সিপিডি’র নতুন নির্বাহী পরিচালক নাজনীন আহমেদ, সম্মানীয় ফেলো ফাহমিদা খাতুন
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ-এর (সিপিডি) নতুন নির্বাহী পরিচালক (ইডি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. নাজনীন আহমেদ। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সিপিডি। তিনি সংস্থাটির বর্তমান নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুনের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
এদিকে আরেক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ফাহমিদা খাতুন সিপিডি'র ডিস্টিংগুইশড ফেলো (সম্মানীয় ফেলো) হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। দীর্ঘ সাড়ে নয় বছর ধরে তিনি সফলতার সঙ্গে গবেষণা সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
সিপিডি'তে যোগ দেওয়ার আগে নাজনীন আহমেদ জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচিতে (ইউএনডিপি) গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ইউএনডিপি বাংলাদেশের 'কান্ট্রি ইকোনমিস্ট' এবং পরে নিউইয়র্কে ইউএনডিপির 'রিজিওনাল ব্যুরো ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক'র নীতি উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এছাড়াও তিনি দেশের শীর্ষ অর্থনৈতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (বিআইডিএস) দীর্ঘ ২৫ বছর গবেষক হিসেবে কাজ করেছেন। বিআইডিএস-এ তিনি গবেষণা সহযোগী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন।
সিপিডি'র প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, শিল্প ও কর্মসংস্থান, সুশাসন, লিঙ্গ সমতা, সামাজিক সুরক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিসহ সামষ্টিক অর্থনীতি ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিস্তৃত বিষয়ে নাজনীন আহমেদের দীর্ঘ গবেষণা ও নীতি নির্ধারণী অভিজ্ঞতা রয়েছে।
এদিকে দায়িত্ব হস্তান্তরের পর ফাহমিদা খাতুন সিপিডি'র সম্মানীয় ফেলো পদে যোগ দেবেন। যেখানে তিনি অধ্যাপক রওনক জাহান, ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এবং অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে যুক্ত হবেন।
উল্লেখ্য, দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ও মোস্তাফিজুর রহমানও পূর্বে সিপিডি'র নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
ফাহমিদা খাতুন ২০০৩ সাল থেকে সিপিডি'র সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এবং ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত সিপিড'র গবেষণা কার্যক্রমের পরিধি, বৈচিত্র্য এবং মেধা-গুণমান বহুগুণে সম্প্রসারিত হয়েছে।
নির্বাহী পরিচালক থাকাকালীন ফাহমিদা খাতুন সিপিডি'র ভৌত ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কর্মীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, উন্নত গবেষণা ও প্রকাশনা, আধুনিকায়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন জোরদারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এর মাধ্যমে তিনি সংস্থাটিকে ভবিষ্যৎ অগ্রগতির জন্য একটি সুদৃঢ় প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করান।
