রপ্তানিমুখী শিল্পে সহজ হচ্ছে বন্ড সুবিধা, শিথিল হতে পারে অডিট বাধ্যবাধকতা
রপ্তানিমুখী শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো এবং ব্যবসা সহজীকরণের লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বন্ড সুবিধা সম্প্রসারণ ও শর্ত শিথিলের একাধিক প্রস্তাব থাকতে পারে। এর আওতায় শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য কাস্টমস বন্ড সুবিধা সহজ করা এবং অডিট বাধ্যবাধকতা শিথিল করার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
আগামী অর্থবছরে রপ্তানিমুখী খাতের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে অন্যান্য শিল্পের জন্যও কাস্টমস বন্ড সুবিধা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
ব্যবসা সহজীকরণের অংশ হিসেবে শতভাগ রপ্তানিমুখী কমপ্লায়েন্ট পোশাক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতি বছর বন্ড অডিটের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহারের প্রস্তাব থাকতে পারে বাজেটে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এতে রপ্তানিকারকদের প্রশাসনিক জটিলতা কমবে এবং সময় সাশ্রয় হবে।
এছাড়া তৈরি পোশাক শিল্পের মতো শতভাগ রপ্তানিমুখী লেদার গুডস ও ফুটওয়্যার শিল্প, টাওয়েল, লিনেন এবং হোম টেক্সটাইল শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জেনারেল বন্ডের মেয়াদ এক বছরের পরিবর্তে তিন বছর করার প্রস্তাব থাকতে পারে।
বন্ডেড ওয়্যারহাউসে এককালীন কাঁচামাল মজুদের বিদ্যমান সীমা তুলে দেওয়ার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে বাজেটে। একই সঙ্গে বন্ড সুবিধাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পণ্য জাহাজীকরণের নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে ইউটিলাইজেশন পারমিশন (ইউপি) নেওয়ার পরিবর্তে ২৪ ঘণ্টা আগে অনুমতি গ্রহণের সুযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রপ্তানিমুখী শিল্পে ব্যবসার গতি বাড়বে, সময় ও ব্যয় কমবে এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে।
