দলে ফিরেই মাহমুদউল্লাহর হাফ সেঞ্চুরি
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডি টেস্ট খেলার পর বাদ পড়েন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারকে সাদা বলের ক্রিকেটে মনোযোগ দিতে বলা হয়। এরপর টেস্টে বিবেচনা করা হচ্ছিল না মাহমুদউল্লাহকে। জিম্বাবুয়ে সফরের দলেও ছিলেন না তিনি। হঠাৎ সুযোগ পাওয়া অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারই দলকে পথ দেখিয়ে এগিয়ে নিচ্ছেন।
লিটন কুমার দাসের সঙ্গে ১৩৮ রানের জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহ। লিটন ৯৫ রান করে ফিরে গেলেও মাহমুদউল্লাহ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। ১৬ মাস পর টেস্ট খেলতে নেমেই হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি।
এটা তার ক্যারিয়ারের ১৭তম টেস্ট হাফ সেঞ্চুরি। ১৪১ বলে ৫টি চারে ৫৪ রানে অপরাজিত আছেন মাহমুদউল্লাহ। তাসকিন আহমেদ ১৩ রানে ব্যাটিং করছেন। ৮৩ ওভার শেষে ৮ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৯৪ রান।
লিটনের বিদায়ে আবার এলোমেলো বাংলাদেশ
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই টেস্টের আগের দেশের হয়ে ২৪টি টেস্ট খেলেছেন লিটন কুমার দাস। ৪১ ইনিংসে ব্যাট করেও কোনো সেঞ্চুরি করতে পারেননি ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দলের দুঃসময় সামাল দেওয়া লিটন তিন অঙ্কের পথেই এগোচ্ছিলেন। কিন্তু এবারও হলো না।
৯৫ রান করে থামলেন বাংলাদেশের ক্ল্যাসিক এই ব্যাটসম্যান। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটাই তার সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। ৯৫ রানে থাকতে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ফাইন লেগে ধরা পড়েন লিটন। ১৪৭ বলে ১৩টি চারে ইনিংসটি সাজান তিনি। বিদায়ের আগে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে ১৩৮ রানের জুটি গড়েন লিটন।
তার বিদায়ে আবারও দিক হারিয়েছে বাংলাদেশ। পরের বলেই টিরিপানোর দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন মেহেদী হাসান মিরাজ। তাসকিন আহমেদকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ। ৮১ ওভার শেষে ৮ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২৮৫ রান।
মাহমুদউল্লাহ-লিটনে ২০০ ছাড়িয়ে বাংলাদেশ
চাপ সামলে দলকে পথ দেখিয়ে যাচ্ছেন লিটন কুমার দাস ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এই দুই ব্যাটসম্যান ইতোমধ্যে ৮১ রানের জুটি গড়েছেন। ৬২ ওভার শেষে ৬ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ রান। লিটন ৬০ ও মাহমুদউল্লাহ ২৬ রানে ব্যাটিং করছেন। টেস্টে এটা লিটনের নবম হাফ সেঞ্চুরি। ক্রিকেটের এই অভিজাত ফরম্যাটে এখনও কোনো সেঞ্চুরি করতে পারেননি ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।
দুই 'লাইফে' মুমিনুলের ৭০
আউট হওয়া বাংলাদেশের পাঁচজন ব্যাটসম্যান জীবন ফিরে পাননি, বড়ও হয়নি তাদের ইনিংস। বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হক দুবার জীবন পেয়েছেন, এ কারণেই যেন তার ইনিংস কিছুটা লম্বা হলো। দলকে পথ দেখাতে থাকা বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান ৭০ রান করে বিদায় নিয়েছেন। টেস্টে এটা তার ১৪তম হাফ সেঞ্চুরি।
আরও আগেই ফিরতে পারতেন মুমিনুল। ৬০ রানের মাথায় সহজ ক্যাচ তুলেও বেঁচে যান তিনি। কিন্তু এবার রক্ষা হলো না। ভিক্টর নিয়াউচির গুড লেংন্থের একটি ডেলিভারিতে শট খেলতে গিয়ে গালিতে ক্যাচ দেন মুমিনুল। তার বিদায়ে উইকেটে গেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
