Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Saturday
June 13, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SATURDAY, JUNE 13, 2026
শীঘ্রই ভারতে মোতায়েন হবে রুশ সেনা ও যুদ্ধজাহাজ? দুই দেশের নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ

আন্তর্জাতিক

আল জাজিরা
26 April, 2026, 01:40 pm
Last modified: 26 April, 2026, 01:39 pm

Related News

  • ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তির ‘চূড়ান্ত ও সম্মত’ খসড়ায় পৌঁছানো গেছে: পাকিস্তান
  • মৌলভীবাজার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
  • ‘লজ্জাজনক’: ফাঁস হওয়া ইরান যুদ্ধবিরতির শর্তগুলোকে ভুয়া দাবি করলেন ট্রাম্প
  • পাকিস্তানের অনুরোধে ইরানে হামলা স্থগিত, ইসলামাবাদকে কৃতিত্ব দিলেন ট্রাম্প
  • পুশ-ইন উত্তেজনার মধ্যে সীমান্তে সমন্বিত টহল ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় বাড়াবে বাংলাদেশ-ভারত

শীঘ্রই ভারতে মোতায়েন হবে রুশ সেনা ও যুদ্ধজাহাজ? দুই দেশের নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ

এই চুক্তির মাধ্যমে শান্তিকাল ও যুদ্ধকাল—উভয় সময়েই দুই দেশ একে অপরের সামরিক ঘাঁটি, নৌবন্দর এবং বিমানঘাঁটি ব্যবহার করতে পারবে।
আল জাজিরা
26 April, 2026, 01:40 pm
Last modified: 26 April, 2026, 01:39 pm
গত বছর ৫ ডিসেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছবি: রয়টার্স

বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দুই সামরিক বাহিনীর দেশ রাশিয়া ও ভারত তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পন্ন করেছে, যার মাধ্যমে তারা একে অপরের ভূখণ্ডে সেনা ও সামরিক বিমান মোতায়েন করতে পারবে।

'রিসিপ্রোকাল এক্সচেঞ্জ অব লজিস্টিকস সাপোর্ট' (আরইএলওএস) নামে দ্বিপাক্ষিক এই চুক্তিটি গত বছর স্বাক্ষরিত হয় এবং বর্তমানে কার্যকর। এই চুক্তির মাধ্যমে শান্তিকাল ও যুদ্ধকাল—উভয় সময়েই দুই দেশ একে অপরের সামরিক ঘাঁটি, নৌবন্দর এবং বিমানঘাঁটি ব্যবহার করতে পারবে।

বিশেষ করে প্রতিরক্ষা খাতে রাশিয়া-ভারত সম্পর্কের এই ঘনিষ্ঠতা এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন বিশ্বজুড়ে একাধিক যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতিকে অস্থির করে তুলেছে। একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনিশ্চিত নীতিনির্ধারণও নয়াদিল্লি ও মস্কোর লাখো মানুষের ওপর প্রভাব ফেলছে।

আরইএলওএস চুক্তিতে কী রয়েছে?

গত আট বছর ধরে আলোচনা শেষে চুক্তিটি গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে মস্কোতে স্বাক্ষরিত হয়। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত ১৫ ডিসেম্বর ফেডারেল আইনের মাধ্যমে এর অনুমোদন দেন।

গত ১২ জানুয়ারি থেকে চুক্তিটি কার্যকর হলেও এর বিস্তারিত তথ্য রুশ কর্মকর্তারা চলতি সপ্তাহে প্রকাশ করেছেন।

চুক্তিটি প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে এবং পারস্পরিক সম্মতিতে তা বাড়ানো যাবে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এই চুক্তির আওতায় উভয় দেশ একে অপরের ভূখণ্ডে তিন হাজার সেনা, পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ এবং ১০টি সামরিক বিমান মোতায়েন করতে পারবে।

ক্রেমলিন এক বিবৃতিতে জানায়, 'এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক বাহিনীর মোতায়েন, যুদ্ধজাহাজের বন্দর ভ্রমণ এবং সামরিক বিমানের আকাশসীমা ও বিমানঘাঁটি ব্যবহারের পদ্ধতি নির্ধারণ করা।'

