Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

কয়েক দশকের মানব ধ্বংসযজ্ঞ কাটিয়ে বিশ্বজুড়ে আবার প্রাণ ফিরে পাচ্ছে ম্যানগ্রোভ বন

কয়েক দশকের মানব ধ্বংসযজ্ঞ কাটিয়ে বিশ্বজুড়ে আবার প্রাণ ফিরে পাচ্ছে ম্যানগ্রোভ বন

আন্তর্জাতিক

বিবিসি
05 June, 2026, 03:00 pm
Last modified: 05 June, 2026, 10:06 pm

Related News

  • বন, নদী, জল ও জীবন: বিপন্ন বাংলার ধমনী এবং আমাদের দায়
  • ১ সেপ্টেম্বর থেকে খুলছে সুন্দরবন, তিন মাসের নিষেধাজ্ঞায় ফিরেছে প্রাণ-প্রকৃতি
  • ভাওয়ালের পর এবার শ্রীপুরের শালবনেও গড়ে উঠছে বর্জ্য শোধনাগার  
  • শহরের ভাগাড় বানাতে বলি দেওয়া হচ্ছে বন: ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ভেতরে বর্জ্য স্টেশন নির্মাণ
  • বাংলাদেশে ৪ লাখের বেশি ম্যানগ্রোভ গাছ লাগিয়েছে বিটিএসের ব্যবস্থাপনা সংস্থা হাইব

কয়েক দশকের মানব ধ্বংসযজ্ঞ কাটিয়ে বিশ্বজুড়ে আবার প্রাণ ফিরে পাচ্ছে ম্যানগ্রোভ বন

বিবিসি
05 June, 2026, 03:00 pm
Last modified: 05 June, 2026, 10:06 pm

প্রলয়ংকরী ঝড়-ঝাপটা থেকে লাখ লাখ মানুষকে রক্ষা করা এবং বায়ুমণ্ডলের ক্ষতিকর গ্যাস শুষে নেওয়ার অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক হাতিয়ার হলো উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বন। দীর্ঘ কয়েক দশকের ধ্বংসযজ্ঞ পেরিয়ে অবশেষে আশার কথা শুনিয়েছেন বিজ্ঞানীরা; বিশ্বজুড়ে অলৌকিকভাবে এবং অবিশ্বাস্য দ্রুততায় এই ম্যানগ্রোভ বন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, ২০১০ সালের পর থেকে বিশ্বজুড়ে ম্যানগ্রোভ বন হারানোর চেয়ে নতুন করে বন বাড়ার হার অনেক বেশি। 

গ্যাবনের পঙ্গারা ন্যাশনাল পার্কের ম্যানগ্রোভ বন। ছবিটি ১৫ অক্টোবর ২০২১ সালে ড্রোন দিয়ে ধারণ করা হয়েছে। ফাইল ছবি: রয়টার্স

গবেষকদের মতে, এর পেছনে রয়েছে আইনগত সুরক্ষা জোরদার হওয়া এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি—বিশেষ করে ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরীয় সুনামির মতো ভয়াবহ দুর্যোগের পর মানুষ ম্যানগ্রোভের গুরুত্ব নতুন করে উপলব্ধি করে।

গবেষণাটি বলছে, সবচেয়ে বড় কারণ হলো—মানুষ কেটে না ফেললে ম্যানগ্রোভ বন নিজে থেকেই পুনরায় গড়ে ওঠার অসাধারণ সক্ষমতা।

ম্যানগ্রোভ বন মূলত পরিবেশের অন্যতম এক নীরব নায়ক। এটি স্থলভাগের সাধারণ বনের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ ও জমিয়ে রাখতে সক্ষম। এছাড়া এদের জটলা পাকানো শিকড়গুলো সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের গতি কমিয়ে দেয়, যা উপকূলের মানুষকে জলোচ্ছ্বাস ও সুনামির মতো দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। 

গ্যাবনের পঙ্গারা ন্যাশনাল পার্কের ম্যানগ্রোভ বন। ছবিটি ১৫ অক্টোবর ২০২১ সালে ড্রোন দিয়ে ধারণ করা হয়েছে। ফাইল ছবি: রয়টার্স

এই একই শিকড়গুলো বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণীদের জন্য নিরাপদ প্রজনন ক্ষেত্র এবং খাদ্যের জোগান দেয়।

১৯৮০ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে এশিয়া, আফ্রিকা ও আমেরিকায় প্রায় ১২ হাজার বর্গকিলোমিটার ম্যাঙ্গ্রোভ বন উজাড় হয়, যা জ্যামাইকার সমান একটি এলাকা।

তবে নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, বিশেষ করে গত দশকে এই প্রবণতায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ১৯৮০-এর দশক থেকে এখন পর্যন্ত মোট নিট ক্ষতি কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৪৯ বর্গকিলোমিটারে।