৩৭ ওভার শেষে ৬ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৩৬ রান। লিটন ১২ ও মাহমুদউল্লাহ ১ রানে ব্যাটিং করছেন। এখন পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের মুজারাবানি ৩টি, নিয়াউচি ২টি এবং এনগাভারা একটি উইকেট নিয়েছেন।
মুশফিক-সাকিবকে হারিয়ে ধুঁকছে বাংলাদেশ
শুরুতেই বাংলাদেশকে পথ ভুলিয়ে দিয়েছিলেন ব্লেসিং মুজারাবানি। জিম্বাবুয়ের ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান ৮ রানের মধ্যেই বাংলাদেশের দুই উইকেট তুলে নেন। এরপর সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হকের ব্যাটে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে বাংলাদেশ। সাদমানের বিদায়ে আবারও ভাঙনের সুর বেজেছে। মুশফিককে নিজের তৃতীয় শিকারে পরিণত করেছেন দারুণ বোলিং করতে থাকা মুজারাবানি।
জিম্বাবুয়ে পেসারের একটি ডেলিভারি ছাড়তে গিয়ে এলবিডব্লিউর শিকার হন ১১ রান করা মুশফিক। যদিও তার আউট নিয়ে যথেষ্ট সংশয় আছে। টিভি রিপ্লেতে মনে হয়েছে, ডেলিভারিটি স্টাম্প মিস করবে। কিন্তু ডিআরএস না থাকায় বাঁচার সুযোগ পাননি মুশফিক।
পরের ওভারে আরও বড় ধাক্কা খেতে হয় বাংলাদেশকে। দীর্ঘদিন ধরে নিজের ছায়া হয়ে থাকা সাকিব ৩ রান করেই বিদায় নিয়েছেন। ভিক্টর নিয়াউচির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে থামেন তিনি। ৩২ ওভার শেসে ৫ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১২১ রান। অধিনায়ক মুমিনুল ৬০ ও লিটন কুমার দাস ৮ রানে ব্যাটিং করছেন।
প্রতিরোধ গড়ে ফিরে গেলেন সাদমান
শুরুতেই বিপাকে পড়া দলকে ভালোমতোই টেনে তোলেন সাদমান ইসলাম অনিক ও মুমিনুল হক। শুরুর ধাক্কা সামলে দুজন মিলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু উইকেটে থিতু হয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারলেন না সাদমান। রিচার্ড এনগাভারার শিকারে পরিণত হয়ে ফিরে গেছেন বাঁহাতি এই ওপেনার।
ফেরার আগে ৬৪ বলে ৪টি চারে ২৩ রান করেন সদমান। অধিনায়ক মুমিনুল হকের সঙ্গে উইকেটে যোগ দিয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার আগে ২৩ ওভারে ৩ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭০ রান। মুমিনুল ৩২ ও মুশফিক ১ রানে অপরাজিত আছেন।
শুরুতেই দিকহারা বাংলাদেশ
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে আগে ব্যাটিং করতে নেমেই বিপদে পড়েছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের বোলিংয়ের বিপক্ষে রীতিমতো ধুঁকছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে জিম্বাবুয়ে পেসার ব্লেসিং মুজারাবানির বোলিং সামলে উইকেটে থাকতে সংগ্রাম করতে হচ্ছে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। কম যাচ্ছেন না রিচার্ড এনগারাভাও।
প্রথম ওভারেই ফিরে যান সাইফ হাসান। মুজারাবানির বলে ভেঙে যায় তার স্টাম্প। রানের খাতাই খুলতে পারেননি ডানহাতি এই ওপেনার। নাজমুল হোসেন শান্তও ঠিকতে পারেননি। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান মাজারাবানির বলেই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।
শুরুতেই অথৈ পাথারে পড়ে যাওয়া বাংলাদেশ ৬ ওভারে ৯ রান তুলতেই ২ উইকেট হারিয়ে বসেছে। ওপেনার সাদমান ইসলাম অনিকের সঙ্গে উইকেটে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক।
