মৃত্যুর পর শেষযাত্রা: ঢাকায় শোক সামলানোর আগেই পরিবারকে চিন্তা করতে হয় খরচের
মৃত্যু প্রথমে শোক নিয়ে আসে। কিন্তু শোক সামলে ওঠার আগেই পরিবারের সামনে এসে দাঁড়ায় নানা খরচের তালিকা ও হিসাব।
প্রথমে হাসপাতাল থেকে মরদেহ বাড়িতে বা দাফনের স্থানে নিয়ে যেতে হয়। এরপর মরদেহ গোসল করিয়ে দাফনের জন্য প্রস্তুত করতে হয়। কিনতে হয় কাফনের কাপড়, খুঁড়তে হয় কবর, ব্যবস্থা করতে হয় বাঁশ ও চাটাইয়ের। দাফনের নিবন্ধন ও অন্যান্য নথিপত্রের জন্যও ফি দিতে হয়। আর অনেক পরিবারে দাফনের পর জড়ো হওয়া আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থাও করতে হয়।
মাহমুদ সজলের বয়স ছিল ২০ বছর। বাবার মৃত্যুর সময় তিনি কলেজে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
তিনি বলেন, 'আমি তখনো শোক ও হতবিহ্বল অবস্থা কাটিয়ে উঠতে পারিনি। এর মধ্যেই আমাকে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য জিনিস কিনতে হয়েছে। আমার মনে আছে, ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কোচিংয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাবা যে টাকা দিয়েছিলেন, সেখান থেকেই এসব খরচ মিটিয়েছিলাম। আমি এতটাই হতবিহ্বল ছিলাম যে অন্য কারও কাছে টাকা চাওয়ার কথাও মাথায় আসেনি।'
প্রতিটি খরচ আলাদাভাবে বিবেচনা করলে হয়তো খুব বেশি মনে হয় না। কিন্তু একের পর এক এসব খরচ সামনে এলে সব মিলিয়ে এমন একটি অঙ্ক দাঁড়ায়, যার জন্য একটি পরিবার প্রায়ই প্রস্তুত থাকে না।
মরদেহের শেষযাত্রায় বড় ব্যয়
পরিবারের খরচ শুরু হয় মরদেহ পরিবহনের মধ্য দিয়ে।
ঢাকাভিত্তিক একজন হিমায়িত মরদেহবাহী গাড়িচালক জানান, স্কয়ার হাসপাতাল থেকে আজিমপুর কবরস্থান পর্যন্ত মরদেহ নিয়ে যেতে বর্তমানে প্রায় পাঁচ হাজার টাকা লাগে। এই পথ পাড়ি দিতে প্রায় ৩০ মিনিট সময় লাগে। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির সময় একই পথে মরদেহ পরিবহনে প্রায় তিন হাজার টাকা খরচ হতো। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় খরচ বেড়েছে বলে জানান তিনি।
মরদেহ দূরের কোনো জেলায় নিয়ে যেতে হলে খরচও আনুপাতিক হারে বেড়ে যায়। উদাহরণ হিসেবে, ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরত্বে মরদেহ নিয়ে যেতে ১০ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা লাগে। দাফনের স্থানে গাড়িটি প্রতি অতিরিক্ত এক ঘণ্টা অপেক্ষা করলে আরও ৫০০ টাকা দিতে হয়।
মরদেহ পরিবহন অবশ্য খরচের শুরু মাত্র। দাফনের আগে মরদেহ গোসল করিয়ে কাফনের কাপড়ে জড়াতে হয়।
মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারে দাফনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রি করেন শাহীন আলম। তিনি জানান, বর্তমানে পুরুষের জন্য তিন টুকরার একটি সাধারণ কাফনের কাপড়ের দাম এক হাজার ১০০ টাকা। প্রায় পাঁচ বছর আগে একই ধরনের কাফনের দাম ছিল প্রায় ৯০০ টাকা।
আলমের ভাষ্য অনুযায়ী, নারীদের জন্য পাঁচ টুকরার একটি সাধারণ কাফনের কাপড়ের দাম বর্তমানে এক হাজার ৬০০ থেকে এক হাজার ৭০০ টাকা। পাঁচ বছর আগে এর দাম ছিল প্রায় এক হাজার ২০০ টাকা।
কাপড়ের মানের ওপর নির্ভর করে দাম আরও বাড়ে। আলম বলেন, কাফনের কাপড়ের দাম চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্তও হতে পারে।