ছবি: সংগৃহীত

কয়েক দশকের কৃত্রিম পুনর্জীবন প্রচেষ্টা ক্ষতিগ্রস্ত বনগুলোকে কিছুটা পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করলেও সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে মানুষের হস্তক্ষেপ কমে যাওয়ার পর বনের প্রাকৃতিকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতার কারণে। এর ফলে ইন্দোনেশিয়ায় বনের পরিমাণ স্থিতিশীল হয়েছে এবং মিয়ানমারে বনের আয়তন বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ায় ২০০৪ সালের সুনামির ক্ষত মানুষকে ম্যানগ্রোভের গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করেছিল, যার ফলে সেখানে মাছ চাষের জন্য গাছ কাটার হার অনেক কমে গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলেন ইউনিভার্সিটির প্রধান গবেষক ডা. জেন ঝাং বলেন, 'কিছু দ্বীপ ম্যানগ্রোভ বনে ঢাকা ছিল এবং সুনামির পরেও সেই দ্বীপগুলো খুব ভালোভাবে সুরক্ষিত ছিল। এই বিষয়টি ম্যানগ্রোভ সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়িয়ে দেয়।'

ছবি: সংগৃহীত

একইভাবে ২০০৮ সালের ঘূর্ণিঝড় নার্গিস এবং ২০১৬ সালে কাঠ কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পর মিয়ানমারেও জনমানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আসে।

গবেষকদের মতে, প্রযুক্তিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এই গবেষণায় ভিন্ন ধরনের স্যাটেলাইট ইমেজিং সিস্টেম ব্যবহার করে বনগুলো আরও বিস্তারিতভাবে মানচিত্রায়ণ করা হয়েছে, যার ফলে আগের গবেষণার তুলনায় অনেক বেশি নতুন গাছ শনাক্ত হয়েছে।

এই চিত্র এসেছে ল্যান্ডস্যাট স্যাটেলাইট থেকে, যা 'ক্যানোপি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং বৈশ্বিকভাবে একরূপ পর্যবেক্ষণ দেয়, যা আগের মূল্যায়নগুলোতে বাদ পড়ে যেতে পারত,' বলেন গ্রান্থাম রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক এলিজাবেথ রবিনসন, যিনি গবেষণাটিতে যুক্ত ছিলেন না।

ছবি: সংগৃহীত

তিনি বলেন, 'এটি আগের বৈশ্বিক মূল্যায়নের তুলনায় একটি বড় অগ্রগতি।'

তবে গবেষকরা বলছেন, এই বৃদ্ধি সবসময় ইতিবাচক নয়—এটি অনেক ক্ষেত্রে অন্য অঞ্চলে পরিবেশগত ক্ষতির ফলও হতে পারে। যেমন ব্রাজিলের মতো দেশগুলোতে নদী অববাহিকায় ম্যানগ্রোভ বনের ব্যাপক বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে, যার কারণ মূলত নদীগুলোর উজানে বন ধ্বংস এবং খনি খননের কাজ। এর ফলে নাইট্রোজেনের মতো পুষ্টিকর উপাদানগুলো ধুয়ে নিচে চলে এসেছে এবং ম্যানগ্রোভের পুষ্টি জুগিয়েছে।

গবেষক দলের অন্যতম সদস্য এবং অ্যাবেরিস্টউইথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী ডা. পিট বান্টিং বলেন, 'এটি ম্যানগ্রোভের জন্য সুসংবাদ—আমরা যা ভেবেছিলাম তার চেয়ে বেশি গাছ আছে এবং তারা তাদের টিকে থাকার ক্ষমতা দেখাচ্ছে। কিন্তু এটি কেবল তখনই ভালো সংবাদ হবে যদি নদীগুলোর উজানের অববাহিকা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে না যায়।' 

আবুধাবির ধূসর ম্যানগ্রোভ। ছবি: রয়টার্স

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, যদিও পুনরুদ্ধার ও বন উজাড় কমানোর মাধ্যমে সাফল্য এসেছে, এটি বিশ্বের সব জায়গায় সমানভাবে হয়নি।

বান্টিং সতর্ক করে বলেন, সব জায়গায় এই ঘুরে দাঁড়ানোর হার সমান নয়। পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকায় এখনও দেদারসে ধ্বংস করা হচ্ছে ম্যানগ্রোভ বন। নাইজেরিয়ার নাইজার ডেল্টা অঞ্চলটি এর বড় উদাহরণ। তিনি বলেন, 'নাইজার ডেল্টা হলো ম্যানগ্রোভের ওপর তেল দূষণের ক্ষতিকর প্রভাবের বড় উদাহরণ। তেলের পাইপলাইনের জন্য বনের বুক চিরে সোজা রাস্তা তৈরি করা হয়েছে।' 