এই লজিস্টিক সহায়তা চুক্তি জ্বালানি সরবরাহ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণসহ বিভিন্ন সেবা কাঠামো নির্ধারণ করে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ভারতের বিদ্যমান রুশ সামরিক সরঞ্জামের রক্ষণাবেক্ষণকে সহজ করবে।

এছাড়া নৌবাহিনীর জন্য খাদ্য, পানি ও প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম সরবরাহের বিষয়ও এতে অন্তর্ভুক্ত। বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে এতে এয়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, নেভিগেশন সহায়তা, নিরাপত্তা, জ্বালানি, লুব্রিকেন্ট এবং রক্ষণাবেক্ষণ সেবা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

চুক্তিটি দুই দেশের সামরিক বাহিনীর যৌথ প্রশিক্ষণ এবং মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ মোকাবিলা কার্যক্রমও সহজ করবে।

রাশিয়ার জন্য এর সুবিধা কী?

শীতল যুদ্ধের সময় থেকে প্রতিরক্ষা খাত রাশিয়া-ভারত সম্পর্কের মূল ভিত্তি। ১৯৬০-এর দশক থেকে মস্কো ভারতের অন্যতম প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী।

২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে রাশিয়া সস্তায় তেল বিক্রি শুরু করলে ভারত তার অন্যতম বড় ক্রেতা হয়ে ওঠে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সমালোচনার মুখে পড়ে নয়াদিল্লি।

এই চুক্তির মাধ্যমে রাশিয়া প্রথমবারের মতো ভারত মহাসাগরে গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশাধিকার পাবে। পাশাপাশি ভারত রাশিয়ার ভ্লাদিভস্তক থেকে মুরমানস্ক পর্যন্ত উত্তর সমুদ্রপথ ব্যবহার করতে পারবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি বৈশ্বিক সরবরাহ বিঘ্নের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা দেবে।

চুক্তিটি রাশিয়াকে ভারত মহাসাগরে দীর্ঘ সময় ধরে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখতে এবং তার প্রভাব বিস্তার করতে সহায়তা করবে।

ভারতের জন্য এর সুবিধা কী?

ভারতের জন্য এই চুক্তি প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। এটি শুধু অস্ত্র কেনাবেচার সম্পর্ক নয়, বরং কার্যকর সামরিক সহযোগিতায় রূপ নিয়েছে।

ভারত রাশিয়ার আর্কটিক ও দূরপ্রাচ্যের সামরিক স্থাপনাগুলো ব্যবহার করতে পারবে, যা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

এটি পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত সরবরাহ ব্যবস্থার বাইরে বিকল্প পথ তৈরি করে এবং চীনের প্রভাব মোকাবিলায় সহায়তা করে।

ভারত কি তাহলে রাশিয়া থেকে সরে আসছে না?

ভারত ঐতিহাসিকভাবেই সামরিক সরঞ্জামের জন্য রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল। 

যদিও মার্কিন চাপে ভারত তার প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণের চেষ্টা করছে, তবুও রাশিয়ার সাথে এই চুক্তি ভারতের 'মাল্টি-অ্যালাইনমেন্ট' বা বহুমুখী জোটনীতিরই অংশ। 

জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অমিতাভ সিংয়ের মতে, ভারত রাশিয়ার সাথে কেবল অস্ত্র কেনাবেচায় সীমাবদ্ধ না থেকে কৌশলগত বিষয়েও সক্রিয় অংশগ্রহণ বজায় রাখতে চায়।

মার্কিন প্রভাব ও ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন

যুক্তরাষ্ট্রের সাথেও ভারতের 'এলইএমওএ' লজিস্টিক চুক্তি রয়েছে। তবে রাশিয়ার সাথে এই চুক্তির বড় পার্থক্য হলো—সৈন্য ও যুদ্ধবিমান মোতায়েনের সুযোগ। 

ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে ভারতের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মাঝে এই চুক্তি ওয়াশিংটনের প্রতি একটি সংকেত যে, ভারতকে আমেরিকা 'সব মেনে নেওয়া মিত্র' হিসেবে ভাবতে পারবে না। 

