মিরপুরে কেউই যা পায় না, কিউরা সেটাই পেল
সিরিজ শুরুর আগে সাধারণত ভেন্যুর সেন্টার উইকেটে অনুশীলনের সুযোগ মেলে না। সফরকারী দলগুলোকে এই সুযোগ দেওয়া হয় না। ঘরের মাঠের দল এই সুযোগ পেলেও সেটা অবস্থার ওপর নির্ভর করে। ম্যাচ শুরুর দুদিন আগে থেকে সেন্টার উইকেটে কোনো দলকেই অনুশীলনের সুযোগ দেওয়া হয় না। কিন্তু সোমবার মিরপুরে দেখা গেল ভিন্ন ঘটনা।
আগামী এক সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। মাঝে কেবল ৩১ আগস্ট, সময়ের হিসেবে একদিন বাকি সিরিজ শুরু হতে। এমন সময় মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সেন্টার উইকেটে ব্যাটিং-বোলিং অনুশীলন চালালো কিউইরা।
সোমবার সকাল ১০টা থেকে মিরপুর স্টেডিয়ামে অনুশীলন শুরু করে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। শুরুতে গা গরম করে নেয় তারা। এরপর সেন্টার উইকেটে শুরু হয় অনুশীলন, যা চলেছে অনেকক্ষণ। অতীতে এমনটি দেখা যায়নি বলে প্রশ্ন উঠেছে, নিউজিল্যান্ডকে কেন সেন্টার উইকেটে অনুশীলনের অনুমতি দেওয়া হলো!
সফরসূচি অনুযায়ী বিকেএসপিতে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা ছিলো নিউজিল্যান্ডের। কিন্তু করোনাকাল হওয়ায় ম্যাচটি তারা খেলেনি। নিজেদের মধ্যে ভাগ হয়ে মিরপুর স্টেডিয়ামে রোববার একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা ছিল সফরকারীদের। ম্যাচটি না খেলায় সোমবার সেন্টার উইকেটে অনুশীলনের অনুমতি চেয়েছিল তারা। বিসিবি তাদের সেই অনুরোধ রেখেছে।
এ বিষয়ে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, 'বাংলাদেশ দল গত পরশু সেন্টার উইকেটে অনুশীলন করেছে। গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা ছিল। নিজেদের মধ্যে ভাগ হয়ে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে চেয়েছিল ওরা। যেহেতু ওরা গতকাল প্রস্তুতি ম্যাচটি খেলেনি, ওরা অনুরোধ করেছিল আজ যেন সেন্টার উইকেটে অনুশীলনের সুযোগ দেওয়া হয়। সেটার ভিত্তিতেই তাদেরকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।'
কিছুদিন আগেই বাংলাদেশে সফর করে গেছে অস্ট্রেলিয়া। মিরপুরের সেন্টার উইকেটে অনুশীলনের অনুমতি পায়নি তারা। আকরাম খান জানালেন, চাইলে তাদেরকেও অনুমতি দেওয়া হতো। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবির এই পরিচালক বলেন, 'অস্ট্রেলিয়ার এমন কোনো চাওয়া ছিল না। তারা আমাদেরকে এমন কোনো অনুরোধ করেনি। কোনো দল চাইলে একটা ম্যাচ খেলার জন্য আমরা এই অনুমতি দিয়ে থাকি। এ কারণেই নিউজিল্যান্ডকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।'