তার দোকানে মরদেহ দাফনের জন্য প্রস্তুত করতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণও বিক্রি হয়। এর মধ্যে রয়েছে আতর, কর্পূর, সুরমা, সাবান ও গোলাপজল। তিনি জানান, উপকরণগুলোর মান অনুযায়ী এসব পণ্যের একটি প্যাকেটের দাম প্রায় আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা। পাঁচ বছর আগে একই ধরনের একটি প্যাকেটের দাম ছিল এক হাজার টাকারও কম।
দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে এই ব্যবসার হিসাব-নিকাশেও।
আলম বলেন, 'হ্যাঁ, কেউ মারা গেলে আমরা লাভ করি। করোনাভাইরাস মহামারির সময় চাহিদা মেটানোর মতো এসব উপকরণ আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ছিল না। এখন সপ্তাহে মাত্র দুই-তিনটি বিক্রি হয়।'
মরদেহ গোসল করানো ও দাফনের জন্য প্রস্তুত করার সঠিক খরচ নির্ভর করে কে এই সেবা দিচ্ছেন এবং পরিবারটি সরকারি কবরস্থানের সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করছে কি না, তার ওপর।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ডিজিটাল কবরস্থান ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার তথ্য অনুযায়ী, তাদের কবরস্থানগুলোতে মরদেহ গোসল করানো, জানাজার নামাজ আদায় এবং দাফনের ব্যবস্থা রয়েছে।
মরদেহ দূরে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হলে আরও একটি খরচ যুক্ত হয়—কফিন বা মরদেহ রাখার কাঠের বাক্স।
কেউ নিজ শহর থেকে দূরে কোনো হাসপাতালে মারা গেলে তার মরদেহ বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে যেসব পরিবারের শীতাতপনিয়ন্ত্রিত অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার সামর্থ্য নেই, তাদের জন্য এই কাজ আরও কঠিন। এ ধরনের পরিস্থিতিতে স্বজনেরা প্রায়ই মরদেহ পরিবহনের জন্য একটি কফিন কেনেন।
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তৈরি কফিন সাধারণত পাঁচ থেকে ছয় ফুট লম্বা হয়। শিশুদের জন্য তৈরি কফিনের দৈর্ঘ্য সাধারণত দুই থেকে তিন ফুট। কাঠের আকার ও মানের ওপর নির্ভর করে একটি কফিনের দাম এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা।
কবরের দাম
কবর দেওয়ার খরচ নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট কবরস্থান কোন সিটি করপোরেশনের অধীনে পরিচালিত হয়, তার ওপর।
আজিমপুর কবরস্থানের নিবন্ধক বা মহুরর নুরুল হুদা জানান, সেখানে বর্তমানে কাউকে দাফন করতে একটি পরিবারকে এক হাজার টাকা নিবন্ধন ফি দিতে হয়। ১৮ মাস পর একই কবরে আবার দাফন করা হয়। এই সময়ের মধ্যে আগের মরদেহ পচে মাটির সঙ্গে মিশে যাওয়ার কথা।
তবে বর্তমানে প্রচলিত ব্যবস্থায় আজিমপুর কবরস্থানে কবর সংরক্ষণের কোনো সুযোগ নেই। নুরুল হুদা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের পর এই ব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো, আজিমপুরে সাধারণ কবরে কাউকে দাফন করতে পরিবারগুলোকে বর্তমানে আলাদা করে কবর সংরক্ষণের কোনো ফি দিতে হচ্ছে না।
