প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে পিএসজি
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লাইপজিগের পেরনো প্রতিটা ধাপ ছিল একেকটি বিস্ময়। অবশেষে সেই যাত্রা থামল। লাইপজিগের অদ্ভুত সুন্দর সফরকে থামিয়ে স্বপ্ন পুরণ করলো প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। জার্মানির দলটিকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে ফরাসি চ্যাম্পিয়ন পিএসজি।
দ্বিতীয় সেমি ফাইনালে মঙ্গলবার লাইপজিগকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে নেইমার-ডি মারিয়াদের দল। ১৯৯৫ সালের পর প্রথমবারের মতো সেমি ফাইনালে ওঠে পিএসজি। এবার আর শেষ চারে আটকে থাকেনি তারা।
নেইমার, এমবাপ্পে, ডি মারিয়াদের পায়ে ভর করে ফাইনালে উঠে গেল পিএসজি। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে পিএসজির হয়ে দুটি গোল করেন তাদের দুই ডিফেন্ডার। বাকি গোলটি আসে নেন আর্জেন্টাইন মিড ফিল্ডার অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়ার পা থেকে।
ফাইনালে পিএসজির প্রতিপক্ষ কে, সেটা জানা যাবে বুধবার রাতে। দ্বিতীয় সেমি ফাইনালে মুখোমুখি হবে বায়ার্ন মিউনিখ ও অলিম্পিক লিঁও। প্রথম সেমি ফাইনালের মতো এই লড়াইটিও জার্মান-ফরাসিদের মধ্যে। বার্সেলোনাকে ৮-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করা বায়ার্নকেই এই ম্যাচে ফেবারিট ধরা হচ্ছে।
পিএসজি-লাইপজিগ ম্যাচের শুরু থেকেই চরম উত্তেজনা দেখা গেছে। রেফারি বাঁশি বাজাতেই দুই দল একের পর এক আক্রমণ সাজাতে শুরু করে। ১৩ মিনিটে গিয়ে গোলের দেখা পায় পিএসজি। এ সময় অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়ার ফ্রি-কিক থেকে অসাধারণ হেডে গোল করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মার্কিনিয়োস।
গোল হজম করেই যেন তেঁতে ওঠে লাইপজিগ। টটেনহ্যাম হটস্পার ও অ্যাটলেটিকে মাদ্রিদকে বিদায় করে শেষ চারে আসা দলটি মুহুর্মুহু আক্রমণ করতে শুরু করে। যদিও তাদের আক্রমণ সফল হয়নি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে গিয়ে উল্টো তাদের আরও পিছিয়ে পড়তে হয়।
৪২ মিনিটে নিজেদের ভুলে পিছিয়ে পড়ে লাইপজিগ। নিজেদের মধ্যে পাস দিতে গিয়ে বলের নিয়ন্ত্রণ হারালে সুযোগটি কাজে লাগান নেইমার। সতীর্থের কাছ থেকে পাওয়া বল ডি মারিয়াকে দেন নেইমার। বাঁ পায়ের আলতো শটে গোল করে পিএসজিকে এগিয়ে ডি মারিয়া।
২-০ গোলে এগিয়ে থাকা পিএসজিকে তৃতীয় গোলের জন্য খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে ডি মারিয়ার ক্রসে মাথা ছুঁয়ে পিএসজির পক্ষে তৃতীয় গোলটি করেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার হুয়ান বের্নাত। এরপর অনেক চেষ্টা করেও ব্যবধান কমাতে পারেনি লাইপজিগ।
