ধারা কী?

৩০১ ধারা হলো যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের একটি বিধান, যা ইউএসটিআরকে বিদেশি সরকারের এমন কার্যক্রম, নীতি বা চর্চা তদন্ত ও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেয়, যেগুলো অন্যায্য, অযৌক্তিক বা বৈষম্যমূলক এবং মার্কিন বাণিজ্যের ওপর বোঝা সৃষ্টি করে বা বাণিজ্য সীমিত করে।

কোনো কার্যক্রম বা নীতি আন্তর্জাতিক আইনি বাধ্যবাধকতার লঙ্ঘন না হলেও এই বিধান ব্যবহার করা যেতে পারে।

ইউএসটিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো কার্যক্রম, নীতি বা চর্চাকে অযৌক্তিক বলে বিবেচনা করা যেতে পারে যদি তা 'অন্যভাবে অন্যায্য বা বৈষম্যমূলক' হয়।

ইউএসটিআর যখন নির্ধারণ করে যে কোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, তখন তারা অতিরিক্ত শুল্ক, বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা বা সংশ্লিষ্ট দেশের নীতি পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে অন্যান্য পদক্ষেপের সুপারিশ করতে পারে।

এই ক্ষেত্রে ইউএসটিআর বলছে, জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞার অনুপস্থিতি বাজারের স্বাভাবিক প্রতিযোগিতা বিকৃত করে। এর ফলে যেসব প্রতিষ্ঠান জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহার করে উৎপাদন খরচ কমায়, তারা সুবিধা পায়।

এটি এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষতি করে, যারা জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহার করে না। একই সঙ্গে এটি যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য আমদানি নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগও তৈরি করে।

কেন ইউএসটিআর বলছে জোরপূর্বক শ্রমবিরোধী নিয়ম বাণিজ্যকে প্রভাবিত করে

প্রায় এক শতাব্দী ধরে যুক্তরাষ্ট্র ১৯৩০ সালের শুল্ক আইনের ৩০৭ ধারার মাধ্যমে জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করে রেখেছে।

ইউএসটিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের অনেক অর্থনীতি এখনো একই ধরনের আমদানি-নিষেধাজ্ঞা গ্রহণ করেনি। ফলে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহার করে তৈরি পণ্য বৈশ্বিক বাজারে অবাধে প্রবাহিত হতে পারছে।

ইউএসটিআরের মতে, এর ফলে রপ্তানি বাজার এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজার—উভয় ক্ষেত্রেই মার্কিন উৎপাদকরা অন্যায্য প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে।

সংস্থাটি আরও বলছে, জোরপূর্বক শ্রম ছাড়া উৎপাদিত পণ্য বিদেশি বাজারে স্থানচ্যুত হতে পারে এবং পরে সেগুলো যুক্তরাষ্ট্র বা অন্যান্য বাজারে প্রবেশ করতে বাধ্য হতে পারে।

ইউএসটিআরের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, তদন্তে অন্তর্ভুক্ত অর্থনীতিগুলো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে মোট আমদানির ৯৯.৪০ শতাংশ আসে।

Related Topics

অর্থনীতি / টপ নিউজ

যুক্তরাষ্ট্র / মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর (ইউএসটিআর) / বাংলাদেশ / জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে উৎপাদিত পণ্য / মার্কিন আইন / শুল্ক আরোপ / ভারত / অর্থনীতি

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ছবি: সংগৃহীত
    কেনাকাটা নয়: বাংলাদেশকে সোর্সিং হাব হিসেবে দেখছে আলিবাবা, রপ্তানিকারকদের যুক্ত করছে ক্রেতাদের সঙ্গে
  • ছবি: টিবিএস
    হানিট্র্যাপে ফেলে উবার চালককে হত্যা, চক্রের হোতা চাকরিচ্যুত সেনাসদস্যসহ গ্রেপ্তার ৪
  • ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
    ৪৪ ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়েছে, তালিকায় ভালো ব্যাংকগুলোও
  • ছবি: খোরশেদ আলম
    বগুড়ার এই হাটে এখনও ভার পদ্ধতিতে ধান বিক্রি হয়; কী এই পদ্ধতি?
  • পুরান দিল্লির একটি জুয়েলারির দোকানিকে ক্রেতার সাথে কথা বলতে দেখা যাচ্ছে। ফাইল ছবি: রয়টার্স
    ভারতের করপোরেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জালিয়াতি! ১৫৯ বিলিয়ন ডলার আয়ের ভুয়া তথ্য

Related News

  • ম্যাচের দিনই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ও সেখান থেকে ফিরবে বিশ্বকাপ দল: ইরান
  • বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ইরাকি স্ট্রাইকার আইমান 
  • আমেরিকার ওপর ‘সীমাহীন’ গুপ্তচরবৃত্তি করছে ইসরায়েল, বাড়ছে পেন্টাগনের উদ্বেগ
  • ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী, দেখা করলেন মোদির সঙ্গে
  • ইরানের অবরুদ্ধ অর্থ দিয়েই উপসাগরীয় মিত্রদের ক্ষতিপূরণ দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

Most Read

1
ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

কেনাকাটা নয়: বাংলাদেশকে সোর্সিং হাব হিসেবে দেখছে আলিবাবা, রপ্তানিকারকদের যুক্ত করছে ক্রেতাদের সঙ্গে

2
ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

হানিট্র্যাপে ফেলে উবার চালককে হত্যা, চক্রের হোতা চাকরিচ্যুত সেনাসদস্যসহ গ্রেপ্তার ৪

3
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
অর্থনীতি

৪৪ ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়েছে, তালিকায় ভালো ব্যাংকগুলোও

4
ছবি: খোরশেদ আলম
বাংলাদেশ

বগুড়ার এই হাটে এখনও ভার পদ্ধতিতে ধান বিক্রি হয়; কী এই পদ্ধতি?

5
পুরান দিল্লির একটি জুয়েলারির দোকানিকে ক্রেতার সাথে কথা বলতে দেখা যাচ্ছে। ফাইল ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ভারতের করপোরেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জালিয়াতি! ১৫৯ বিলিয়ন ডলার আয়ের ভুয়া তথ্য

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net