রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে চার দিনব্যাপী নগর কৃষি মেলা শুরু
রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আজ ১৯ অক্টোবর সোমবার থেকে শুরু হয়েছে 'অর্কিড, বনসাই, টেরারিয়াম ও অর্নামেন্টাল গাছের মেলা-২০২৬।'
নগর কৃষি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত দ্বিতীয় এই প্রদর্শনী ও মেলা চলবে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত থাকবে। এবারের আয়োজনে মোট ৫২টি স্টল অংশ নিয়েছে।
আজ (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নগর কৃষি ফাউন্ডেশন এসব তথ্য জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চার দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর উদ্বোধনী দিনে শুরু থেকেই বর্ণিল রূপে সজ্জিত মেলা প্রাঙ্গণে বৃক্ষপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের উল্লেখযোগ্য ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) মহাপরিচালকের প্রতিনিধি। এছাড়া বন অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত এম সোলাইমান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন নগর কৃষি ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রকৌশলী মো. গোলাম হায়দার। অনুষ্ঠানে সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা নগর কৃষির উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও টেকসই নীতিমালার ওপর আলোকপাত করে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।
বন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি হোসাইন মুহাম্মদ নিশাদ জানান, অধিদপ্তরের অধীনে শীঘ্রই একটি 'আরবান ফরেস্ট্রি সেন্টার' স্থাপন করা হবে, যেখানে অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারের পাশাপাশি নগর কৃষি ফাউন্ডেশনও যুক্ত থাকবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি লুবনা রহমান বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সরকারিভাবে প্রায় ৮ হাজার ছাদ বাগান মনিটরিং ও তদারকি করা হচ্ছে এবং ছাদ বাগানীদের জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ সময় তিনিও সুনির্দিষ্ট নগর কৃষি নীতিমালা প্রণয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
বিএডিসি প্রতিনিধি জনাব ড. মো: নাজমুল ইসলাম বলেন, নগর কৃষি ফাউন্ডেশনের জন্য বিএডিসিতে একটি কর্ণার করে দিবে। রাজউকের সাথে মিলে ছাদ বাগান করার বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব দেন।
সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত এম সোলাইমান বলেন, 'নতুন প্রজন্মকে নগর কৃষির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করতে হবে এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কার্যকর সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে।'