তিনি জানান, বাঁশ, চাটাই, কবর খোঁড়া এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজে আরও এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ টাকা খরচ হয়।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সরকারি ওয়েবসাইটে এখনো কবর সংরক্ষণের খরচের তথ্য দেওয়া আছে। তবে সিটি করপোরেশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, ওয়েবসাইটটি বহু বছর ধরে হালনাগাদ করা হয়নি। এ কারণেই তথ্যের এই অসংগতি দেখা যাচ্ছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অধীন কবরস্থানগুলোর চিত্র অবশ্য ভিন্ন, যদিও সব কবরস্থানে মূল নীতিমালা একই।
বনানী কবরস্থানের নিবন্ধক হারুন-অর-রশীদ বলেন, 'সবচেয়ে বড় সংকট হলো জায়গার অভাব। আমরা যদি প্রতিটি কবর ১৫ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণের অনুমতি দিই, তাহলে কবরস্থানে নতুন করে কাউকে দাফন করার মতো আর কোনো জায়গা থাকবে না। এ কারণেই কবর সংরক্ষণের মূল্য এত বেশি রাখা হয়েছে, যাতে মানুষ কবর সংরক্ষণ করতে নিরুৎসাহিত হয়।'
মৃত্যুর আগে থেকেই কবর সংরক্ষণের জন্য অগ্রিম আবেদন করার ব্যবস্থা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ছয়টি কবরস্থানেই বন্ধ রয়েছে। তবে অনুমোদন ও জায়গা পাওয়া সাপেক্ষে প্রতিটি কবরস্থানে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ১৫ ও ২৫ বছরের জন্য কবর সংরক্ষণের সীমিত ব্যবস্থা এখনো চালু আছে। প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে বিবেচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বনানী কবরস্থানে এই সীমিত ব্যবস্থার খরচ অত্যন্ত বেশি। সেখানকার মহুরর মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ জানান, বর্তমানে প্রায় ২০ বর্গফুট আয়তনের একটি কবর ১৫ বছরের জন্য সংরক্ষণ করতে প্রায় তিন কোটি টাকা এবং ২৫ বছরের জন্য সংরক্ষণ করতে সাড়ে চার কোটি টাকা লাগে। একই এলাকায় এক হাজার বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাটের দামের চেয়েও এই খরচ অনেক বেশি।
এই অর্থ কিস্তিতেও পরিশোধ করা যায়।
কবর সংরক্ষণের মূল্য এত বেশি রাখার পেছনে একটি সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে। হারুন-অর-রশীদ বলেন, 'সবচেয়ে বড় সংকট হলো জায়গার অভাব। আমরা যদি প্রতিটি কবর ১৫ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণের অনুমতি দিই, তাহলে কবরস্থানে নতুন করে কাউকে দাফন করার মতো আর কোনো জায়গা থাকবে না। এ কারণেই কবর সংরক্ষণের মূল্য এত বেশি রাখা হয়েছে, যাতে মানুষ কবর সংরক্ষণ করতে নিরুৎসাহিত হয়।'
একই ব্যবস্থার আওতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অন্যান্য কবরস্থানে কবর সংরক্ষণের খরচ তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ১৫ বছরের জন্য একটি কবর সংরক্ষণ করতে ২০ লাখ টাকা এবং ২৫ বছরের জন্য ৩০ লাখ টাকা লাগে। তবে কিছু এলাকায় কবর সংরক্ষণের খরচ ৯০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
অন্যদিকে, রায়েরবাজার কবরস্থানে একই মেয়াদে কবর সংরক্ষণ করতে যথাক্রমে ১০ লাখ ও ১৫ লাখ টাকা খরচ হয়।
দাফনের পর শেষ ভোজ
দাফন সম্পন্ন হলেই যে খরচ শেষ হয়ে যায়, তা নয়।
অনেক পরিবারে জানাজা ও দাফন উপলক্ষে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য ও অনুষ্ঠানে কতজন উপস্থিত হচ্ছেন, তার ওপর খাবারের আয়োজন নির্ভর করে। এ কারণে এই প্রচলিত রীতির জন্য নির্দিষ্ট একটি খরচ নির্ধারণ করা কঠিন।