এছাড়া অস্ট্রেলিয়া থেকে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ পর্যন্ত বড় বড় সামুদ্রিক ঝড়গুলো এখনও ম্যানগ্রোভের জন্য বড় হুমকি।

তবুও গবেষকদের মতে, এটি মূলত একটি ইতিবাচক অগ্রগতির গল্প।

সিয়ারগাও দ্বীপের ম্যানগ্রোভ রিজার্ভ। ছবি: রয়টার্স

তবুও একে পরিবেশের জন্য এক বড় সুসংবাদ হিসেবে দেখছেন বিজ্ঞানীরা। ডা. জেন ঝাং বলেন, 'আমরা সঠিক পথেই এগোচ্ছি, কারণ বন উজাড়ের হার কমে যাওয়ার একটি স্পষ্ট প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।' গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৮০-র দশকের পর থেকে সবচেয়ে ঘন ও কার্বন সমৃদ্ধ বনের পরিমাণ প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

Related Topics

টপ নিউজ

ম্যানগ্রোভ / ম্যানগ্রোভ বন / বন

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলানোর পর প্রটোকল ভঙ্গ: রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ; জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে তাৎক্ষণিক বদলি
    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলানোর পর প্রটোকল ভঙ্গ: রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ; জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে তাৎক্ষণিক বদলি
  • নজরুল ইসলাম আবদুল বশির ও সুইটি আক্তার। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে যা জানাল জেদ্দা কনস্যুলেট
  • ছবি: সংগৃহীত
    ‘বিসমিল্লাহ, সে লে তেনেব্র’: ফ্রান্সের চলমান বিক্ষোভে আলোচনায় আসা এই অদ্ভুত স্লোগানের অর্থ কী
  • সেলেবি এভিয়েশনের গ্রুপ সিইও ডেভ ডরনার। ছবি: সংগৃহীত
    ঢাকা বিমানবন্দরে বৈদ্যুতিক গ্রাউন্ড ইকুইপমেন্টে বিনিয়োগের ও উন্নত ব্যাগেজ সেবার প্রতিশ্রুতি চেলেবি-র
  • ছবি: ফার্মি এক্সপ্লোরার
    ২০২৮ সালে শুরু হতে পারে প্রথম ইন্টারস্টেলার মহাকাশ মিশন, গন্তব্যে পৌঁছাতে লাগবে ‘৮০ হাজার বছর’
  • দুর্ঘটনায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ছবি: ইউএনবি
    বান্দরবানে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মা-মেয়ে, একই পরিবারের আহত আরও ৪

Related News

  • বন, নদী, জল ও জীবন: বিপন্ন বাংলার ধমনী এবং আমাদের দায়
  • ১ সেপ্টেম্বর থেকে খুলছে সুন্দরবন, তিন মাসের নিষেধাজ্ঞায় ফিরেছে প্রাণ-প্রকৃতি
  • ভাওয়ালের পর এবার শ্রীপুরের শালবনেও গড়ে উঠছে বর্জ্য শোধনাগার  
  • শহরের ভাগাড় বানাতে বলি দেওয়া হচ্ছে বন: ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ভেতরে বর্জ্য স্টেশন নির্মাণ
  • বাংলাদেশে ৪ লাখের বেশি ম্যানগ্রোভ গাছ লাগিয়েছে বিটিএসের ব্যবস্থাপনা সংস্থা হাইব

Most Read

1
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলানোর পর প্রটোকল ভঙ্গ: রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ; জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে তাৎক্ষণিক বদলি
বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলানোর পর প্রটোকল ভঙ্গ: রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ; জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে তাৎক্ষণিক বদলি

2
নজরুল ইসলাম আবদুল বশির ও সুইটি আক্তার। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে যা জানাল জেদ্দা কনস্যুলেট

3
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

‘বিসমিল্লাহ, সে লে তেনেব্র’: ফ্রান্সের চলমান বিক্ষোভে আলোচনায় আসা এই অদ্ভুত স্লোগানের অর্থ কী

4
সেলেবি এভিয়েশনের গ্রুপ সিইও ডেভ ডরনার। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

ঢাকা বিমানবন্দরে বৈদ্যুতিক গ্রাউন্ড ইকুইপমেন্টে বিনিয়োগের ও উন্নত ব্যাগেজ সেবার প্রতিশ্রুতি চেলেবি-র

5
ছবি: ফার্মি এক্সপ্লোরার
আন্তর্জাতিক

২০২৮ সালে শুরু হতে পারে প্রথম ইন্টারস্টেলার মহাকাশ মিশন, গন্তব্যে পৌঁছাতে লাগবে ‘৮০ হাজার বছর’

6
দুর্ঘটনায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ছবি: ইউএনবি
বাংলাদেশ

বান্দরবানে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মা-মেয়ে, একই পরিবারের আহত আরও ৪

The Business Standard
Top

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net

Copyright © 2022 THE BUSINESS STANDARD All rights reserved. Technical Partner: RSI Lab