একজন হিরোর খোঁজে সাকিব
অধিনায়ক যখন বলেন, 'হিরোটা কে হবে, সেটাই দেখার'- তখন দলে এমনিতেই প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। বাংলাদেশ দলে যে ভালো করার প্রতিযোগিতা নেই, তেমনও নয়। কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে সাকিব আল হাসানের এমন মন্তব্য যে নতুন এক প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করবে, সেটা বলাই যায়। সাকিবের চাওয়া নিশ্চয় সেটাই।
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৯ রানের জয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাটিং করে ১৪৪ রান তোলে তারা, যা নিয়ে স্বস্তিতে থাকার উপায় ছিল না। কিন্তু বাংলাদেশের পেসারদের তোপে এই রান পাড়ি দিতে পারেনি ডাচরা। পেসারদের দারুণ বোলিংয়ের দিনে নায়কের ভূমিকায় ছিলেন তাসকিন আহমেদ। ৪ উইকেট তুলে নিয়ে দলের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও একজন নায়কের খোঁজে সাকিব।
২৭ নভেম্বর সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ম্যাচে দলের ১১ জনেরই নায়ক হওয়ার সুযোগ আছে। কিন্তু কে নায়ক হবেন, সেটার দেখার অপেক্ষায় বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক, 'আগামীকাল আমাদের জন্য আরেকটা সুযোগ। আমাদের যে ১১ জন খেলবে, তাদের মধ্যে একজনের হিরো হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তো ওই হিরোটা কে হবে, সেটাই দেখার।'
ডাচদের বিপক্ষে বোলারদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট সাকিব। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠা বাংলাদেশ অধিনায়ক এই ম্যাচেও বোলারদের নিয়ে আশাবাদী, 'টি-টোয়েন্টিতে বেশি পারফর্মার থাকার সুযোগ নেই। কম পারফর্মার থাকবে কিন্তু ওদের পারফরম্যান্স একটু বড় হতে হয়। ওপেনারদের সুযোগ আছে ২০ ওভার ব্যাটিং করার। কেন তারা পারবে না? আমি বিশ্বাস করি, তারা করতে পারবে। কিংবা আমাদের বোলাররা আগের দিন যেভাবে বোলিং করেছে, কেন আমরা আবার ১০ উইকেট নিতে পারব না?'
পেসারদের নিয়ে তৃপ্ত সাকিব, বিশেষ করে তাসকিন আহমেদকে নিয়ে। তাই প্রংশংসা ঝরলো তার কণ্ঠে, 'সে এখন (তাসকিন) পেস বিভাগে অন্যতম এক নেতা। মাশরাফি যাওয়ার পর গত দুই-তিন বছরে বাংলাদেশের হয়ে সে অসামান্য উন্নতি করেছে। উদাহরণ তৈরি করছে। তিন সংস্করণেই আমাদের খুব ভালো ফাস্ট বোলার আছে আর তারা খুব ভালোও করছে। ফলটা এখন দেখা যাচ্ছে। আশা করছি, বিশ্বকাপে তারা এভাবেই পারফর্ম করে যাবে।'