তবে ৫০ জনের খাবারের ব্যবস্থা করতেও দশ হাজার টাকার ওপরে চলে যেতে পারে।
ঢাকার একজন খাবার সরবরাহকারীর বর্তমান মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ৫০ জনের জন্য ভুনা খিচুড়ির আয়োজন করতে প্রায় ১৭ হাজার টাকা, দেশি পোলাওয়ের জন্য ১৯ হাজার টাকা, গরুর মাংসের তেহারির জন্য ২০ হাজার টাকা এবং কাচ্চি পোলাও জাতীয় খাবারের জন্য ৪৬ হাজার ২৫০ টাকা খরচ হতে পারে।
এই হিসাব খাবার সরবরাহকারীর মূল্যতালিকার ভিত্তিতে করা হয়েছে। এগুলোকে দাফন-পরবর্তী খাবারের নির্ধারিত বা সর্বজনীন খরচ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।
নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের জন্য মাথাপিছু নির্ধারিত প্যাকেজ নেওয়ার পরিবর্তে পরিবারগুলো নিজেদের বাজেট অনুযায়ী আলাদা আলাদা পদ ও খাবারের পরিমাণ নির্ধারণ করেও আয়োজন করতে পারে।
দাফনের পুরো আয়োজন সামলানো অনেক পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে পড়ায় ঢাকায় এ কাজের জন্য বিশেষ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানও গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে দাফনের বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করে।
এমনই একটি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তাদের সাধারণ সেবার প্যাকেজের মূল্য ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু। এর মধ্যে দাফনের প্রাথমিক কাজ ও মরদেহ পরিবহনের ব্যবস্থা রয়েছে। বেশি দামের প্যাকেজে জানাজাসংক্রান্ত সেবা এবং অতিথিদের খাবারের ব্যবস্থাসহ আরও নানা সুবিধা দেওয়া হয়।
এসব প্রতিষ্ঠানের সেবা ঢাকায় দাফনের আয়োজনের ধরনেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আগে পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী ও পরিচিতজনেরা মিলে যে কাজগুলো সামলাতেন, এখন অর্থের বিনিময়ে সেগুলোর দায়িত্ব বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
তবে এই সুবিধা নেওয়ার জন্যও পরিবারকে বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হয়।
যেসব পরিবারের সঞ্চয় কম, তাদের জন্য দাফনের তুলনামূলক সাধারণ আয়োজনের খরচ জোগাড় করাও কঠিন হতে পারে। প্রিয়জনের মৃত্যুর পর এসব খরচ মেটানোর জন্য হাতে সময় থাকে না। পরে দেওয়া যাবে, কিংবা আরও কম দামে পাওয়া যাবে কি না, তা ভেবে অপেক্ষা করার সুযোগও থাকে না।
মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অনেক পরিবারকে অর্থের ব্যবস্থা করতে হয়। একদিকে প্রিয়জনকে হারানোর শোক, অন্যদিকে জরুরি খরচ মেটানোর চাপ—সব মিলিয়ে কঠিন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় তাদের।
ঢাকায় দাফনের খরচ তাই শুধু কবরের দাম কিংবা দাফনসেবার মূল্য দিয়ে হিসাব করার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য, সঞ্চয় এবং প্রিয়জনকে হারানোর মুহূর্তে হঠাৎ বড় অঙ্কের অর্থ জোগাড় করার সক্ষমতা।
যে সময়ে একটি পরিবারের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মানসিক সমর্থন ও স্বজনদের পাশে পাওয়া, ঠিক সেই সময়েই তাদের অনেককে অর্থের চিন্তায় পড়তে হয়। প্রিয়জনকে শেষবিদায় জানানোর এই কঠিন সময়েও তাই পরিবারের সামর্থ্য কতটুকু, সেটিও হয়ে ওঠে বড় প্রশ্ন।