এবার দক্ষিণ গাজার চার শহর ছাড়তে লিফলেট ফেলছে ইসরায়েল
দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের চারটি শহর থেকে বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে চলে যাওয়ার জন্য সতর্ক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। খবর বিবিসির।
খান ইউনিস দক্ষিণ গাজার বৃহত্তম শহরের একটি। এর আগে উত্তর গাজা থেকে বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরে যেতে বলেছিল ইসরায়েলি বাহিনী। এবার দক্ষিণ গাজার বিভিন্ন অংশকেও নিশানা করতে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল।
গত বুধবার রাতে ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ গাজার চারটি শহরে সতর্কতা উল্লেখ করে লিফলেট ফেলে। শহর চারটি হলো- বনি শুহাইলা, খুজা, আবাসান ও কারারা। উত্তর গাজা থেকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা আশ্রয় নেওয়ার আগে শহরগুলোর জনসংখ্যা ছিল এক লাখেরও বেশি।
ইসরায়েলি বাহিনীর সতর্কতামূলক লিফলেটে নিরাপত্তার কারণে বাসিন্দাদের অবিলম্বে ঘরবাড়ি ছেড়ে চেনা কোনো আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যেতে বলা হয়েছে। আরো বলা হয়েছে, সন্ত্রাসীদের দ্বারা ব্যবহৃত প্রতিটি বাড়িকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
কয়েক সপ্তাহ আগে ইসরায়েল স্থল অভিযান শুরু করার আগে উত্তর গাজায় একই ধরনের লিফলেট ফেলেছিল।
গত অক্টোবরে উত্তর গাজা থেকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের অনেকে খান ইউনিসের বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নেয়। এতে খান ইউনিসের জনসংখ্যা চার লাখ থেকে বেড়ে দশ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ এখন খান ইউনিসের অস্থায়ী ক্যাম্প, হাসপাতাল ও স্কুল মাঠে আশ্রয় নিয়েছে।
গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের আকস্মিক হামলার জবাবে পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। টানা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এ হামলায় ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। বাস্তুচ্যুত হয়েছে কয়েক লাখ মানুষ।
হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ এখন খান ইউনিসের অস্থায়ী ক্যাম্প, হাসপাতাল ও স্কুল মাঠে বসবাস করছে।