অজয় মালহোত্রা বলেন, মস্কো ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে অংশীদারিত্ব কোনো 'জিরো-সাম গেম' বা একটিকে বাদ দিয়ে অন্যটি নয়; বরং এটি ভারতের কৌশলগত ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করার একটি প্রয়াস।

Related Topics

টপ নিউজ

ভারত / রাশিয়া / প্রতিরক্ষা চুক্তি / সামরিক ঘাঁটি / রুশ সেনা মোতায়েন / রুশ যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন / যুদ্ধে সহযোগিতা / যুক্তরাষ্ট্র

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • খরার কবলে চীনের জিয়াংসি প্রদেশ। পোয়াং হ্রদের উপনদী গান নদীর শুকিয়ে যাওয়া তলদেশজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ফাটল। ছবি: রয়টার্স
    আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেছে ‘গডজিলা’ এল নিনো; দ্রুত ‘ভয়াবহ পরিস্থিতির’ আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের
  • ইলন মাস্ক। ছবি: রয়টার্স
    বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হলেন ইলন মাস্ক
  • তাপানুলি ওরাংওটাং। ছবি: নেচার পিকচার লাইব্রেরি/অ্যালামি
    চার দিনের বৃষ্টিতেই নির্মূল হয়ে গেছে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্লভ ওরাংওটাংদের ৭ শতাংশ
  • ছবি: সিএনপি
    আজ রাতে ইরানে ‘কঠিন আঘাত’ হানব, খারগ দ্বীপ ও অন্যান্য তেল অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ নেব: ট্রাম্প
  • দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল। ছবি: রয়টার্স
    উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টির দায়ে দ. কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের ৩০ বছরের কারাদণ্ড
  • ইরানের রাজধানী তেহরানে ট্রাম্প ও হরমুজ প্রণালি সংবলিত বিলবোর্ডের সামনে ইরানের পতাকা হাতে দাঁড়ানো এক ব্যক্তি। ছবি: রয়টার্স
    ট্রাম্প যে ইরান চুক্তিতে সই করতে প্রস্তুত, তাতে কী আছে?

Related News

  • ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তির ‘চূড়ান্ত ও সম্মত’ খসড়ায় পৌঁছানো গেছে: পাকিস্তান
  • মৌলভীবাজার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
  • ‘লজ্জাজনক’: ফাঁস হওয়া ইরান যুদ্ধবিরতির শর্তগুলোকে ভুয়া দাবি করলেন ট্রাম্প
  • পাকিস্তানের অনুরোধে ইরানে হামলা স্থগিত, ইসলামাবাদকে কৃতিত্ব দিলেন ট্রাম্প
  • পুশ-ইন উত্তেজনার মধ্যে সীমান্তে সমন্বিত টহল ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় বাড়াবে বাংলাদেশ-ভারত

Most Read

1
খরার কবলে চীনের জিয়াংসি প্রদেশ। পোয়াং হ্রদের উপনদী গান নদীর শুকিয়ে যাওয়া তলদেশজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ফাটল। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেছে ‘গডজিলা’ এল নিনো; দ্রুত ‘ভয়াবহ পরিস্থিতির’ আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের

2
ইলন মাস্ক। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হলেন ইলন মাস্ক

3
তাপানুলি ওরাংওটাং। ছবি: নেচার পিকচার লাইব্রেরি/অ্যালামি
আন্তর্জাতিক

চার দিনের বৃষ্টিতেই নির্মূল হয়ে গেছে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্লভ ওরাংওটাংদের ৭ শতাংশ

4
ছবি: সিএনপি
আন্তর্জাতিক

আজ রাতে ইরানে ‘কঠিন আঘাত’ হানব, খারগ দ্বীপ ও অন্যান্য তেল অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ নেব: ট্রাম্প

5
দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টির দায়ে দ. কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের ৩০ বছরের কারাদণ্ড

6
ইরানের রাজধানী তেহরানে ট্রাম্প ও হরমুজ প্রণালি সংবলিত বিলবোর্ডের সামনে ইরানের পতাকা হাতে দাঁড়ানো এক ব্যক্তি। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ট্রাম্প যে ইরান চুক্তিতে সই করতে প্রস্তুত, তাতে কী আছে?

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net